দক্ষিণ কোরিয়ার প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট এখন কারাগারে | বিশ্ব | DW | 31.03.2017
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

দক্ষিণ কোরিয়া

দক্ষিণ কোরিয়ার প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট এখন কারাগারে

দেশের প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট হওয়ায় ৪ বছর আগে ছাপা হয়েছিল তাঁর হাস্যোজ্বল ছবি৷ ৪ বছর পর দুর্নীতির অভিযোগে প্রথমে ক্ষমতা ছাড়তে বাধ্য হন দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট পাক গুন-শিয়ে৷ এবার জেলে যেতে হলো তাঁকে৷

২০১২ সালের নির্বাচনে মুন জায় ইনকে হারিয়ে প্রথম নারী হিসেবে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট হয়েছিলেন পাক গুন-শিয়ে৷ সাবেক স্বৈর শাসক পাক চুং-হির সন্তান হিসেবে নির্বাচনি বৈতরণী পার হওয়া তাঁর জন্য কঠিনই ছিল৷ ৫১ দশমিক ৬ শতাংশ ভোট পেয়ে সেই পর্বে উৎরে গেলেও প্রেসিডেন্ট হিসেবে প্রথম মেয়াদ ভালোভাবে পার করতে পারেননি৷ গত বছর ব্যাপক দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার ও অর্থপাচারের অভিযোগ ওঠে তাঁর বিরুদ্ধে৷ ডিসেম্বরে ৬৫ বছর বয়সি রাজনীতিবিদকে অভিশংসনের মাধ্যমে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দেয় দক্ষিণ কোরিয়ার  জাতীয় সংসদ৷ পাক গুন-শিয়ে অবশ্য শুরু থেকেই সব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন৷ দুর্নীতির অভিযোগের তদন্ত তাতে থেমে থাকেনি৷

ভিডিও দেখুন 00:31
এখন লাইভ
00:31 মিনিট

পাক গুন-শিয়েকে তদন্তকারীদের জিজ্ঞাসাবাদ

ইতিমধ্যে সব অভিযোগ প্রমাণের জন্য ১ লাখ ২০ হাজার পৃষ্ঠার তথ্য আদালতে পেশ করেছেন আইনজীবীরা৷ তারপর নিজেকে নির্দোষ প্রমাণের জন্য পাক গুন-শিয়ে সব তথ্য-প্রমাণ ধংসের চেষ্টা করতে পারেন – এমন আশঙ্কা প্রকাশ করে তাঁকে গ্রেপ্তারের আবেদনও জানানো হয়েছিল৷ শুক্রবার সৌলের সেন্ট্রাল ডিস্ট্রিক্ট কোর্ট সেই আবেদন মঞ্জুর করে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রথম নারী প্রেসিডেন্টকে ২০ দিনের জন্য কারাগারে পাঠিয়েছে৷ শুক্রবারই তাঁকে ডিটেনশন সেন্টারে পাঠানো হয়৷ আগামী ২০ দিন সেখানেই থাকতে হবে তাঁকে৷ তারপর মুক্তি পেলেও সেই মুক্তির আনন্দ কতটা দীর্ঘ হবে, বলা মুশকিল৷ অভিযোগ প্রমাণিত হলে আবার কারাবরণের আশঙ্কা তো থাকছেই!

এসিবি/ডিজি (এপি, রয়টার্স, ডিপিএ)     

নির্বাচিত প্রতিবেদন

এই বিষয়ে অডিও এবং ভিডিও

বিজ্ঞাপন