ট্রাম্প সমর্থক-বিক্ষোভকারী সংঘর্ষ, মৃত এক | বিশ্ব | DW | 31.08.2020

ডয়চে ভেলের নতুন ওয়েবসাইট ভিজিট করুন

dw.com এর বেটা সংস্করণ ভিজিট করুন৷ আমাদের কাজ এখনো শেষ হয়নি! আপনার মতামত সাইটটিকে আরো সমৃদ্ধ করতে পারে৷

  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

অ্যামেরিকা

ট্রাম্প সমর্থক-বিক্ষোভকারী সংঘর্ষ, মৃত এক

অ্যামেরিকায় বর্ণবাদ বিরোধী প্রতিবাদে নতুন মোড়। পোর্টল্যান্ডে ট্রাম্পপন্থী ও বিরোধীদের মধ্যে সংঘর্ষ। মৃত এক।

জর্জ ফ্লয়েডের হত্যার পরই বিক্ষোভের আগুন ছড়িয়েছিল পোর্টল্যান্ডে। জেকব ব্লেককে বর্ণবাদী পুলিশের সাতটি গুলির পর বিক্ষোভ বাড়ে। শনিবার সেখানে ব্ল্যাক লাইভস ম্যাটার্স আওয়াজ তুলে বিক্ষোভ হচ্ছিল। তখন শুরু হয় প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পপন্থীদের পাল্টা বিক্ষোভ। দুই দলের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। কয়েক হাজার ট্রাম্পপন্থী বিক্ষোভ দেখিয়ে চলে যাওয়ার পরে দেখা যায়, এক জনের গুলিতে মৃত্যু হয়েছে।

পুলিশ এর বিস্তারিত বিবরণ দেয়নি। তারা বলেছে, ঘটনার কোনো প্রত্যক্ষদর্শী থাকলে তাঁরা যেন পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। পুলিশ প্রধান জানিয়েছেন, তদন্ত প্রাথমিক স্তরে আছে। তাই তদন্তকারীদের সিদ্ধান্তে পৌঁছনোর জন্য কিছুটা সময় দিতে হবে। তবে ঘটনাস্থলে থাকা সাংবাদিকরা জানিয়েছেন, মৃত ব্যক্তি অতি দক্ষিণপন্থী গোষ্ঠী প্যাট্রিয়ট প্রেয়ার-এর টুপি পরে ছিলেন। সম্প্রতি ওই গোষ্ঠীর সদস্যরা ব্ল্যাক লাইভস ম্যাটার্স-দের সঙ্গে পোর্টল্যান্ডে বেশ কয়েকবার ঝামেলায় জড়িয়েছে। 

ট্রাম্প-বাইডেন তরজা

এই ঘটনার পরই প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের দুই প্রার্থী ডনান্ড ট্রাম্প ও জো বাইডেন-এর মধ্যে কথার লড়াই শুরু হয়ে গেছে। একগুচ্ছ টুইট করে ট্রাম্প বলেছেন, 'পোর্টল্যান্ডের ডেমোক্র্যাট মেয়র প্রশাসক হিসেবে ব্যর্থ। তিনি থাকলে পোর্টল্যান্ড আর মাথা তুলে দাঁড়াতে পারবে না। মেয়র তো নিজের বেসমেন্টে গিয়ে বসে আছেন। নেতৃত্ব দেয়া দূরে থাক, তিনি একটা কথাও বলতে পারছেন না।'

আর বাইডেন বিবৃতিতে বলেছেন, আইন ও শৃঙ্খলারক্ষার কথা বলে ট্রাম্প দেখাতে চান, তিনি খুব শক্তিশালী নেতা।

কিন্তু  ট্রাম্পের সমর্থকরা ঝামেলা চাইছিল। তিনি তো তাঁদের কিছুই বললেন না। এটাই দেখিয়ে দিচ্ছে তিনি কতটা দুর্বল। ট্রাম্পের প্রচারে এ বার খুবই গুরুত্ব পাচ্ছে আইনশৃঙ্খলার বিষয়টি।

বিক্ষোভের পর গুলি

পুলিশ বলছে, শনিবারের গুলিচালনার ঘটনা ঘটেছে ট্রাম্পের সমর্থকদের চলে যাওয়ার পর। প্রায় ছয়শ গাড়ি নিয়ে ট্রাম্পের সমর্থকরা এসেছিলেন। পুলিশ জানিয়েছে, তাঁরা চলে যাওয়ার পর গুলি চলে। মৃত ব্যক্তির বুকে গুলি লাগে।

ট্রাম্পের প্রায় দুই হাজার ৫০০ জন সমর্থক এসেছিলেন বিক্ষোভ দেখাতে। তাঁদের সঙ্গে বামপন্থী গোষ্ঠীগুলির সংঘর্ষ হয়। বর্ণবাদ ও পুলিশি অত্যাচার নিয়ে পোর্টল্যান্ডে বহুদিন ধরে বিক্ষোভ চলছে। ফ্লয়েডের হত্যার পর বিক্ষোভ শুরু। কিন্তু এই ধরনের ঘটনা ঘটেনি।

সম্প্রতি কেনোশায় বিক্ষোভে গুলি চলেছিল। তাতে দুইজন মারা গেছেন। এ বার চলল পোর্টল্যান্ডে। ফলে পরিস্থিতি ক্রমশ খারাপ হচ্ছে।

জিএইচ/এসজি(এপি, ডিপিএ)