থাইল্যান্ডে বৈধতা পেল গাঁজার ব্যবহার | সমাজ সংস্কৃতি | DW | 25.12.2018
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

থাইল্যান্ড

থাইল্যান্ডে বৈধতা পেল গাঁজার ব্যবহার

গাঁজা ব্যবহার করার অনুমোদন পেল থাইল্যান্ডবাসী৷ দেশটির পার্লামেন্ট এশিয়ার প্রথম দেশ হিসেবে জনগণকে গাঁজা ব্যবহারের অনুমতি প্রদান করেছে৷ তবে কেবল গবেষণা ও ঔষধ বানানোর ক্ষেত্রে তা প্রযোজ্য হবে৷

মঙ্গলবার দেশটি পার্লামেন্ট সর্বসম্মতিক্রমে ১৯৭৯ সালের মাদক নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধনের মাধ্যমে এ বিষয়ে অনুমতি প্রদান করে৷

জাতীয় আইন পরিষদের পক্ষ থেকে এটি থাইল্যান্ড সরকার ও তার জনগণের জন্য নববর্ষের উপহার বলে মন্তব্য করেন দেশটির মাদক নিয়ন্ত্রণ আইন প্রণেতা কমিটির প্রধান সোমচাই সাওংকর্ণ৷ তিনি বলেন,‘‘মাদক বিষয়ক সংশোধিত এ আইন বিভিন্ন ধরনের ঔষধ উৎপাদনের ক্ষেত্রে কার্যকর ভূমিকা রাখবে৷''

দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার দেশ থাইল্যান্ডে ১৯৩০ সাল পর্যন্ত শারীরিক ব্যথা ও ক্লান্তি দূর করার জন্য গাঁজা সেবন করা ছিল একটি প্রচলিত রীতি৷ পরে ১৯৩৫ সালে গাঁজা সেবন, পরিবহন কিংবা বাজারজাতকরণ বিষয়ে আইনি নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়৷ ঐ সময়ে প্রণীত আইন অনুযায়ী, গাঁজা উৎপাদন বা পরিবহন দণ্ডনীয় অপরাধ বলে গণ্য করা হতো এবং দায়ী ব্যাক্তিকে সর্বোচ্চ ১৫ বছরের কারাভোগ কিংবা ৪০ হাজার পাঁচশ ইউরো পর্যন্ত জরিমানা গুণতে হত৷

তবে নতুন এ আইন প্রবর্তনের ফলে দেশটিতে গাঁজা উৎপাদন বাজারজাতকরণের ক্ষেত্রে নতুন জটিলতা দেখা দিতে পারে৷ গাঁজা ব্যবহারের এ অনুমতির ফলে বিদেশি প্রতিষ্ঠানগুলো পেটেন্ট অধিকার নিয়ে দেশটির বাজারে প্রবেশ করবে৷ এর ফলে গাঁজা দিয়ে উৎপাদিত ঔষধের দাম সাধারণ রোগীদের নাগালে বাইরে চলে যেতে পারে কিংবা গাঁজার দাম গবেষকদের নাগালে নাও থাকতে পারে৷ 

দেশটির উপ-প্রধানমন্ত্রী প্রজিন জুন্টং সাংবাদিকদের জানান আগামী বছর আইনটি বাস্তাবয়নের পর গাঁজা উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ বিষয়ে চিন্তা ভাবনা করবে সরকার৷

আরআর/এপিবি (এফপি, ডিপিএ, রয়টার্স)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

বিজ্ঞাপন