তিউনিসিয়ার নির্বাচনে ভোটারদের ব্যাপক সাড়া | বিশ্ব | DW | 23.10.2011
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

বিশ্ব

তিউনিসিয়ার নির্বাচনে ভোটারদের ব্যাপক সাড়া

ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ এবং উৎসাহের মধ্য দিয়ে গণতন্ত্রের পথে আরও একধাপ এগিয়ে গেল আফ্রিকার অন্যতম দেশ তিউনিসিয়া৷ স্বৈরশাসক বেন আলির পতনের দীর্ঘ নয় মাস পর সেখানে অনুষ্ঠিত হলো নির্বাচন৷

ভোটারদের দীর্ঘ সারি

ভোটারদের দীর্ঘ সারি

‘‘লাইনে দাঁড়ান, এখান থেকেই গণতন্ত্র শুরু''

বহু বছরের স্বৈরশাসনের অবসানের পর এই প্রথমবারের মত ভোট দিলো তিউনিসিয়ার জনগণ৷ সেই উপলক্ষে সকাল থেকেই ভোট কেন্দ্রগুলোতে দেখা গেছে ভোটারদের দীর্ঘ সারি৷ তাদের সকলের চোখে মুখে ছিল আনন্দের ঝলকানি৷ সংবাদ মাধ্যমগুলোতে তাদের যেসব বক্তব্য এসেছে তাতে বোঝা গেছে তিউনিসিয়ার মানুষ এই গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায় অগ্রপথিক হতে চায়৷ একটি উদাহরণ দিলে বোঝা যাবে৷ ইন্নাহদা দলের প্রধান রাশিদ গানুশি আজ ভোট দিতে যান৷ এই সময় তিনি সোজা বুথে ঢুকতে গেলে বাধা দেয় ভোটাররা৷ ‘‘লাইনে দাঁড়ান, এখান থেকেই গণতন্ত্র শুরু'' ভোটারদের মুখে এই কথা শুনে গানুশি শেষ পর্যন্ত লাইনের শেষ মাথায় গিয়ে দাঁড়ান এবং বাকিদের মত অপেক্ষা শেষে ভোট দেন৷ অর্থাৎ রক্তের বিনিময়ে তিউনিসিয়ার মানুষ যে গণতন্ত্র অর্জন করেছে সেটি তারা ধরে রাখতে চায় বলেই মনে হচ্ছে৷

Tunesien Wahlen Wahlplakat Flash-Galerie

দেয়ালে নির্বাচনের পোস্টার

প্রার্থীদের অর্ধেক নারী

এই নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে শতাধিক দল এবং ১১ হাজারেরও বেশি প্রার্থী৷ এদের অর্ধেকই আবার নারী প্রার্থী, যেটি অন্য যে কোন মুসলিম প্রধান দেশের জন্য একটি উদাহরণ বলে মনে করা হচ্ছে৷ ইউরোপীয় ইউনিয়ন সহ পশ্চিমা দেশগুলো এই নির্বাচনকে স্বাগত জানিয়েছে৷ ইউরোপীয় ইউনিয়নের পর্যবেক্ষক দলের প্রধান মাইকেল গেলহার বলেছেন এখন পর্যন্ত সবকিছুই ঠিক রয়েছে৷ তবে নির্বাচনে ভোটারদের সংখ্যা নিয়ে একটি সমস্যা হতে পারে৷ কারণ তিউনিসিয়ায় ভোটার হওয়ার মত মানুষের সংখ্যা প্রায় ৭০ লাখ৷ কিন্তু ভোটার রেজিস্ট্রেশন করেছে ৩৮ লাখ৷ অনভিজ্ঞতার কারণে হয়তো এই নিয়ে কিছু সমস্যা হতে পারে৷

‘‘ফলাফল যাই হোক মেনে নেব''

এই নির্বাচনে তো ভোটাররা ২১৭ আসন বিশিষ্ট সাংবিধানিক পরিষদ নির্বাচিত করবে৷ এরা একটি নতুন সংবিধান প্রণয়ন ছাড়াও প্রধানমন্ত্রীও নির্বাচন করবে৷ বার্তা সংস্থাগুলোর তথ্য অনুযায়ী, নির্বাচনে ইসলামপন্থী দল ইন্নাহদা জয়ী হতে চলেছে যারা নিজেদের তুরস্কের একেপি দলের মত দাবি করে৷ তবে তাদের একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার সম্ভাবনা কম এবং তাদের জোটগঠনের দিকে এগুতে হতে পারে৷ তবে ইন্নাহদা দলের প্রধান রাশিদ গানুশি এক প্রতিক্রিয়ায় জানিয়েছেন, নির্বাচনে তাঁর দল কিংবা অন্য যে কেউ জিতুক না কেন, তারা সেটাকে মেনে নেবেন৷

প্রতিবেদন: রিয়াজুল ইসলাম

সম্পাদনা: হোসাইন আব্দুল হাই

নির্বাচিত প্রতিবেদন

বিজ্ঞাপন