থ্রিডি প্রিন্টারে কেকের ছাঁচ | অন্বেষণ | DW | 13.03.2018
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

অন্বেষণ

থ্রিডি প্রিন্টারে কেকের ছাঁচ

কেক খেতে কে না ভালোবাসে! নানা রঙের, নানা স্বাদের কেক মন ভালো করে দেয়৷ ইউক্রেনের এক স্থপতি কেক-পেস্ট্রির ডিজাইনকে অন্য মাত্রায় নিয়ে গেছেন৷ থ্রিডি প্রিন্টারের কল্যাণে কেকের চরিত্রই বদলে যাচ্ছে৷

একেবারে নতুন ধারার কেক-পেস্ট্রি৷ ইউক্রেনের কনফেকশনার ডিনারা কাসকো-র সৃষ্টি৷ বসার ঘরের থ্রিডি প্রিন্টার এমন কেক সম্ভব করছে৷ তাতে নিজস্ব ডিজাইনের বেকিং ট্রে তৈরি হচ্ছে৷ দশ, পনেরো বা আরও বেশি মডেল তৈরি করতে হয়৷ তারপর সিলিকনের ছাঁচে ঢালা হয়৷ তবে ছাপার কাজ মোটেই সহজ নয়৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন

ডিনারা বলেন, ‘‘এটা তৈরি করতে ১৫ ঘণ্টা সময় লেগেছে৷ গতকাল সন্ধ্যায় কাজ শুরু হয়েছিল৷ সাধারণত আমাদের মডেলগুলির জন্য তিন দিন করে সময় লাগে৷ একবার পুরো এক সপ্তাহ সময় লেগেছিল৷''

কম্পিউটারেই ডিজাইন স্থির করা হয়৷ ডিনারা কাসকো স্থপতি হিসেবে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করেছেন৷ তবে এখন তিনি বেকিং নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন৷ বাড়ির নক্সার বদলে তিনি নিজস্ব কেকের ছাঁচ ডিজাইন করছেন৷ ডিনারা বলেন, ‘‘কাকতালীয়ভাবে ইন্টারনেটে একটি ছবি পাই৷ চৌম্বক ক্ষেত্র এই ছাঁচ তৈরি করছে৷ দেখেই মনে হলো, কেক হিসেবেও এটা সম্ভব৷ এটি কিনে সিলিকন ছাঁচে ঢালতে চেয়েছিলাম, যদিও সেটি পুরোপুরি নিখুঁত নয়৷ যেমন উপরের অংশ সামান্য চৌকো৷ সবজির ফ্র্যাক্টালগুলির মধ্যেও মিল রয়েছে৷ ফ্র্যাক্টাল জ্যামিতির ভিত্তিতেই সবজি বেড়ে ওঠে৷ আমার প্রেরণার উৎস সম্পর্কে লোকে প্রশ্ন করলে বলি, যে কোনো জায়গা থেকে সেটা আসতে পারে, এমনকি এমন এক সবজি থেকেও৷''

ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলে নিজের শহর খারকিভ-ও তাঁকে অনুপ্রেরণা যোগায়৷ এতকাল সেই শহর কেক-পেস্ট্রির জন্য মোটেই পরিচিত ছিল না৷ তবে ডিনারা কাসকো-র কেক ডিজাইন ও ইনস্টাগ্রামে তাঁর সাফল্যের কারণে সেই চিত্র বদলাচ্ছে৷ইনস্টাগ্রামে তাঁর অনুরাগীর সংখ্যা প্রায় সাড়ে ৫ লক্ষে দাঁড়িয়েছে৷

ইন্টারনেটে জনপ্রিয়তার জের ধরে এবার বাস্তব জগতেও স্বীকৃতি পাচ্ছেন ডিনারা৷ তিনি গোটা বিশ্বে কেকের ডিজাইনের চরিত্র নিয়ে ওয়ার্কশপ আয়োজন করছেন৷

নিকোলাস কনোলি/এসবি

নির্বাচিত প্রতিবেদন

ইন্টারনেট লিংক

বিজ্ঞাপন