তিন মার্কিন বন্দিকে মুক্তি দিল উত্তর কোরিয়া | বিশ্ব | DW | 09.05.2018
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

উত্তর কোরিয়া

তিন মার্কিন বন্দিকে মুক্তি দিল উত্তর কোরিয়া

উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের সঙ্গে ট্রাম্পের ঐতিহাসিক শীর্ষ বৈঠকের আগ দিয়ে পিয়ংইয়ং তিন মার্কিন বন্দিকে মুক্তি দিয়েছে৷ পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও এর সাথে তারা অ্যামেরিকায় ফিরছেন৷

উত্তর কোরিয়া তিন মার্কিন বন্দিকে মুক্তি দিয়েছে বলে জানিয়েছেন অ্যামেরিকার  প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প৷

বুধবার ট্রাম্প এক টুইটে এই ঘোষণা দিয়ে বলেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও তিনজন ভদ্রলোককে সঙ্গে নিয়ে দেশে ফিরে আসছেন, যাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করার জন্য সবাই অপেক্ষায় আছে৷

উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে নেতা কিম জং উনের সঙ্গে ট্রাম্পের শীর্ষ বৈঠকের আগে দিয়ে পিয়ংইয়ং এ পদক্ষেপ নিল৷

ট্রাম্প তার টুইটে আরও জানান, যুক্তরাষ্ট্রের ওই তিন নাগরিক সুস্থ আছেন এবং কিমের সঙ্গে আলোচনায় দুই নেতার বৈঠকের সময় এবং স্থান ঠিক হয়েছে৷

মুক্তি পাওয়া ওই তিন নাগরিক হচ্ছেন, কিম হ্যাক সং, কিম সাঙ ডাক এবং কিম ডং চুলিস৷

কিম হ্যাক সং উত্তর কোরিয়ার পিয়ংইয়ং বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ছিলেন৷ তাকে উত্তর কোরিয়ার সরকারের বিরুদ্ধে ‘ষড়যন্ত্রে'র অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়৷ চীনা বংশোদ্ভূত হ্যাক সং-এর জন্ম চীনে৷ তিনি ক্যালিফোর্নিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়েছেন এবং ১০ বছর অ্যামেরিকায় থেকেছেন৷ এরপর কিম কোরিয়ায় যান পড়াতে৷ সেখান থেকে তার নিজের জন্মভূমি চীনে ফেরার কথা ছিল৷

কিম স্যাং-ডাক এর আরেক নাম টনি কিম৷ তিনি চীনের ইয়ানবিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির শিক্ষক ছিলেন, যেটি কোরিয়ার সীমান্তের খুব কাছাকাছি৷ তিনি পিয়ংইয়ং বিশ্ববিদ্যালয়েও পড়াতেন বলে জানা গেছে৷ পাশাপাশি দুর্ভিক্ষ পীড়িত উত্তর কোরিয়ার গ্রামাঞ্চলের মানুষদের ত্রাণ দিতেন৷ অ্যাকাউন্টিং বিশেষজ্ঞ এই অধ্যাপককে কেন গ্রেপ্তার করা হয়েছিল তা পরিষ্কার নয়৷

অপরজন দক্ষিণ কোরিয়ার জন্ম হওয়া অ্যামেরিকান কিম ডং চুলিস ২০১৫ সালের অক্টোবরে গ্রেপ্তার হয়েছিল উত্তর কোরিয়ার নিরাপত্তা বাহিনীর কাছে৷ তার বিরদ্ধে একটি ইউএসভি ডিভাইসে উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক ও সামরিক গোপন তথ্য পাচারের চেষ্টার অভিযোগ আনা হয়েছিল৷

এইচআই/ডিজি (এপি, এএফপি, ডিপিএ)

পাঠক, এই লেখাটি পড়ে আপনার কেমন লাগল? নীচের ঘরে আমাদের জানান৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়