থানায় হেফাজতে মৃত্যু, তিন পুলিশের যাবজ্জীবন | বিশ্ব | DW | 09.09.2020
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশ

থানায় হেফাজতে মৃত্যু, তিন পুলিশের যাবজ্জীবন

থানায় নিয়ে এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে হত্যার দায়ে বাংলাদেশে তিন পুলিশ সদস্যকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত৷ সাড়ে ছয় বছর আগের ঘটনার এই মামলায় রায় ঘোষণা করা হয়েছে বুধবার৷

প্রতীকী ছবি

প্রতীকী ছবি

নির্যাতন এবং হেফাজতে মৃত্যু (নিবারণ) আইনে কোনো মামলায় দেশে এটাই প্রথম রায়৷ তিন পুলিশ সদস্যকে যে শাস্তি দেওয়া হয়েছে, তা এই আইনে সর্বোচ্চ সাজা৷

২০১৪ সালের সাত ফেব্রুয়ারি গাড়িচালক ইশতিয়াক হোসেন জনিকে থানায় নিয়ে পিটিয়ে হত্যা করা হয়৷ সাত অগাস্ট জনির ভাই রকি ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালতে ‘নির্যাতন ও পুলিশ হেফাজতে মৃত্যু (নিবারণ) আইনে’ এই মামলা দায়ের করেন।

অভিযুক্ত তিন পুলিশ সদস্য হলেন পল্লবী থানার এসআই জাহিদুর রহমান খান, এএসআই রাশেদুল ইসলাম, এএসআই কামরুজ্জামান মিন্টু৷ তাদেরকে যাবজ্জীবন সাজার পাশাপাশি এক লাখ টাকা করে অর্থদণ্ডও দেয়া হয়েছে৷ অর্থদণ্ডের টাকা দিতে না পারলে আরও ছয় মাস জেল খাটতে হবে তাদের৷ ঢাকার মহানগর দায়রা জজ কেএম ইমরুল কায়েশ বুধবার আলোচিত এ মামলার রায় ঘোষণা করেন বলে উল্লেখ করেছে বাংলাদেশে ডয়চে ভেলের কনটেন্ট পার্টনার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম৷

অর্থদণ্ড ছাড়াও আসামীদের প্রত্যেককে আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে নিহতের পরিবারকে দুই লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে হবে । এর বিরুদ্ধে কোন আপিল করা যাবে না।

মামলার বাকি দুই আসামি পুলিশের ‘সোর্স’ রাশেদ ও সুমনকে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে৷ সেই সঙ্গে ২০ হাজার টাকা করে জরিমানাও দিতে হবে তাদেরকে৷

কী ঘটেছিল

মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, সাত ফেব্রুয়ারি রাতে মিরপুর-১১ নম্বর সেক্টরে ইরানি ক্যাম্পে বিল্লাল নামে এক ব্যক্তির গায়ে হলুদের অনুষ্ঠান গিয়েছিলেন জনি ও তার ভাই রকি৷

পুলিশের সোর্স সুমন মাতাল অবস্থায় অনুষ্ঠানে মেয়েদের উত্ত্যক্ত করলে জনি তাকে মঞ্চ থেকে নামিয়ে দেন৷ ঝগড়ার এক পর্যায়ে জনি সুমনকে চড় মারেন৷ এর আধা ঘণ্টা পর এসআই জাহিদসহ কয়েকজন পুলিশ অনুষ্ঠান থেকে জনিকে ধরে থানায় নিয়ে যান৷

অভিযোগে বলা হয়, ‘‘জনিকে পল্লবী থানার হাজতে নিয়ে এসআই জাহিদসহ অন্য আসামিরা হকিস্টিক, ক্রিকেটের স্ট্যাম্প দিয়ে মারধর করে এবং জনির বুকের ওপর উঠে লাফায়৷ জনি পানি চাইলে জাহিদ তার মুখে থুথু ছিটিয়ে দেন৷’’

নির্যাতনে জনি সংজ্ঞা হারিয়ে ফেললে তাকে ঢাকা ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতালে নেওয়া হলে তিনি মারা গেছেন বলে জানান চিকিৎসকরা৷

ঢাকার মহানগর হাকিম মারুফ হোসেন ২০১৫ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি এই মামলার প্রতিবেদন জমা দেন। তাতে তিন পুলিশ কর্মকর্তা ও দুই সোর্সের বিরুদ্ধে অভিযোগের প্রমাণ পাওয়ার কথা বলা হয়৷

এফএস/এসিবি (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)

গত জুলাইয়ের ছবিঘরটি দেখুন...

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন