1. কন্টেন্টে যান
  2. মূল মেন্যুতে যান
  3. আরো ডয়চে ভেলে সাইটে যান

দুই বাংলার অনুপস্থিতির মধ্যে শেষ হল বৃহত্তম পর্যটন মেলা

১৬ মার্চ ২০১১

বার্লিন আন্তর্জাতিক পর্যটন মেলা মানেই বিশ্বের দরবারে নিজের দেশের শিল্পসংস্কৃতি তুলে ধরার মহার্ঘ সুযোগ৷ এই সুযোগ কোনো-কোনো দেশ হাতছাড়া করেই সুখী৷

https://p.dw.com/p/10Zj9
বার্লিন আন্তর্জাতিক পর্যটন মেলাছবি: DW/R. Romaniec

কোন্ বাণিজ্যে নিবাস তোমার কহো আমায় ধনী,

তাহা হলে সেই বাণিজ্যের করব মহাজনি৷

দুয়ার জুড়ে কাঙাল বেশে যার মতো চরণদেশে

কঠিন তব নূপুর ঘেঁষে আর বসে না রইব৷

এটা আমি স্থির বুঝেছি ভিক্ষা নৈব নৈব৷

এই সংকল্প কেবল ব্যবসায়ী, মহাজনের নয়, প্রত্যেক দেশের রাষ্ট্রকর্তাদেরও৷ সবদেশেই আজ পর্যটন মন্ত্রনালয় আছে৷ বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের বড়োরকম ব্যবসা পর্যটন৷ এর সঙ্গে দেশের শিল্পসংস্কৃতি জড়িত৷ বহু মানুষের জীবিকাও৷ কিন্তু কোনো-কোনো দেশ রাজনৈতিক টানাপোড়েনে কিংবা রাজনৈতিক গরিমায় পর্যটন শিল্পসংস্কৃতিকে উপেক্ষা করে৷ যেমন পশ্চিমবঙ্গ, বাংলাদেশ৷

সদ্যসমাপ্ত বার্লিন আন্তর্জাতিক পর্যটন মেলায় ১৮৮ দেশের অংশ গ্রহণ৷ মিশর, টিউনিশিয়া, লিবিয়াও বাদ যায়নি৷ ভারতের অধিকাংশ রাজ্যই যোগ দিয়েছে, কেবল পশ্চিমবঙ্গ ছাড়া৷ ভারতের কেন্দ্রীয় পর্যটন মন্ত্রনালয়ের আঞ্চলিক পরিচালক ইলা বসু বলেন, পশ্চিমবঙ্গে পর্যটক আকর্ষণের মতো বহু শিল্পসংস্কৃতি আছে৷ কিন্তু রাজ্য সরকার উদ্যোগী নয়৷

পর্যটনমেলায় বাংলাদেশেরও অনুপস্থিতি৷ কেন, কোনো সদুত্তর নেই৷ ব্যক্তিগত ভাবে কেউ-কেউ যোগ দিয়েছেন৷ একজন বলেন, বাংলাদেশ অংশ না-নেওয়া গুরুতর অপরাধ৷ অমার্জনীয়৷ তিনি প্রধানমন্ত্রীকে এ বিষয়ে অভিযোগ করবেন৷

পর্যটনে ‘বাণিজ্য বসতে লক্ষ্মী' বাংলাদেশের ভাগ্যে নেই৷ থাকলে কি বিশ্বের বৃহত্তর বার্লিন আন্তর্জাতিক পর্যটন মেলা উপেক্ষা করে?

প্রতিবেদন: দাউদ হায়দার, বার্লিন

সম্পাদনা: সঞ্জীব বর্মন