ডয়চে ভেলের প্রতিবেদন শেয়ার করে জরিমানা শরণার্থীর | বিশ্ব | DW | 23.08.2019
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

জার্মানি

ডয়চে ভেলের প্রতিবেদন শেয়ার করে জরিমানা শরণার্থীর

‘আইএস-এর অস্ত্র শিরোনামে ডয়চে ভেলের একটি প্রতিবেদন ফেসবুকে শেয়ার করার ‘অপরাধে' জরিমানা দিতে হবে এক চেচেন শরণার্থীকে৷ অভিযোগ, ইসলামিক স্টেটের প্রতীকের প্রচার করেছেন তিনি৷

মোখমাদ আবদুররাখমানভ জার্মানির আউগসবুর্গ শহরে বসবাসরত এক চেচেন শরণার্থী৷ ফেব্রুয়ারি মাসে তাঁর নিজস্ব ফেসবুক প্রোফাইল থেকে দু'টি প্রতিবেদন শেয়ার করেন তিনি, যার মধ্যে ছিল ডয়চে ভেলের একটি জার্মান প্রতিবেদনও৷ সেই প্রতিবেদনে ছিল একদল ইসলামিক স্টেট (আইএস) যোদ্ধাদের হাতে রাইফেল ধরা ছবি৷ শেয়ার করা পোস্টে মোখমাদ লেখেন, ‘‘এদের হাতে ধরা বন্দুকগুলি কালাশনিকভ রাইফেল৷ আমি জানিনা এগুলি কারা, কোথা থেকে এদের দিচ্ছে৷''

ছবিতে বন্দুক ছাড়াও এক আইএস যোদ্ধার টুপিতে দেখা যাচ্ছিল ইসলামিক স্টেটের প্রতীক৷ সেই থেকেই ঘটনা গড়াল জরিমানা পর্যন্ত৷

শেয়ার হয়েছে ৮০বার, কিন্তু জরিমানা একটাই

যে পোস্ট শেয়ার করার অপরাধে ১ হাজার ৩৫০ ইউরো জরিমানা করা হয়েছে মোখমাদকে, সেই পোস্ট মোখমাদ ছাড়াও শেয়ার করেছিলেন আরো ৮০জন৷ কিন্তু জরিমানার দায় এসে পড়েছে একা মোখমাদের ঘাড়েই৷

উল্লেখ্য, ২০১৪ সাল থেকে জার্মানিতে নিষিদ্ধ করা হয়েছে ইসলামিক স্টেট ও আইএসের প্রতীকের ব্যবহার৷ দুটি প্রতিবেদন ছাড়াও মোখমাদ শেয়ার করেছিলেন ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংঘর্ষের দুটি ভিডিও৷ সব মিলিয়ে, ইসলামিক স্টেটের প্রচার ও সহিংসতা ছড়ায় এমন ভিডিও শেয়ার করার দায়ে সোমবার আউগসবুর্গের আদালত জরিমানার রায় ঘোষণা করে৷

মোখমাদের আইনজীবী ইয়োহানা ক্যুনে জানান যে এর আগে এমন আরো দুটি মামলা আদালতে উঠলেও পরে তা খারিজ করা হয়৷ তিনি দাবি করেন যে শেয়ার করা পোস্টে মোখমাদ আইএসের সমালোচনাই করেছেন৷ ইসলামিক স্টেটের প্রতীকটিও ভালো করে খেয়াল করেননি মোখমাদ, বলেন ক্যুনে, কারণ সেই প্রতিবেদনে প্রতীকটি খুবই ছোট আকারে দেখা যাচ্ছিল৷ পুলিশও সেই ছবির স্ক্রিনশট নিয়ে অনেকটা বড় করে সেটি শনাক্ত করতে পেরেছে৷

মোখমাদের মতে, তাঁর চেচেন ও মুসলমান পরিচয়ের কারণেই এমন বিদ্বেষী ঘোষণা দিয়েছে আদালত৷ কারণ চারমাস ধরে মোখমাদের ওপর নজর রাখা ও বাড়িতে তল্লাশি চালানোর পরেও মোখমাদের আইএস-প্রীতির কোনো তথ্যউপাত্ত পাওয়া যায়নি৷ শীঘ্রই, আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করবেন মোখমাদ ও তাঁর আইনজীবী৷

মিখায়েল বুশুয়েভ, ইউলিয়া লাসিকা/এসএস

 

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন