দুর্ঘটনা কমাতে আইন প্রয়োগে কঠোর করতে হবে: ড. আমিন | আলাপ | DW | 02.07.2021
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

সাক্ষাৎকার

দুর্ঘটনা কমাতে আইন প্রয়োগে কঠোর করতে হবে: ড. আমিন

বুয়েটের ডিজাস্টার প্রিভেনশন অ্যাণ্ড আরবান সেফটি ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ড. এ এফ এম সাইফুল আমিন বলেন, যে-কোনো দুর্ঘটনা কমাতে হলে আইন প্রয়োগে কঠোর করতে হবে৷ সেই সঙ্গে ব্যবহারকারীদেরও সচেতন জনগোষ্ঠীতে পরিণত করতে হবে৷

ডয়চে ভেলের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, সমন্বয়ের অভাব আছে, পরিকল্পনা ও সচেতনতারও অভাব আছে৷ ‘‘আমাদের ডিমান্ড এবং সাপ্লাইয়ের মধ্যে সামঞ্জস্য আমরা এখনও তৈরি করতে পারিনি,'' বলেন তিনি৷

ডয়চে ভেলে : নারায়ণগঞ্জের পর মগবাজারে আমরা দেখলাম গ্যাস বিস্ফোরণে বেশ কিছু মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন৷ এই ঘটনা কি এড়ানো যেত না?

ড. এ এফ এম সাইফুল আমিন: আমাদের বর্তমান সমাজে সমস্যা হলো যে, এই ধরনের দুর্ঘটনা কতটুকু ভয়াবহ ও ব্যাপক হতে পারে সে ব্যাপারে পূর্বসচেতনতার প্রচুর অভাব আছে৷ জনসচেতনতাটা যদি একটু বাড়ানো যেত তাহলে অনেক কিছুতেই মানুষ আরও সচেতনভাবে আচরণ করত৷ এই সচেতন আচরণ থেকে এই ধরনের ঘটনার ব্যাপ্তিটাকে আমরা অনেকটা কমিয়ে আনতে পারতাম৷ আইন তো অনেক জায়গায় আছে, অনেক কঠিন আইনও আছে৷ আইন প্রয়োগ করতে যে সমস্ত প্রতিষ্ঠান আছে, জনসচেতনতার অভাবের জন্য তাদের উপরে কাজের একটা অপরিমিত ভার তৈরি হয়েছে৷ সচেতনতা বাড়লে এই কাজের বোঝা কমে আসত৷ তখন আইনগুলোকে আরও দ্রুত এবং পরিমিতভাবে প্রয়োগ করা যেত৷ আমাদের জনসচেতনতাটাকে বাড়ানো দরকার এবং একসাথে আইন প্রয়োগের জন্য যেসমস্ত সংস্থাগুলো আছে সেগুলোকে যথেষ্ট শক্তিশালী এবং কার্যকর করা দরকার, যাতে আমরা নিরাপদ সমাজ তৈরির পথে দ্রুত সামনে আগাতে পারি৷ 

বারবার কেন একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি? এগুলো যে নিয়মিত পরীক্ষা-নিরিক্ষা করা দরকার, সেটাতে আমাদের মনোযোগ নেই কেন? 

