তামিফ্লু নিউমোনিয়া ঠেকায়- এমন কোন প্রমান নেই | বিজ্ঞান পরিবেশ | DW | 24.12.2009
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞান পরিবেশ

তামিফ্লু নিউমোনিয়া ঠেকায়- এমন কোন প্রমান নেই

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা-ডাব্লিউ এইচ ও সম্প্রতি একটি সমীক্ষার ফলাফলের প্রতি সমর্থন জানিয়ে বলেছে, সোয়াইন ফ্লু ভাইরাসের প্রতিষেধক তামিফ্লু কোন মানুষকে নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হওয়ার হাত থেকে রক্ষা করতে পারে-এমন কোন প্রমাণ নেই৷

default

কিন্তু তবুও ডাব্লিউ এইচ ও সুপারিশ করছে সুইজারল্যান্ডের ওষুধ কোম্পানি রচে এর তৈরী তামিফ্লু সোয়াইন ফ্লু এইচওয়ান এনওয়ান ভাইরাসে আক্রান্ত মানুষকে সঙ্গে সঙ্গে তা সেবন করার জন্য৷

ডাব্লিউ এইচ ও এর মতে, প্যান্ডেমিক ইনফ্লুয়েন্জার বিস্তার ঘটেছে উত্তর আমেরিকা, ফ্রান্স ছাড়া পশ্চিম ইউরোপের বেশির ভাগ দেশে এবং সম্ভবত রাশিয়ায়৷

ডাব্লিউএইচও বলেছে, এখনো সোয়াইন ফ্লু এর প্রাদুর্ভাব ঘটছে জাপান, হংকং এবং তাইওয়ানে৷ আফ্রিকার বেশির ভাগ দেশেও এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ছে৷

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সরকার সোয়াইন ফ্লু এর বিরুদ্ধে লড়াই এর জন্য তামিফ্লু মজুদ করছে৷ এইচওয়ান এনওয়ান ভাইরাস আত্মপ্রকাশ করে গত এপ্রিলে এবং তারপর থেকে সারা বিশ্বে ইনফ্লুয়েন্জার প্রাদুর্ভাব ঘটে৷ যার ফলে কমপক্ষে নয় হাজার পাঁচশ ছিয়ানব্বই জন মানুষ মারা যান৷ ডাব্লিউএইচও এর সর্বশেষ পরিসংখ্যান থেকে এই তথ্য জানা গেছে৷

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা-ডাব্লিউএইচও এর একজন মুখপাত্র বলেছেন, এইচ ওয়ান এন ওয়ান ভাইরাসে আক্রান্ত বেশির ভাগ রোগীই সাধারণত আরোগ্য লাভ করেন ওষুধপত্র ছাড়াই৷ তবে সোয়াইন ফ্লু এর সিম্পটম যদি তিন দিনের বেশি দেখা যায় কারও দেহে এবং তা খারাপ হতে থাকে তাহলে তাকে তামিফ্লু দিতে হবে৷

সারা বিশ্বে সোয়াইন ফ্লু এর প্রাদুর্ভাব ঘটায় সুইজারল্যান্ডের ওষুধ কোম্পানি রচে এই রোগের চিকিৎসার জন্য তামিফ্লু নামক ওষুধটি উৎপাদন সারা বিশ্বে করে৷ সোয়াইন ফ্লু এর প্রতিষেধক হিসেবে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে তামিফ্লু এর চাহিদা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পায়৷ রচে সেই চাহিদা পূরণে সক্ষম হয়৷ বলাই বাহুল্য এই কোম্পানি বিপুল মুনাফা অর্জন করে গোটা বিশ্বে এই ওষুধটি সরবরাহ করে৷

তামিফ্লু ওষুধটির একটি প্রতিযোগী রয়েছে৷ সেটি হল ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান গ্ল্যাক্সো স্মীথ ক্লাইন এ প্রস্তুত ফ্লু এর ওষুধ- যার নাম রেলেন্জা-যেটি নিঃশ্বাসের সঙ্গে টেনে নিতে হয়৷

প্রতিবেদক: আবদুস সাত্তার

সম্পাদনা: আব্দুল্লাহ আল-ফারূক

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন