দুই হেডেই সুইডেনের বিদায় | খেলাধুলা | DW | 07.07.2018
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

ফুটবল

দুই হেডেই সুইডেনের বিদায়

ইংল্যান্ডের কাছে ২-০ গোলে হেরে কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে বিদায় নিলো সুইডেন৷ মাঠে রীতিমতো দাপট দেখিয়ে ফাইনালে ওঠার পথে আরো এক সহজ ধাপ পার করলো থ্রি লায়ন্স৷

মুখোমুখি পরিসংখ্যানে দু'দলই প্রায় সমানে সমান৷ ২৪ বারের দেখায় ৮ জয় থ্রি লায়ন্সের, অন্যদিকে ৭ জয় সুইডেনের৷ বাকি ৯ খেলাতেই পয়েন্ট ভাগাভাগি করতে হয়েছে দু'দলকে৷

কিন্তু শনিবারের ম্যাচে গ্রুপ পর্বের দুর্দান্ত সুইডেনের দেখা মিললো না৷ বল দখলে এগিয়ে ছিল ইংল্যান্ড৷ গোলে শটও সুইডেনের দ্বিগুণ৷

খেলার শুরুতে অবশ্য ম্যাচের পাল্লা কারো দিকেই ভারি ছিল না৷ ম্যাচের ৩০ মিনিটে এক কর্নার থেকে ইয়ং-এর ভাসিয়ে দেয়া বলে নিখুঁতভাবে মাথা ছোঁয়ান হ্যারি ম্যাগুয়্যার৷ সুইডিশ ডিফেন্ডার এবং গোলকিপারকে ফাঁকি দিয়ে বল চলে যায় জালে৷ এটিই ম্যাগুয়্যারের প্রথম আন্তর্জাতিক গোল৷

প্রথমার্ধে বেশ কয়েকটি আক্রমণে গেলেও সমতায় ফিরতে পারেনি সুইডেন৷ বিশ্বকাপের কোনো ম্যাচেই প্রথমার্ধে পিছিয়ে থেকে জয় আদায় করতে পারেনি সুইডেন৷ ১১টি এমন ম্যাচের দুইটি ড্র করতে পারলেও হারতে হয়েছে বাকি ৯টিতেই৷

এই রেকর্ডে পরিবর্তন আনতে পারলো না সুইডেন৷ বরং দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ৫৮ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করলো ইংল্যান্ড৷ আবারো হেড৷ এবারের নায়ক ডেলে আলি৷ মার্কারকে কাটিয়ে সামনে এসে লিংগার্ডের উড়িয়ে দেয়া বলে ঠিক গোলপোস্টের কোণা থেকে গোল করেন আলি৷

এরপর বল দখলে মরিয়া হলেও সুইডেনের ভাগ্যের শিঁকে ছেঁড়েনি৷ হার্ড ট্যাকলের দায়ে ৮৭ মিনিটে হলুদ কার্ড দেখতে হয় জন গুইডেটিকে, ৯৪ মিনিটে হলুদ কার্ড দেখেন সেবাস্টিয়ান লারসন৷

২৮ বছর পর বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে উঠলো ইংল্যান্ড৷ এ নিয়ে কেবল তৃতীয়বার সেমিফাইনাল খেলছে থ্রি লায়ন্স৷

এর আগে ১৯৬৬ সালে এবং ১৯৯০ সালে সেমিফাইনালে ওঠার যোগ্যতা অর্জন করে তাঁরা৷ এর মধ্যে ১৯৬৬ সালে তৎকালীন জুলে রিমে ট্রফিই ইংল্যান্ডের জয় করা একমাত্র বিশ্বকাপ৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন