তরুণীর পোশাক নিয়ে নারীর মন্তব্যে তোলপাড় | বিশ্ব | DW | 02.05.2019
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

ভাইরাল ভিডিও

তরুণীর পোশাক নিয়ে নারীর মন্তব্যে তোলপাড়

‘‘ভিডিওতে যে মধ্যবয়সি নারীকে দেখছেন, তিনি একটি রেস্টুরেন্টে সাত জন পুরুষকে আমাদের ধর্ষণ করতে বলেন, কারণ, আমরা ছোট কাপড় পরেছি বলে এটাই নাকি আমাদের প্রাপ্য...’’ ফেসবুক পোস্টটিতে এমনটাই লেখা ছিল৷

প্রতীকী ছবি

প্রতীকী ছবি

অনেক পুরুষই মনে করেন যে, নারীর পোশাকই তাঁকে ধর্ষণের জন্য দায়ী৷ কিন্তু অনেকেই এই যুক্তিকে অসার মনে করেন৷ কারণ, যদি তাই হতো তাহলে ধর্ষকরা ২ বছরের শিশু বা ৮০ বছরের বৃদ্ধাকে ধর্ষণ করতেন না৷ আবার পুরো শরীর ঢাকা মেয়েদেরও ধর্ষকরা ছাড়েন না৷

কিন্তু নারীর পোশাক ধর্ষণকে উৎসাহিত করে, এমন ধারণা শুধু কতিপয় পুরুষের নয়৷ এমন ধারণা অনেক নারীরও৷ তেমন প্রমাণ পাওয়া গেল ভারতের গুরগাঁওয়ে৷ ভিডিওতে দেখা যায়, একজন মধ্যবয়স্ক নারীকে কয়েকজন তরুণী মিলে তাঁর মন্তব্যের জন্য ক্ষমা চাইতে বলেছেন৷ ঐ নারী নাকি পাশের একটি রেস্টুরেন্টে বসে মন্তব্য করেছিলেন যে, ঐ তরুণীরা ছোট কাপড় পরেছেন, তাই তাদের ধর্ষণ করা উচিত৷ সেই ভিডিও রেস্টুরেন্টটির সিসিটিভি ফুটেজে পাওয়া যাবে বলেও বার বার বলছিলেন তারা৷

কিন্তু ভিডিওতে দেখা যায়, ঐ মধ্যবয়স্কা কোনোভাবেই তার মন্তব্যের জন্য অনুতপ্ত নন৷

এ সময় পুলিশ ডাকার কথা বলে দুইপক্ষই৷ এ সময় আরেক নারী নিজেকে দুই সন্তানের জননী বলে পরিচয় দিয়ে ঐ নারীকে বলেন যে, ‘‘আপনাকে তো কেউ বিকিনি পরার জন্য জোর করছে না৷ আপনি কেন অন্য একজন কী পরবে, তাতে জোর করছেন?’’

তিনি বলেন, একজন মানুষ কী পোশাক পরবেন, তা অন্য কেউ ঠিক করে দেবেন, এটা হয় না৷ কেউ যদি বোরখা পরতে চান, তিনি তাই পরবেন, কেউ বিকিনি পরতে চাইলে তাই পরবেন৷ এটা যার যার স্বাধীনতা৷

কিন্তু এসব যুক্তিতে কি কাজ হয়?

শেষ পর্যায়ে অভিযুক্ত নারী ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে বলেন, ‘‘বন্ধুরা, এই নারীরা ছোট থেকে ছোট কাপড় পরতে চান, কারণ, তারা চান তাদের সবাই দেখুক৷ ঠিক আছে? বাহ, খুব ভালো৷ যেসব নারী ছোট কাপড় পরেন, ধর্ষিত হবার জন্য পরেন!’’

ভিডিওটি মঙ্গলবার ফেসবুকে প্রকাশিত হবার পর ভাইরাল হয়ে যায়৷ সামাজিক যোগাযোগের অন্য মাধ্যমেও ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়েছে৷

জেডএ/এসিবি (এনডিটিভি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন