দাঙ্গার পর অবশেষে মোদী সরকারকে মমতার অনুরোধ | বিশ্ব | DW | 28.02.2020
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

ভারত

দাঙ্গার পর অবশেষে মোদী সরকারকে মমতার অনুরোধ

সবার নজর ছিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর মুখোমুখি সাক্ষাতের দিকে৷ কিন্তু কথাই হলো না এনআরসি, সিএএ নিয়ে৷ বৈঠক শেষে মমতার অনুরোধ, ধর্মের পরিচয় না দেখে যেন জান-মালের হেফাজত করে মোদী সরকার৷

কথায় বলে ‘‌বাঘে–গরুতে একঘাটে জল খাওয়া’৷ কে বাঘ, কে গরু, সেই মীমাংসায় না গিয়েও বলা যায়, ভুবনেশ্বরে পূর্বাঞ্চলীয় পরিষদের বৈঠকের পর একই খাওয়ার টেবিলের এপার-ওপার বসে দুপুরের খাওয়া সারলেন ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি৷ এনআরসি, সিএএ ইস্যুতে যে দুজনের বিরোধ, বিতর্ক প্রায়শই জাতীয় সংবাদ মাধ্যমে শিরোনাম হয়৷ এই অসম্ভবকে সম্ভব করলেন ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী নবীন পট্টনায়েক৷ দাপট নয়, সৌজন্য দেখিয়ে৷ বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতিশ কুমার এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানও ছিলেন শুক্রবারের এই মধ্যাহ্নভোজে৷ নবীন সেই আসরের ছবি টুইটও করলেন৷ 


কিন্তু মুখোমুখি হয়েও মমতা-অমিত শাহ কোনো বিতর্ক হয়নি এদিন৷ বস্তুত পূর্বাঞ্চলীয় পরিষদের বৈঠকের পর মমতা নিজেই জানালেন, বিতর্কিত নাগরিকত্ব আইন বা নয়া নাগরিকপঞ্জি নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে তার কোনো কথাই হয়নি৷ তবে দিল্লির চলতি পরিস্থিতি নিয়ে নিজের উদ্বেগের কথা অমিত শাহকে জানিয়েছেন তিনি৷ অনুরোধ করেছেন, ধর্মীয় পরিচয় না দেখে যেন মানুষের জান-মালের হেফাজত করে সরকার৷ তবে মূল বৈঠকে আলোচনা হয়েছে পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলির পরিকাঠামোর উন্নতি, কয়লার রাজস্ব ভাগ, ইত্যাদি বিষয়ে৷
মমতা-অমিত শাহ বৈঠক নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি বামপন্থিরা৷ সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী মন্তব্য করেছেন, ‘‘সিএএ চালু করেই প্রধানমন্ত্রী মোদী আর কোথাও না গিয়ে এসেছিলেন পশ্চিমবঙ্গে৷ মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর সাক্ষাৎ হয়৷ এবার অমিত শাহ এলেন৷ স্পষ্টই বোঝা যাচ্ছে, কেন্দ্রের নেতারা কাকে ভরসা করেন৷’’ আর পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষের মন্তব্য, ‘‘মমতা ব্যানার্জি ভুবনেশ্বর গিয়েছিলেন দুর্নীতি আর কেলেঙ্কারির দায়ে অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা-নেত্রীদের বাঁচাতে৷ কিন্তু তাতে কোনো লাভ হবে না৷’’
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এদিন বৈঠকের পরই ভুবনেশ্বরে সিএএ-এর সমর্থনে একটি সভা করেন৷ সেখানে তিনি ফের বলেন, সিএএ নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়ার আইন নয়, নাগরিকত্ব দেওয়ার আইন৷ তিনি বলেন, মানুষকে ভুল বোঝাচ্ছে ‘মমতাদিদি’ এবং অন্যান্য বিরোধী নেতারা৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন

বিজ্ঞাপন