ট্রাম্প ‘অ্যামেরিকা ফার্স্ট′ নিরাপত্তা কৌশল প্রকাশ করবেন | বিশ্ব | DW | 18.12.2017
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

যুক্তরাষ্ট্র

ট্রাম্প ‘অ্যামেরিকা ফার্স্ট' নিরাপত্তা কৌশল প্রকাশ করবেন

মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেয়ার পর এই প্রথম জাতীয় নিরাপত্তা কৌশল প্রকাশ করতে যাচ্ছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প৷ এতে অর্থনৈতিক নিরাপত্তার বিষয়টি সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পাবে৷

সাধারণত মার্কিন প্রেসিডেন্টরা নিয়মিতভাবে এমন কৌশলপত্র প্রকাশ করে থাকেন৷ সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা শেষবার ২০১৫ সালে কৌশলপত্র প্রকাশ করেছিলেন৷

সোমবার ওয়াশিংটন সময় দুপুর দু'টোয় এই কৌশলপত্র প্রকাশ করবেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট৷ তার আগে হোয়াইট হাউসের কর্মকর্তারা রবিবার কৌশলপত্রের কিছু বিষয় সম্পর্কে ধারণা দিয়েছেন৷ এতে জানা গেছে,  ঐ কৌশলপত্রে চারটি বিষয়কে মূল হিসেবে ধরা হয়েছে৷ এগুলো হচ্ছে, দেশ ও অ্যামেরিকার জনগণের নিরাপত্তা, অ্যামেরিকার সমৃদ্ধির প্রচার, শক্তিমত্তা দিয়ে শান্তি বজায় এবং অ্যামেরিকার প্রভাবের প্রসার৷ ‘‘নতুন কৌশলপত্র এই বিশ্বাস নিশ্চিত করবে যে, অ্যামেরিকার অর্থনৈতিক নিরাপত্তা হচ্ছে জাতীয় নিরাপত্তা,'' জানান ট্রাম্প প্রশাসনের এক কর্মকর্তা৷ প্রতিরক্ষামন্ত্রী জিম মাটিসকে উদ্ধৃত করে তিনি বলেন, ‘‘আমাদের সবচেয়ে বড় অস্ত্র হচ্ছে আমাদের শক্তিশালী জিডিপি৷''

উল্লেখ্য, নির্বাচনি প্রচারণার সময় ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর ‘অ্যামেরিকা ফার্স্ট' নীতির কথা বারবার বলেছেন৷ নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি তাঁর নীতি বাস্তবায়ন করতে গিয়ে সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার নেয়া বেশ কিছু পদক্ষেপ থেকে সরে এসেছেন৷ যেমন জলবায়ু পরিবর্তনকে ওবামা জাতীয় নিরাপত্তার হুমকি মনে করলেও ট্রাম্পের নতুন কৌশলপত্রে সেটিকে জাতীয় নিরাপত্তার হুমকি মনে করা হবে না৷ এছাড়া বিশ্বের একমাত্র দেশ হিসেবে জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত প্যারিস চুক্তি থেকে অ্যামেরিকাকে সরিয়ে নেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন ট্রাম্প৷ এছাড়া মুক্ত বাণিজ্য সংক্রান্ত বিভিন্ন চুক্তি থেকেও সরে এসেছেন তিনি৷

মার্কিন প্রশাসনের কর্মকর্তারা অবশ্য এতদিন বলে এসেছেন, অ্যামেরিকা ফার্স্ট' মানে ‘অ্যামেরিকা অ্যালোন' নয়৷ তবে নতুন কৌশলপত্র লেখা থাকবে, বাণিজ্য, জলবায়ু পরিবর্তন ও অভিবাসনবিষয়ে অ্যামেরিকা একাই তার সিদ্ধান্ত নেবে৷

জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা গত সপ্তাহে চীনের বিরুদ্ধে ‘অর্থনৈতিক আগ্রাসন'-এর অভিযোগ আনলেও কৌশলপত্রে চীনকে ‘কৌশলগত প্রতিযোগী' বলে উল্লেখ করা হবে৷

মধ্যপ্রাচ্য সম্পর্কে কৌশলপত্রে লেখা থাকবে, ‘‘কয়েক প্রজন্ম ধরে ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনের মধ্যে সংঘাতকে ঐ অঞ্চলের শান্তি ও সমৃদ্ধির পথে প্রধান কাঁটা হিসেবে মনে করা হয়েছে৷ তবে এখন মৌলবাদী জিহাদি সন্ত্রাসী সংগঠন ও ইরানের পক্ষ থেকে আসা হুমকি সবাইকে বুঝিয়ে দিচ্ছে যে,ইসরায়েল অত্র অঞ্চলের সমস্যার কারণ নয়৷''

জেডএইচ/ডিজি (এএফপি, ডিপিএ, এপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন