তুর্কি লিরার অধপতন, ট্রাম্পকে এর্দোয়ানের হুঁশিয়ারি | বিশ্ব | DW | 11.08.2018
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

তুরস্ক

তুর্কি লিরার অধপতন, ট্রাম্পকে এর্দোয়ানের হুঁশিয়ারি

তুরস্কের মুদ্রা লিরার দাম কমেই চলেছে৷ সাম্প্রতিক ইতিহাসে সবচেয়ে বাজে অর্থনৈতিক সংকটে পড়েছে দেশটি৷ কিন্তু কিভাবে এ থেকে উত্তরণ করা সম্ভব, তা নিয়ে নেই সুনির্দিষ্ট কোনো পরিকল্পনা৷

বিশ্লেষকরা বলছেন, এতো দ্রুত লিরার মান কমছে যে ধীরে ধীরে দেউলিয়াত্বের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে সবচেয়ে বড় অর্থনীতির তালিকায় ১৮ নম্বরে থাকা দেশটি৷ তুর্কি মুদ্রার অধপতন প্রভাব ফেলছে বিশ্বের বিভিন্ন উন্নয়নশীল দেশের বাজারে, এমনকি ইউরোপেও৷

লিরার মান শুক্রবারও ২২ শতাংশ পর্যন্ত কমেছে, যদিও দিনের শেষে তা কিছুটা পুনরুদ্ধার হয়ে ১৭ শতাংশে পৌঁছায়৷ গত সপ্তাহের শুরু থেকেই এ ধারা অব্যাহত আছে৷

বছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত ৪০ শতাংশ দাম কমেছে টার্কিশ মুদ্রার৷ গত বছরের জুনে ব্যর্থ সামরিক অভ্যুত্থানের পর প্রেসিডেন্ট রেচেপ তাইয়েপ এর্দোয়ান ক্ষমতা আরো সুসংহত করার পর থেকে অবনমন ঘটেছে ৩০ শতাংশ৷

তবে এই দুঃসময়ে মরার উপর খাঁড়ার ঘা দিতে ভুলেনি যুক্তরাষ্ট্র৷ শুক্রবারই ট্রাম্প প্রশাসন তুরস্ক থেকে ইস্পাত ও অ্যালুমিনিয়াম আমদানিতে শুল্কবৃদ্ধির ঘোষণা দিয়েছে৷

সার্বিকভাবে প্রায় এক বিলিয়ন ডলারের এই বাণিজ্যে দুই পণ্যে শুল্কবৃদ্ধি তেমন কোনো প্রভাব ফেলবে না৷ কিন্তু এর ফলে বিশ্ববাণিজ্যে তুর্কি লিরার ওপর আস্থা আরো কমবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা৷

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক টুইটে বলেছেন, ‘‘আমাদের খুব শক্তিশালী ডলারের বিপরীতে টার্কিশ লিরার দাম দ্রুতই কমছে৷ ...... তুরস্কের সাথে আমাদের সম্পর্ক এই মুহূর্তে খুব একটা ভালো যাচ্ছে না৷''

তুরস্কের এর্দোয়ান অবশ্য এই পরিস্থিতির জন্য দায়ী করছেন ট্রাম্প এবং যুক্তরাষ্ট্রকেই৷ নিউ ইয়র্ক টাইমসে লেখা এক উপ-সম্পাদকীয়তে তিনি লিখেছেন, ‘‘যুক্তরাষ্ট্র কখনই তুরস্কের জনগণের উদ্বেগ অনুধাবন বা সম্মান করতে পারেনি৷ যুক্তরাষ্ট্র তুরস্কের সার্বভৌমত্বকে সম্মান দিতে হবে এবং তুর্কিদের বিপদ বোঝার চেষ্টা করতে হবে৷ তা নইলে, আমাদের সম্পর্ক আরো জটিল হবে৷''

তুরস্কে আটক মার্কিন যাজক অ্যান্ড্রু ব্রুনসনের মুক্তি নিয়ে দুই দেশের মধ্যে বেশ কিছু দিন ধরে টানাপড়েন চলছে৷

সিরিয়ায় কুর্দি যোদ্ধাদের মার্কিন সমর্থন, রুশ মিসাইল প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কিনতে তুরস্কের আগ্রহ, এবং যুক্তরাষ্ট্র থেকে তুরস্কে ব্যর্থ সামরিক অভ্যুত্থানে উসকানিদাতা হিসেবে অভিযুক্ত ফেতুল্লাহ গুলেনকে ফেরত আনা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সংকট চলছে৷

চেইস উইন্টার/এডিকে

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়