তালেবানের জয় ইসলামি জঙ্গিদের মনোবল বাড়াবে | বিষয় | DW | 20.08.2021
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

আফগানিস্তান

তালেবানের জয় ইসলামি জঙ্গিদের মনোবল বাড়াবে

আফগানিস্তানে তালেবানের জয় বিভিন্ন ইসলামি জঙ্গি গোষ্ঠীর মনোবল বাড়াতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা৷ এর ফলে জঙ্গি গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে নতুন জোট গঠন ও সন্ত্রাসী হামলার সংখ্যা বাড়তে পারে বলে তারা আশঙ্কা করছেন৷

আফগানিস্তানে তালেবানের জয় বিভিন্ন ইসলামি জঙ্গি গোষ্ঠীর মনোবল বাড়াতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা৷ এর ফলে জঙ্গি গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে নতুন জোট গঠন ও সন্ত্রাসী হামলার সংখ্যা বাড়তে পারে বলে তারা আশঙ্কা করছেন৷

বার্লিনের জার্মান ইন্সটিটিউট ফর ইন্টারন্যাশনাল অ্যাণ্ড সিকিউরিটি অ্যাফেয়ার্সের গবেষক ও সন্ত্রাসবাদ বিশেষজ্ঞ গিডো স্টাইনব্যার্গ ডয়চে ভেলেকে বলেন, ‘‘আফগানিস্তান ও পাকিস্তানে ইসলামিক স্টেট বা আইএস, আল-কায়েদাসহ ছোট ছোট গোষ্ঠীর শক্তি বাড়বে বলে আমরা আশা করতে পারি৷’’

অবশ্য তিনি বলেন, তালেবান ও আল-কায়েদার সঙ্গে আইএস-এর সম্পর্ক ভালো নয়৷ তাই আফগানিস্তানে তালেবান ক্ষমতায় যাওয়ার মানে যে আইএসেরও শক্তি বাড়বে, তেমনটা না-ও হতে পারে৷

তবে তালেবানের জয়ের কারণে জিহাদি, সালাফি ও ইসলামি জঙ্গিদের মনোবল বাড়বে এবং তা সবচেয়ে বড় সমস্যা বলেই মনে করছেন স্টাইনব্যার্গ৷

নতুন জোট

ইউরোপিয়ান সেন্টার ফর কাউন্টারটেররিজমঅ্যাণ্ড ইন্টেলিজেন্স স্টাডিজের সন্ত্রাসবাদ গবেষক জসিম মোহাম্মদ ডয়চে ভেলেকে বলেন, ভবিষ্যতে বিভিন্ন ইসলামি জঙ্গি গোষ্ঠীর মধ্যে জোট গড়ে উঠতে পারে এবং এভাবে তারা শক্তিশালী হয়ে উঠতে পারে৷ ‘‘ইয়েমেনে আল-কায়েদা ও আইএস নিজেদের মধ্যে সংঘর্ষে জড়াবে না বলে ইতিমধ্যে নিজেদের মধ্যে সমঝোতা করেছে৷’’

আফগানিস্তানে তালেবানও আল-কায়েদার মধ্যেও এমন ‘সমঝোতা' হয়েছে বলে জানান জসিম মোহাম্মদ৷ ডয়চে ভেলেকে তিনি বলেন, ‘‘কিছু মানুষ মনে করতে পারেন যে, আল-কায়েদা গত ১০ বছরে কিংবা বিন লাদেনের মৃত্যুর পর আফগানিস্তানে বেশি সক্রিয় ছিল না, কিন্তু নথিপত্র ও তদন্ত পাওয়া তথ্য বলছে, তালেবান ও আল-কায়েদার মধ্যে ভালো সম্পর্ক রয়েছে এবং তালেবানকে সমর্থন করছে আল-কায়েদা৷''

তিনি মনে করছেন, ভবিষ্যতে ইসলামি গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে এমন ‘শান্তি চুক্তি' আরো হবে৷ ‘‘সামনে হয়ত তালেবানের সঙ্গে আইএস-এর চুক্তি হতে পারে৷ এর আওতায় আইএস হয়ত আফগানিস্তানের ভেতরে কার্যক্রম না চালিয়ে আফগানিস্তানের বাইরে সক্রিয় থাকতে পারে৷’’

নতুন প্রজন্ম

স্টাইনব্যার্গ বলছেন, অতীতে আইএস, তালেবান ও আল-কায়েদার নেতারা একে অপরকে শত্রু মনে করতেন৷ তারা নিহত হওয়ার পর এখন যে নতুন নেতারা এসেছেন তারা পুরনো নেতাদের মতো না ভেবে নিজেরা মিলেমিশে থাকতে চাইতে পারেন৷

জেনিফার হোলাইস, মেয়েদ্দিন হুসেইন/জেডএইচ

সংশ্লিষ্ট বিষয়