আইনে আছে, আমাদের যে-কোনো দালানে বা যে-কোনো ফ্যাসিলিটিতে যদি এনার্জি সাপ্লাই করতে হয়, যেমন বিদ্যুৎ দিতে হয়, গ্যাস সংযোগ দিতে হয়, জ্বালানি সরবরাহ করতে হয়, তাহলে তা নিরাপদভাবে করতে হবে৷ দালানের প্রাথমিক নিরাপত্তাটা আসে স্ট্রাকচারাল ও ভিত্তি ডিজাইন এবং সেভাবে দালানের নির্মাণের মাধ্যমে৷ পরবর্তীতে আসে বিল্ডিং সার্ভিসেস ইঞ্জিনিয়ার টিম৷ এর আওতার মধ্যে পড়ে আমাদের গ্যাস এবং বিদ্যুতের সংযোগ৷ গ্যাস এবং বিদ্যুতের সংযোগের জন্যও সঠিকভাবে ডিজাইনও নির্মাণ করা যেমন জরুরি এবং এটা ব্যবহার শুরুর কালে এবং পরবর্তীতে নিয়মিত পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা দরকার৷ আমাদের সেই জায়গায় সচেতনতার অভাবটা অনেক বেশি দেখা যায়৷ আমরা অনেক সময় এগুলো নিয়মিত পরীক্ষা করি না৷ কিছু কিছু জায়গায় ডিজাইন ও নির্মাণ পর্যায়েই তো অবহেলা থেকে থাকে৷ নিয়মিত পরীক্ষা না করার জন্য ভুলের পুনরাবৃত্তি তো হয় বটেই, অনেক সময় এটা বেশ খানিকটা অতিরিক্ত ঝুঁকি তৈরি করে৷ সেখান থেকেই এই ধরনের দুর্ঘটনা হয় বলে মনে করি৷  

আবাসিক এলাকায় বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান বানানো হচ্ছে৷ সেখানে ঝুঁকিপূর্ণভাবে গ্যাস-বিদ্যুৎসহ অন্যান্য সংযোগ নেওয়া হচ্ছে৷ কর্তৃপক্ষ কেন তাদের নিবৃত্ত করতে ব্যবস্থা গ্রহণ করে না?

যে-কোনো নিয়মিত সংযোগ কখনও ঝুঁকিপূর্ণভাবে দেওয়া হয় না৷ অবৈধ সংযোগগুলোই বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ঝুঁকিপূর্ণভাবে নেয়া হয় বলে আমাদের ধারণা৷ সেগুলো অনেক সময় কর্তৃপক্ষের নজরে আসে না৷ ঘটনাগুলার ব্যাপ্তি অনেক বড়৷ তবে একটা ঘটনা ঘটে গেলে আমাদের ফায়ার সার্ভিস অ্যাণ্ড সিভিল ডিফেন্সসহ অন্যান্যদের নিয়েই বিপদ মোকাবেলা করতে হয়৷ আর আবাসিক এলাকায় বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান বানানো হলে আবাসিক এলাকার প্রতিবেশগত অবস্থা তো আর বাণিজ্যিক এলাকার মতো করে তৈরি করা না যে তার অতিরিক্ত চাপ নিতে পারবে৷ ফলে সেখানে যে ইউটিলিটি সার্ভিস আছে সেটার উপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি হয় এবং সেখানে ঝুঁকিটা বেড়ে যায়৷ এই ঝুঁকিগুলো হ্রাস করার জন্য আমাদের যেটা দরকার সেটা হলো, আবাসিক এলাকায় বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান বানানো হয় বন্ধ করা অথবা এগুলোকে আমাদের যদি অনুমতি দিতে হয় তাহলে প্রতিবেশগত বিষয়াদির সাথে সাথে ইউটিলিটি সার্ভিসের পর্যাপ্ত সুবিধা সেখানে তৈরি করা৷

অডিও শুনুন 11:38

ডিমান্ড এবং সাপ্লাইয়ের মধ্যে সামঞ্জস্য এখনও তৈরি করতে পারিনি: ড. এ এফ এম সাইফুল আমিন

এই যে দুর্ঘটনা, এগুলোর দায় আসলে কার? সরকারের নাকি যারা এগুলো তৈরি করেছেন তাদের? নাকি এগুলো যাদের দেখভাল করার কথা তাদের?

