তুষারের মধ্যে হেঁটে অদ্ভুত সব শিল্পকর্ম আঁকেন তিনি | অন্বেষণ | DW | 27.03.2017
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

অন্বেষণ

তুষারের মধ্যে হেঁটে অদ্ভুত সব শিল্পকর্ম আঁকেন তিনি

মানুষের অনেকরকম শখ থাকে৷ সাইমন বেকের শখ তুষারের মধ্যে হেঁটে অদ্ভুত সব শিল্পকর্ম আঁকা৷ এরপর ছবি তুলে সেগুলো ফেসবুকে পোস্ট করেন তিনি৷ পাহাড়-পর্বতের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করতেই তিনি এই কাজ করেন৷

মানুষের অনেকরকম শখ থাকে৷ সাইমন বেকের শখ তুষারের মধ্যে হেঁটে অদ্ভুত সব শিল্পকর্ম আঁকা৷ এরপর ছবি তুলে সেগুলো ফেসবুকে পোস্ট করেন তিনি৷ পাহাড়-পর্বতের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করতেই তিনি এই কাজ করেন৷

তাঁর কোনো কোনো শিল্পকর্ম প্রায় তিনটি ফুটবল মাঠের সমান৷ তিনি বলেন, ‘‘তুষার দিয়ে তৈরি এই সব শিল্পকর্মের মাধ্যমে আপনি পর্বতমালায় সুন্দর কিছু যোগ করেন৷ পাহাড় শিল্পকর্মের আর শিল্পকর্ম পাহাড়ের সৌন্দর্য বাড়ায়৷ অর্থাৎ পাহাড় আর ছবি এখানে একটি দলের মতো কাজ করে৷''

প্রথমে কম্পাসের সাহায্যে শিল্পকর্মের একটি জ্যামিতিক কাঠামো ঠিক করেন সাইমন৷ গাণিতিক নকশা আর জাপানের ‘বালু বাগান' এক্ষেত্রে তাঁকে অনুপ্রেরণা যোগায়৷ ঠিকভাবে লাইন টানাকে তিনি সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়ে থাকেন৷ সাইমন বেক বলেন, ‘‘কম্পাস দিয়ে পরিমাপ ঠিক করতেই প্রথম দুই ঘণ্টা চলে যায়৷ আপনি যদি হেঁটে একবার ভুল পথে চলে যান, তাহলে সেটি আর ঠিক করতে পারবেন না৷ তাই পরিমাপের কাজটা যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়ে করতে হয়৷ প্রধান লাইনগুলো ঠিক করা হয়ে গেলে পুরো কাজটা অনেক সহজ হয়ে যায়৷ এই কাজের সময় মিউজিক শুনতে ভালো লাগে আমার৷''

জার্মান কম্পোজার লুডভিগ ফান বেটোফেনের মিউজিক শুনতে পছন্দ করেন সাইমন৷ ছবি আঁকতে প্রায় দশ ঘণ্টা তুষারের মধ্যে হাঁটেন তিনি৷ ভূ-পৃষ্ঠ থেকে তিন হাজার মিটার উচ্চতায় বাতাস আর আবহাওয়ার সঙ্গে লড়তে হয় তাঁকে৷

ছবি তোলার পরপরই তিনি সেগুলো ফেসবুকে আপলোড করেন৷ সেখানেই তাঁর ছবি পোস্ট করেন সাইমন৷ ফেসবুকে তাঁর অনুসারীর সংখ্যা প্রায় তিন লক্ষ৷ তিনি বলেন, ‘‘অনেকেই ফেসবুক ব্যবহার করেন৷ তাই সেখানে প্রবেশের মাধ্যমেই আসলে আমার ব্যবসা শুরু হয়৷ এটা ইন্টারনেটের বেশ ভালো একটা দিক, কারণ, আপনার ছবি প্রদর্শনীর জন্য আপনাকে কোনো আর্ট গ্যালারি কর্তৃপক্ষের পেছনে ছুটতে হয় না৷ ফেসবুকের মাধ্যমেই আপনি সবাইকে ছবি দেখাতে পারেন৷''

ফেসবুকের কারণে সাইমনের শীতকালে করা কাজগুলো সারা বছরই দেখতে পারেন আগ্রহীরা৷

গেরহার্ড জনলাইটনার/জেডএইচ

দেবারতি গুহ

নির্বাচিত প্রতিবেদন

ইন্টারনেট লিংক

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন