তেলের ট্যাঙ্কারে হামলা, ইসরায়েল-ইরান উত্তেজনা চরমে | বিশ্ব | DW | 02.08.2021
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

বিশ্ব

তেলের ট্যাঙ্কারে হামলা, ইসরায়েল-ইরান উত্তেজনা চরমে

ওমানের তটভূমির কাছে একটি ইসরয়েলি তেলের ট্যাঙ্কারে ড্রোন হামলা। মৃত দুই। ইসরায়েলের দাবি, ইরানের কাজ। অস্বীকার তেহরানের।

ইসরায়েলের ট্যাঙ্কারে ড্রোন হানা হয়েছে।

ইসরায়েলের ট্যাঙ্কারে ড্রোন হানা হয়েছে।

এমনিতেই ইরানের সঙ্গে ইসরায়েলের সম্পর্ক খারাপ, তার উপর তেলের ট্যাঙ্কারে আক্রমণ নিয়ে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা চরমে উঠল। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেটের অভিযোগ, ইরানই এই হামলা করেছে। কিন্তু হামলার কথা মানতে চায়নি তেহরান।

গত বৃহস্পতিবার রাতে এই হামলা হয়। ট্যাঙ্কারটি ম্যানেজ করে জোডিয়াক মেরিটাইম। জোডিয়াকের মালিক ইসরায়েলের ধনকুবের আয়াল ওফার।

ইসরায়েলের বক্তব্য

বেনেট বলেছেন, ''গোয়েন্দা তথ্য আমাদের কাছে আছে। আমাদের আশা, বিশ্বের দেশগুলি ইরানকে স্পষ্টভাবে বলবে, তারা গুরুতর অন্যায় করেছে। আমরা আমাদের মতো করে ইরানকে বার্তা পাঠাব।''

অ্যামেরিকা ও যুক্তরাজ্য এই ঘটনার জন্য ইরানকেই দায়ী করেছে। ব্রিটিশ পররাষ্ট্র সচিব ডমিনিক রাব রোববার বলেছেন, ''আমরা মনে করি, ইচ্ছাকৃতভাবে আক্রমণ করা হয়েছে। নির্দিষ্ট লক্ষ্যে আক্রমণ করা হয়েছে। ইরান আন্তর্জাতিক আইন ভেঙেছে।'' রাব জানিয়েছেন, তিনি বিশ্বের অন্য দেশগুলির সঙ্গেও যোগাযোগ করছেন। মার্কিন সেক্রেটারি অফ স্টেট ব্লিংকেন বলেছেন, ''অ্যমেরিকা মনে করে, ইরানই এই আক্রমণের পিছনে আছে।''

ইরানের অস্বীকার

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রকের মুখপাত্র এই অভিযোগ খারিজ করে দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ''এই ধরনের ভিত্তিহীন অভিযোগ করা উচিত নয়। আর ইরানের বিরুদ্ধে এই ধরনের অভিযোগ এই প্রথম করা হচ্ছে না।''  তিনি জনিয়েছেন, ''নিজেদের রক্ষা করতে, জাতীয় সুরক্ষা নিশ্চিত করতে ইরান বিন্দুমাত্র দ্বিধাবোধ করবে না।''

ইরানের সরকারি ওয়েবসাইট আল-আলামের রিপোর্ট বলছে, ইসরায়েল সিরিয়ায় যে আক্রমণ করছে, তার জবাব দিতেই এই হামলা করা হয়েছে।

মেরিটাইম সিকিউরিটি ইনটেলিজেন্স সংস্থা ড্রাইঅ্যাড গ্লোবাল জানিয়েছে, গত ফেব্রুয়ারি থেকে এই নিয়ে পাঁচবার আক্রান্ত হলো ইসরায়েলের জাহাজ।

উত্তেজনা বাড়ছে

২০১৫ সালের পরমাণু চুক্তি নিয়ে ইরানের সঙ্গে যখন বিশ্বের শক্তিধর বেশ কয়েকটি দেশ আলোচনায় বসবে, তখনই এই ঘটনা ঘটল। ইসরায়েল এই চুক্তির বিপক্ষে। তারা চায়, ইরান তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি কাটছাঁট করুক। তারপরেই তাদের উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তোলা হোক।

ইরান আবার ইসরায়েল-বিরোধী হেজবোল্লাহ এবং হামাসকে সাহায্য করে। তেহরান সবসময়ই ইসরায়েলের সমালোচনায় মুখর থাকে।

এই পরিস্থিতিতে তেলের ট্যাঙ্কারে আক্রমণের ঘটনা দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা আরো বাড়িয়ে দিয়েছে।

জিএইচ/এসজি (রয়টার্স, এএফপি, ডিপিএ)