প্রথমত হলো, একটা দালানের বৈদ্যুতিক ও অগ্নি ঝুঁকি নির্ভর করে ওই দালানের আকার এবং তার ব্যবহার ক্যাটাগরির উপর৷ কিছু কিছু দালান যেগুলো কম উচ্চতার সেগুলোর ক্ষেত্রে সাধারণত ঝুঁকি কম৷ যেগুলো বেশি উচ্চতার, বাণিজ্যিক/কারখানা সেগুলোর ক্ষেত্রে ঝুঁকি বেশি৷ ঝুঁকি কম বা বেশি তার উপর নির্ধারণ করেই ডিজাইন এবং নির্মাণ পর্যায়ে বেশ কিছু পদক্ষেপ নিতে হয়৷ প্রশিক্ষিত ডিজাইন ইঞ্জিনিয়ার দিয়ে ডিজাইন করতে হয়৷ সেভাবে এটাকে নির্মাণ করতে হয়৷ এরপর চালু করতে হয়৷ চালুর পরে এটাকে রক্ষণাবেক্ষণ করতে হয়৷ আমাদের স্থাপনাতে যে গলদ তৈরি হয় তা এর ভিতর থেকেই শুরু হয়ে যায়৷ কোনো কোনো সময় আমাদের মধ্যে মনমানসিকতাই তৈরি হয় না যে, এই জিনিসগুলো আমাদের সঠিকভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর চালু করতে হবে, পর্যাপ্ত রক্ষণাবেক্ষণ করতে হবে৷ সঠিকভাবে এটাকে অপারেট করতে হবে৷ দালানের ব্যবহার কালে আমাদের ইন্সপেকশনের ব্যবস্থা করতে হবে৷ আমাদের সার্টিফাইড ইন্সপেক্টরের সংখ্যা কম আছে৷ সচেতনতার অভাবের কারণে এই সংখ্যাটা এখন আরও বেশি দরকার৷ আমরা যদি সচেতনতাটাকে বাড়াতে পারি, সার্টিফাইড ইঞ্জিনিয়ারের সংখ্যা বাড়াতে পারি এবং তাদের যদি এই কাজে ব্যবহার করতে পারি তাহলে হয়ত আমরা এই ধরনের দুর্ঘটনা অনেকাংশে এড়াতে পারব৷

অপরিকল্পিতভাবে গড়ে উঠা এই নগরে নাগরিক পরিষেবাগুলো সঠিকভাবে আছে কিনা সেটা নিয়মিত দেখভাল করা হয় না৷ এই ধরনের খামখেয়ালিপনা কেন?

পরিকল্পিতভাবে গড়ে উঠা একটা নগরে সবগুলো পরিষেবা সঠিকভাবেই থাকবে৷ আর অপরিকল্পিতভাবে যদি একটা নগর গড়ে উঠে তাহলে সেখানে পরিষেবাগুলো সঠিকভাবে থাকবে না৷ কাজেই এখানে যেটা প্রথম অনুভব করা দরকার সেটা হলো, আমাদের নগর পরিকল্পনাতে একটা বড় ঘাটতি আছে৷ নগর পরিকল্পনাতে আমরা সাধারণত এই ইউটিলিটি সার্ভিসগুলো অনেকটা আজকের প্রয়োজনের নিরিখে নির্মাণ করে আসছি, ভবিষ্যতের বাস্তবতাকে অনুধাবন না করে৷ এটাই হলো আমাদের সবচেয়ে বড় সমস্যা৷ বর্তমানে আমাদের সেই অসম্পূর্ণ অপরিকল্পিত উন্নয়নের গণ্ডি থেকে বের হয়ে আসতে অনেক বেগ পেতে হচ্ছে৷ ফলে সমস্যা তৈরি হচ্ছে, প্রকটতর হচ্ছে৷ জনসচেতনতার ঘাটতি সাথে যোগ হচ্ছে৷ সচেতন নাগরিক যেভাবে আচরণ করেন, একজন অসচেতন নাগরিক ভিন্নভাবে অনেক কিছু দেখেন ও বিশ্বাস করেন৷ ফলে আমাদের এগুলো দেখভাল করার জন্য যে সমস্ত প্রতিষ্ঠানগুলো আছে তাদের উপর কাজের চাপটা অনেক বেশি তৈরি হয়৷ আমরা এই চাপটাকে কমাতে পারি৷ প্রথম কাজ হলো সচেতনতাটা বাড়ানো৷ সচেতনতা বাড়ানোর জন্য অবশ্যই আমাদের মূল প্রাথমিক শিক্ষা পাঠ্যসূচির মধ্যে দুর্যোগ ঝুঁকি কমানোর উপায়গুলোকে সঠিকভাবে সন্নিবেশিত করতে হবে৷ আমাদের স্বাক্ষরতার হার এখন দ্রুত বাড়ছে৷ এইদ্রুত বাড়ার ধারাটা আমরা মাত্র কিছুদিন আগে অর্জন করেছি৷ সামনের দিনগুলোতে উন্নততর শিক্ষা পাঠ্যসূচির মধ্যে থেকে আমাদের মধ্যে আরও বেশি সংখ্যক সচেতন জনগোষ্ঠী তৈরি হবে বলে আমি আশা করি৷

যত্রযত্র রাস্তার মধ্যে রেস্তোরাঁ বানানো হয়েছে৷ সেখানেও দেখা যায়, খুবই ঝুঁকিপূর্ণভাবে গ্যাস-বিদ্যুতের সংযোগ নেওয়া হয়েছে৷ এগুলো কি দেখার কোনো কর্তৃপক্ষ নেই?

এখানে পরিকল্পনা এবং সচেতনতার অভাব আছে৷ আমাদের ডিমান্ড এবং সাপ্লাইয়ের মধ্যে সামঞ্জস্য আমরা এখনও তৈরি করতে পারিনি৷ একটা নগরে যে পরিমাণ জমি দরকার এবং এই জমিতে যে পরিমাণ মানুষ বসবাস করতে পারার কথা তার তুলনায় আমরা এখন অল্প জমিতে বেশি সংখ্যক মানুষকে সেবা দিচ্ছি৷ সেবা দিতে গেলে যে সমস্ত আনুসঙ্গিক বিষয়গুলো দরকার সেগুলো আমাদের দিতে হচ্ছে৷ ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যুৎ সংযোগ এর একটা আঙ্গিক৷ আরও অনেক ঝুঁকি হয়ত আমরা তৈরি করছি৷ একটা রাস্তার পাশে রেস্তোরাঁ বানানো তো হতেই পারে৷ সেটা তো আইন কানুন মেনে আইনের আলোকেই হতে হবে৷ আমাদের অনেক শক্ত আইন আছে৷ আমাদের নতুন বিল্ডিং কোড তৈরি হয়েছে৷ বিল্ডিং কোডে বাংলাদেশ বিল্ডিং রেগুলেশন অথরিটির কথা বলা আছে৷ সেখানে কী কী করতে হবে সেটা কিন্তু পদ্ধতিগতভাবে বলা আছে৷ কিন্তু আমাদের সচেতনতার অভাবে সমস্যার আকারটা বড় হয়ে যাচ্ছে৷

দুর্ঘটনার পরই আমরা দেখি এসব নিয়ে আলোচনা হচ্ছে৷ সরকারের দায়িত্বশীলরাও কড়া হুশিয়ারি দিচ্ছেন, কয়েকদিন পর সব থেমে যায়৷ এই পরিস্থিতি থেকে বের হওয়ার পথ কী?

