তালেবান হামলায় নিহত ডিডাব্লিউ-এর সাংবাদিকের আত্মীয় | বিশ্ব | DW | 20.08.2021
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

আফগানিস্তান

তালেবান হামলায় নিহত ডিডাব্লিউ-এর সাংবাদিকের আত্মীয়

ডিডাব্লিউ-এর সাংবাদিককে খুঁজে না পেয়ে তালেবানরা পরিবারের এক সদস্যকে হত্যা করেছে। তাদের হামলায় গুরুতর আহত হয়েছেন আরো একজন।

ঘরে ঘরে ঢুকে সাংবাদিকদের চিহ্নিত করছে তালেবান। কাবুলে তো বটেই, অন্যান্য অঞ্চলেও সাংবাদিকদের খুঁজে বের করা হচ্ছে। এখনো পর্যন্ত বেশ কয়েকজন সাংবাদিকের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। নিখোঁজ রয়েছেন একটি বেসরকারি টেলিভিশনের সাংবাদিক নেমাতুল্লাহ হেমাত।

তালেবান ডিডাব্লিউ-এর তিনজন সাংবাদিককে বেশ কয়েকদিন ধরেই খুঁজছে। তাদের সন্ধানে বিভিন্ন বাড়িতে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। তেমনই একটি বাড়িতে ঢুকে সাংবাদিককে খুঁজে না পেয়ে তার পরিবারের এক সদস্যকে হত্যা করা হয়। গুরুতর আহত হয়েছেন আরো এক সদস্য। বাকি সদস্যরা তালেবান পৌঁছানোর আগেই পালিয়ে যেতে পেরেছিলেন। 

ঘটনার পর প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ডিডাব্লিউয়ের মহাপরিচালক পিটার লিমবুর্গ। এ বিষয়ে জার্মান সরকারকে ব্যবস্থা নেওয়ার আর্জি জানিয়েছেন তিনি। চিঠিতে বলা হয়েছে, ‘‘আমাদের এক সম্পাদকের পরিবারের সদস্যকে হত্যা করা হয়েছে। এর থেকেই বোঝা যায়, আফগানিস্তানে আমাদের কর্মী এবং তাদের পরিবারের সদস্যরা কী ভয়াবহ অবস্থার মধ্যে আছেন। এই ঘটনা স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, তালেবান সাংবাদিকদের সঙ্গে কী ধরনের আচরণ করছে। আমাদের হাতে আর সময় নেই। এখুনি এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া দরকার।’’

গত কয়েকদিনে বেশ কয়েকজন সাংবাদিককে হত্যা করা হয়েছে বলে খবর মিলেছে। তার মধ্যে একটি রেডিও স্টেশনের প্রধান তুফান ওমর অন্যতম। তাকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ। দুইজন অনুবাদককেও হত্যা করা হয়েছে। তারাও জার্মানির একটি সংবাদপত্রে নিয়মিত লিখতেন। এর আগে পুলিৎজার জয়ী ভারতীয় ফোটোগ্রাফার দানিশ সিদ্দিকিকেও হত্যা করেছিল তালেবান।

দিনকয়েক আগে কাবুলে প্রথম সাংবাদিক বৈঠক করেছিল তালেবান। সেখানে বলা হয়েছিল, যারা বিদেশিদের সঙ্গে কাজ করেছেন, তাদের উপর অত্যাচার করা হবে না। প্রতিশোধ নেওয়া হবে না। কিন্তু বাস্তব চিত্র ভিন্ন বার্তা দিচ্ছে। স্থানীয় মানুষের অভিযোগ, রীতিমতো তালিকা তৈরি করে বাড়ি বাড়ি তল্লাশি চালানো হচ্ছে। একের পর এক হত্যার ঘটনা ঘটছে। যত দিন যাবে, এ ধরনের হত্যা আরো বাড়বে বলেই আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এই পরিস্থিতিতে যত দ্রুত সম্ভব জার্মান সংবাদমাধ্যমের জন্য কর্মরত আফগান সাংবাদিকদের জার্মানিতে নিয়ে আসার ব্যবস্থা করতে ডিডাব্লিউ-সহ একাধিক জার্মান সংবাদসংস্থা সরকারের কাছে একটি আবেদন জানিয়েছে।সপ্তাহের শুরুতেই এই আবেদনপত্র চ্যান্সেলরের কাছে পাঠানো হয়েছিল। তার কয়েকদিনের মধ্যেই সাংবাদিকের পরিবারের সদস্যকে হত্যার ঘটনা ঘটল।

এসজি/জিএইচ