দুর্গত এলাকায় হেসে মাফ চাইলেন ম্যার্কেলের উত্তরসূরি | সমাজ সংস্কৃতি | DW | 19.07.2021
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

জার্মানি

দুর্গত এলাকায় হেসে মাফ চাইলেন ম্যার্কেলের উত্তরসূরি

জার্মানির বন্যাদুর্গত এলাকা পরিদর্শনে গিয়েছিলেন দেশের প্রেসিডেন্ট৷ সঙ্গে ছিলেন ম্যার্কেলের পর সিডিইউ দলের পক্ষ থেকে জার্মানির চ্যান্সেলর পদপ্রার্থী আরমিন লাশেট৷

জার্মানির বন্যাদুর্গত এলাকা পরিদর্শনে গিয়েছিলেন দেশের প্রেসিডেন্ট৷ সঙ্গে ছিলেন ম্যার্কেলের পর সিডিইউ দলের পক্ষ থেকে জার্মানির চ্যান্সেলর পদপ্রার্থী আরমিন লাশেট৷

বন্যাদুর্গত এলাকায় গিয়ে আরমিন লাশেটকে হাসতে দেখা যায়৷

প্রেসিডেন্ট যখন সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছিলেন, ক্যামেরায় ধরা পড়ে পেছনে লাশেটের হাসাহাসির দৃশ্য৷

হঠাৎ বন্যায় জার্মানিতে নিহতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে দেড়শ৷ আহত হয়েছেন আরো অনেকে, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বিলিয়ন ইউরো ছাড়ানোর আশঙ্কা করা হচ্ছে৷ এমন পরিস্থিতিতে  শনিবার ফ্রাঙ্ক-ভাল্টার শ্টাইনমায়ার ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সঙ্গে কথা বলতে এর্ফস্টাডট শহরে গিয়েছিলেন৷ পরিদর্শন শেষে যখন প্রেসিডেন্ট সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছিলেন, পেছনে একটু দূরে দাঁড়িয়ে অন্য কয়েকজনের সঙ্গে কোনো এক বিষয়ে উৎফুল্ল হয়ে হাসতে দেখা যায় লাশেটকে৷

এমন ভয়াবহ দুর্যোগের পর দুর্গত এলাকায় গিয়ে উৎফুল্ল হয়ে হাসাহাসি করায় তীব্র সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছে লাশেটকে৷ আসছে সেপ্টেম্বরে জার্মানির ক্ষমতাসীন খ্রিস্টীয় গণতন্ত্রী দল- সিডিইউ-র চ্যান্সেলর প্রার্থী লাশেট৷ ফলে সমালোচনার তিরটা বেশিই তীক্ষ্ণ ছিল৷

লাশেট অবশ্য এ ঘটনার জন্য সঙ্গে সঙ্গেই ক্ষমা চেয়েছেন৷ এক টুইটে তিনি নিজের ব্যবহারকে ‘অযথাযথ’ বলে উল্লেখ করেছেন৷ তিনি বলেন, ‘‘বিভিন্ন আলোচনায় যাদের দুর্ভাগ্য়ের কথা উঠে এসেছে, তাদের বিষয়টিই আমাদের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ৷ ফলে আমার কথোপকথনের মধ্যে যে পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল, সেটা নিয়ে আমি লজ্জিত৷ এটা যথাযথ ছিল না এবং আমি এজন্য দুঃখিত৷’’

‘লাফিং লাশেট' নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা

ক্ষমা চেয়ে অবশ্য পার পাননি লাশেট৷ খুব দ্রুতই হাসতে থাকা লাশেটের ভিডিও ও ছবি ভাইরাল হয়ে পড়ে৷ জার্মান গণমাধ্যমে এ নিয়ে আলোচনা শুরু হয়, টুইটারে #Laschetlacht (লাশেট হাসে) হ্যাশট্যাগ শীর্ষ ট্রেন্ডিং টপিক হয়ে পড়ে৷

বিরোধী দলের নেতারাও এই ঘটনার সূত্র ধরে লাশেটকে একহাত নেয়ার সুযোগ ছাড়েননি৷ সামাজিক গণতন্ত্রী দল- এসপিডির মহাসচিব লার্স ক্লিংবাইল জার্মান পত্রিকা বিল্ড আম সনটাগকে দেয়া সাক্ষাৎকারে এই ঘটনাকে ‘অশালীন এবং আপত্তিকর’ বলে উল্লেখ করেছেন৷ এসপিডি যদিও ম্যার্কেলের সিডিইউ-এর সঙ্গে বর্তমান জোট সরকারে রয়েছে, কিন্তু ২৬ সেপ্টেম্বরের নির্বাচনে দল দুটি আলাদা নির্বাচন করছে৷

ক্লিংবাইল আরো বলেন, ‘‘বলা হয়ে থাকে যে, সংকটের সময়েই মানুষের আসল চরিত্র প্রকাশ হয়৷’’ এই ঘটনায় লাশেট নিজেকে ‘অযোগ্য’ প্রমাণ করেছেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি৷

উদারপন্থি এফডিপিও লাশেটকে আক্রমণ করেছে৷ এফডিপির সংসদীয় দলের উপনেতা মিকায়েল ঠয়রার বলেছেন, ‘‘প্রেসিডেন্ট যখন ক্ষতিগ্রস্তদের সহানুভূতি জানাচ্ছেন, তখন পেছনে মাস্ক না পরে বোকার মতো ঘুরে বেড়ানোটা ঘটনার গুরুত্বকে হালকা করে দেয়৷’’

এডিকে/এসিবি (এপি, ডিপিএ)

১৬ জুলাইর ছবিঘরটি দেখুন...

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়