দুর্ঘটনা তো হচ্ছে৷ এটা আমাদের কমাতে হবে৷ দুর্ঘটনার পরিমাণ কমাতে হলে আমাদের আইনের প্রয়োগটাকে কঠোর করতে হবে৷ একই সঙ্গে আমাদের যে ব্যবহারকারী আছেন তাদেরকেও ধীরে ধীরে সচেতন জনগোষ্ঠীতে রূপান্তর করতে হবে৷ তার জন্য যে সমস্ত পদক্ষেপ নেওয়া দরকার সেগুলো নিতে হবে৷ কারণ সরকারের একার পক্ষে সবকিছু করা সম্ভব না, যদি না আমরা নিজেরা সচেতন হই৷ সচেতন হলে সরকারের উপর ভারটা কমে৷ জনগণ ও সরকার মিলেই একটা নিরাপদ সমাজ তৈরি করতে পারে৷

নিয়মিত সড়কে খোঁড়াখুঁড়ির কারণে অনেক সময় গ্যাসের লাইন লিকেজ হয়ে দুর্ঘটনা ঘটছে৷ সড়ক সংস্কারের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট পরিকল্পনার অভাবের কারণে কি এমনটি হচ্ছে?

এটা আমাদের দূরদর্শী পরিকল্পনা এবং সমন্বয়ের অভাব৷ অতীতে আমরা যখন সড়ক তৈরি করেছি তখন সড়কের মধ্যে ইউটিলিটি লাইন কোথায় থাকবে সেটা অনেক সময় আগে ঠিক করা হয় নাই৷ উন্নত দেশে যেটা হয় ইউটিলিটি লাইনের জন্য আলাদা স্থাপনা থাকে৷ সেখানে ইউটিলিটি লাইন থাকে৷ ইউটিলিটি লাইন সড়কের রাইট অব ওয়ের মধ্যে থাকলেও সেটা নির্ধারিত জায়গাতে ভবিষ্যৎ মেরামত ও সম্প্রসারণের কথা ভেবে রাখা হয়৷ অনেক সময় দেখা যায়, বর্তমান সড়ক/স্থাপনা নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান জানতে পারেন না, ইউটিলিটি লাইন কোথায় আছে৷ না জানার কারণে/সমন্বয়ের অভাব এ অনেক সময় এমন দুর্ঘটনা ঘটে৷ যদি সমন্বয় থাকতো, একটা পরিকল্পিত নগর গড়ে উঠত তাহলে সেখানে গ্যাসের লাইন, বিদ্যুতের লাইন একটা নির্দিষ্ট জায়গায় পরিকল্পনা মাফিক থাকতো৷ এখন তো সেটা নেই অনেক জায়গাতেই৷ ফলে যেটা হচ্ছে, আমাদের অনেক উন্নয়ন কাজও ব্যয়বহুল হয়ে যাচ্ছে৷ এখনকার উন্নয়ন কাজের মধ্যে এখন একটা বড় কম্পোনেন্ট রাখতে হয় ইউটিলিটি লাইনটাকে রিলোকেট করার জন্য৷ আমাদের যদি আগে থেকে প্ল্যান থাকতো তাহলে ইউটিলিটি লাইনটাকে রিলোকেট করার এই খরচটাকে আমরা আরও অনেক কমাতে পারতাম৷

এইসব বিষয়ে সরকার আসলে কী পদপেক্ষ নিতে পারে? আপনার পরামর্শ কী?

আমি মনে করি যে, আমাদের অর্থনীতির চাকা যেভাবে ঘুরছে এবং ভবিষ্যতে যেভাবে ঘুরবে তার আলোকে আমাদের সরকার একটা বৃহৎ পরিকল্পনা নেবে আগামী ১০ বছর বা ২০ বছর বা ৩০-৫০ বছরে আমাদের শহরগুলোকে আমরা কীভাবে দেখতে চাই৷ সেই হিসেবে আমাদের বৃহত্তর ইন্টিগ্রেটেড পরিকল্পনা তৈরি করতে হবে৷ আমাদের জনগোষ্ঠীকে সচেতন করে তুলতে হবে৷ সচেতন জনগণকে নিয়ে সরকার সামনে আগাবে৷ এটাতে আমার মনে হয় সর্বাঙ্গীন উন্নতি হবে৷