ড. ইউনূসকে শ্রম আদালতে তলব | সমাজ সংস্কৃতি | DW | 13.01.2020
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশ

ড. ইউনূসকে শ্রম আদালতে তলব

গ্রামীণ কমিউনিকেশনসের চেয়ারম্যান নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে একটি ফৌজদারি মামলায় আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি আদালতে হাজির থাকার নির্দেশ দিয়েছে ঢাকার শ্রম আদালত।

ঢাকার তৃতীয় শ্রম আদালতের বিচারক রহিবুল ইসলাম এ সমন জারি করেন বলে জানায় ডয়চে ভেলের কন্টেন্ট পার্টনার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম৷ আদালতের পেশকার মিয়া মো. জামাল উদ্দিন সোমবার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোরকে  বলেন, আসামি সমন পেয়ে আদালতে হাজির না হলে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির বিধান রয়েছে৷

কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের শ্রম পরিদর্শক (সাধারণ) তরিকুল ইসলাম গত ৫ জানুয়ারি ইউনূসের বিরুদ্ধে শ্রম আদালতে মামলাটি করেন৷ মামলায় ইউনূস ছাড়াও গ্রামীণ কমিউনিকেশনসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাজনীন সুলতানা, পরিচালক আব্দুল হাই খান ও উপ-মহাব্যবস্থাপক (জিএম) গৌরি শংকরকে বিবাদী করা হয়েছে৷

এর আগে ট্রেড ইউনিয়ন গঠনের কারণে গ্রামীণ কমিউনিকেশন্সের চাকরিচ্যুত তিন কর্মীর পৃথক তিনটি মামলায় একই আদালত গত ৯ অক্টোবর ইউনূসের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছিল৷ পরে ৩ ন‌ভেম্বর আদাল‌তে আত্মসমর্পণ ক‌রে জা‌মিন নেন তিনি৷

নতুন মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০১৯ সালের ৩০ এপ্রিল একজন পরিদর্শক গ্রামীণ কমিউনিকেশন্স পরিদর্শন করে বিভিন্ন ত্রুটি দেখতে পেয়ে সেসব সংশোধনের নির্দেশনা দেন৷ তার পরিপ্রেক্ষিতে ৭ মে ডাকযোগে বিবাদী পক্ষ জবাব দেয়৷ পরে মামলার বাদী ওই বছর ১০ অক্টোবর প্রতিষ্ঠানটিতে আবারও পরিদর্শনে গিয়ে ১০টি বিধি লঙ্ঘনের প্রমাণ পান এবং ২৮ অক্টোবর তা অবহিত করেন৷ তবে বিবাদী পক্ষ সময়ের আবেদন করেও নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে জবাব দাখিল করেনি। এতে বিবাদীরা বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬, বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) আইন -২০১৩ এর ধারা ৩৩ (ঙ) এবং ধারা ৩০৭ মোতাবেক  দণ্ডনীয় অপরাধ করেছেন বলে বাদী অভিযোগ করেন৷

গ্রামীণ কমিউনিকেশন্সের বিরুদ্ধে যেসব বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ আনা হয়েছে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- বিধি মোতাবেক শ্রমিক/কর্মচারীদের নিয়োগপত্র, ছবিসহ পরিচয়পত্র ও সার্ভিস বই না দেওয়া, কোম্পানির বার্ষিক ও অর্ধবার্ষিক রিটার্ন দাখিল না করা, কর্মীদের বছর শেষে অর্জিত ছুটির অর্ধেক নগদায়ন না করা ইত্যাদি৷

এছাড়া কোম্পানির নিয়োগবিধি মহাপরিদর্শক কর্তৃক অনুমোদিত নয়, ক্ষতিপূরণমূলক সাপ্তাহিক ছুটি ও উৎসব ছুটি প্রদান-সংক্রান্ত কোনো রেকর্ড/রেজিস্টার সংরক্ষণ না করা , কোম্পানির মুনাফায় শ্রমিকের অংশগ্রহণ তহবিল গঠন না করা এবং লভ্যাংশ বণ্টন না করা, সেফটি কমিটি গঠন না করা৷

বাংলাদেশে ক্ষুদ্র ঋণের উদ্ভাবক ড. মুহাম্মদ ইউনুস ও তাঁর প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংককে ২০০৬ সালে শান্তিতে নোবেল দেওয়া হয়৷

এসএনএল/কেএম



 

নির্বাচিত প্রতিবেদন

বিজ্ঞাপন