থাইল্যান্ড সরকারকে বিক্ষোভকারীদের চরমপত্র | বিশ্ব | DW | 14.03.2010
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

থাইল্যান্ড সরকারকে বিক্ষোভকারীদের চরমপত্র

থাইল্যান্ডে সরকার বিরোধীরা ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নির্বাচন ঘোষণার দাবি জানিয়েছে৷ এই দাবি মানা না হলে রাজধানী ব্যাংকক অচল করে দেওয়া হবে বলে তারা ঘোষণা দিয়েছে৷

default

ব্যাংককে বিরোধীদের বিক্ষোভ

সেনা সমর্থনপুষ্ট সরকারের বিরোধী হাজার হাজার প্রতিবাদকারী রবিবার ব্যাংককে জড়ো হয়ে এই ঘোষণা দেয়৷ সাবেক প্রধানমন্ত্রী থাকসিন সিনাওয়াত্রার প্রায় ৮০ হাজার সমর্থক লাল শার্ট পরে শনিবার ব্যাংককে পৌঁছতে শুরু করে৷ উল্লেখ্য, থাকসিন সিনাওয়াত্রা ২০০৬ সালে এক সামরিক অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হন৷ ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সাধারণ সম্পাদক থাউইল প্লিয়েস্রি বলেন, ‘‘বিক্ষোভকারীদের সংখ্যা এক লাখ ছাড়িয়ে যাবে বলে মনে হচ্ছে৷'' তবে বিক্ষোভকারী নেতারা জানিয়েছেন, শনিবার রাতেই প্রতিবাদকারীর সংখ্যা এক লাখ ছাড়িয়ে গেছে৷

থাকসিন সিনাওয়াত্রার সমর্থকদের অনেকেই দেশের উত্তরাঞ্চলীয় প্রদেশ থেকে ট্রাক, পিকআপ, মটর সাইকেল, ভ্যান এমনকি নৌকা করে রাজধানী ব্যাংককে আসছে৷ আরও হাজার হাজার সমর্থক ব্যাংককের পথে রয়েছে৷ লাল শার্ট পরিহিত সরকার বিরোধীরা হাতে লাল পতাকা বহনের পাশাপাশি দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য নানা শ্লোগান দেয় ও গান গাইতে থাকে৷

Thailand Demo in Bangkok Flash-Galerie

লাল শার্ট পরিহিত বিক্ষোভকারীদের একাংশ

প্রতিবাদকারীরা প্রধানমন্ত্রী অভিজিৎ ভেজ্জাজিভার ওপর অব্যাহতভাবে চাপ বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে, যাতে অভিজিৎ সংসদ ভেঙ্গে দিয়ে নির্বাচনের ঘোষণা দেন৷ সোমবার দুপুরের মধ্যে দাবি না মানলে গোটা ব্যাংকক জুড়ে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করা হবে এবং রাস্তাঘাট অচল করে দেওয়া হবে বলে জানান বিক্ষোভকারীদের অন্যতম নেতা নাট্টাওয়াট সাইকুয়া৷ ইউনাইটেড ফ্রন্ট ফর ডেমোক্রেসি এগেইনস্ট ডিক্টেটরশিপ - ইউএফডিডি'র সভাপতি ভিরা মাজিকাপং বলেন, ‘‘সরকারের কাছে আমাদের দাবি ক্ষমতা ছেড়ে তা জনগণের হাতে তুলে দিন৷''

এদিকে, সাপ্তাহিক রেডিও বক্তৃতায় রবিবার প্রধানমন্ত্রী ভেজ্জাজিভা শীঘ্রই কোন নির্বাচনের সম্ভাবনা নাকচ করে দিয়েছেন৷ সরকারি ভাষ্য মতে, পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য যথেষ্ট পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে৷ প্রায় ৫০ হাজার সেনা ও পুলিশ ব্যাংককের রাস্তায় মোতায়েন রয়েছে৷

পুলিশ গাড়ির যন্ত্রাংশ তৈরির একটি কারখানায় হানা দিয়ে ১০০টি অস্ত্র সদৃশ যন্ত্র উদ্ধার করেছে৷ এসব যন্ত্রকে গ্রেনেড লাঞ্চার হিসেবে ব্যবহার করা হতে পারতো বলে পুলিশ জানিয়েছে৷ এছাড়া, বিক্ষোভকারীদের মধ্যে অনেকেই পুলিশসহ নিরাপত্তা বাহিনীর ভুয়া ইউনিফর্ম পরে সহিংসতা উস্কে দেওয়ার চেষ্টা করতে পারে বলে সরকার জানিয়েছে৷

প্রতিবেদক: হোসাইন আব্দুল হাই

সম্পাদনা: জাহিদুল হক

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন