দুই দেশের মানুষের একসাথে ভাষা দিবস পালন | সমাজ সংস্কৃতি | DW | 21.02.2012
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

সমাজ সংস্কৃতি

দুই দেশের মানুষের একসাথে ভাষা দিবস পালন

বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে পালিত হচ্ছে ভাষা শহীদদের স্মরণে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস৷ দিনটি উপলক্ষ্যে এবার দুই দেশের সীমান্তে অনুষ্ঠিত হলো ভাষা শহীদদের স্মরণ অনুষ্ঠান৷ ভারত ও বাংলাদেশের মানুষ একই কণ্ঠে গেয়ে উঠলেন ভাষার গান৷

মঙ্গলবার বাংলাদেশের ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়া এবং ভারতের ত্রিপুরার বাংলা ভাষাভাষী মানুষ নিজেদের ভৌগলিক সীমানা মাড়িয়ে মিলিত হয়েছিলেন একই সুরে মাতৃভাষায় গান গাইতে৷ গেয়েছেন ১৯৫২ সালের ভাষা শহীদদের বীরত্ব গাঁথা৷ দুই দেশের জাতীয় পতাকার নিচে গড়ে তোলা অস্থায়ী শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে শহীদদের স্মরণ ও তাদের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন করেন দুই প্রান্তের মন্ত্রী, সাংসদ, সাহিত্যিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব এবং সাধারণ মানুষ৷

দুই দেশের অভিন্ন ভাষাভাষী মানুষের এই মিলনমেলায় অন্যান্যের মধ্যে যোগ দিয়েছিলেন ত্রিপুরার সংস্কৃতি মন্ত্রী কবি অনিল সরকার, ত্রিপুরা বিধানসভার সদস্য পবিত্র কর, বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ সদস্য ওবায়দুল মুক্তাদির চৌধুরী ও জিয়াউল হক মৃধা এবং ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক আব্দুল মান্নানসহ স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধিবৃন্দ৷

Audioslideshow Pakistan Bangladesh Bürgerkrieg

মুক্তিযুদ্ধের সময় ত্রিপুরায় আশ্রয় নিয়েছিলেন অনেক মানুষ

ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়া সাহিত্য একাডেমি, তিতাস আবৃত্তি সংসদ ও ত্রিপুরার নিহারিকা লিটল ম্যাগাজিনের সহযোগিতায় ত্রিপুরার তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তর এ আনুষ্ঠানের আয়োজন করে৷ আখাউড়ার অনুষ্ঠান স্থল থেকে ডয়চে ভেলের সাথে টেলিফোন আলাপচারিতায় এবারের একুশের উৎসব নিয়ে আনন্দ-উচ্ছ্বাসের কথা জানালেন তিতাস আবৃত্তি সংসদের পরিচালক এবং বিশিষ্ট সাংবাদিক মনির হোসেন৷

তিনি বলেন, ‘‘এ উৎসব উপলক্ষ্যে সীমান্তের দুই প্রান্তের দুই দেশের মানুষ যেন কিছু সময়ের জন্য ‘অসীমান্তিক' হয়ে গিয়েছিলাম৷ অনুষ্ঠানে উপস্থিত বাংলাদেশের ছাত্র-ছাত্রীরা ত্রিপুরায় ঢুকে ঘোরাঘুরি করে তারপর আবার দেশে ফিরে এসেছে৷ অন্যদিকে ত্রিপুরার ছাত্র-ছাত্রীরা বাংলাদেশের ভেতরে ঢুকে ঘুরে দেখার সুযোগ পেয়েছিল৷ সাথে ছিল সারাদিন ব্যাপী নানা ধরণের গান, আবৃত্তি ও মনোজ্ঞা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান৷''

প্রতিবেদন: হোসাইন আব্দুল হাই

সম্পাদনা: আব্দুল্লাহ আল-ফারূক

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন