ট্রাম্প ‘অযোগ্য′ ও ‘অক্ষম′ | বিশ্ব | DW | 08.07.2019
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

বিশ্ব

ট্রাম্প ‘অযোগ্য' ও ‘অক্ষম'

ট্রাম্প প্রশাসন সম্পর্কে ওয়াশিংটনে ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূতের মূল্যায়ন ফাঁস হয়ে যাওয়ায় দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের উপর চাপ পড়ছে৷ ট্রাম্প নিজে চরম বিরক্তি প্রকাশ করেছেন৷ ব্রিটেন ঘটনার তদন্ত করছে৷

দুই দেশের মধ্যে সমসম্পর্ক বজায় রাখার ক্ষেত্রে দূতাবাস তথা রাষ্ট্রদূতদের বড় ভূমিকা রাখে৷ কূটনৈতিক শিষ্টাচার মেনে তাঁরা সাধারণত প্রকাশ্যে কোনোরকম বিতর্কিত মন্তব্য করেন না৷ তবে পরিস্থিতি সম্পর্কে নিজেদের আন্তরিক মূল্যায়ন করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে রিপোর্ট পাঠানোও তাঁদের দায়িত্বের মধ্যে পড়ে৷ ঠিক সেই কাজ করতে গিয়ে বিপাকে পড়েছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত৷ট্রাম্প প্রশাসন সম্পর্কে তাঁর খোলামেলা মূল্যায়ন ফাঁস হয়ে যাওয়ায় দুই দেশের মধ্যে অস্বস্তি বাড়ছে৷ স্বয়ং ট্রাম্প নিজে বিষয়টি নিয়ে বিরক্তি প্রকাশ করেছেন৷ ব্রিটেনে আগামী প্রধানমন্ত্রী বাছাইয়ের সময়ে এমন ঘটনা বিষয়টি আরও জটিল করে তুলছে৷ সে দেশ এই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে৷

২০১৭ থেকে এখনো পর্যন্ত ওয়াশিংটেন ব্রিটেনের রাষ্ট্রদূত কিম ড্যারক লন্ডনে একাধিক মেমো পাঠিয়েছেন৷ তারই কিছু অংশ ফাঁস হয়ে গেছে৷ ‘দ্য মেল অন সানডে' সংবাদপত্র সেই সব মেমো থেকে নানা উদ্ধৃতি প্রকাশ করেছে৷ ব্রিটেনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সেই দাবি অস্বীকার করে নি৷ ড্যারক লিখেছেন, বর্তমান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ও সামগ্রিকভাবে হোয়াইট হাউস অযোগ্য এবং একেবারেই কার্যকর নয়৷ এমনটা আগে কখনো দেখা যায় নি৷ হোয়াইট হাউসের মধ্যে অন্তর্কলহ ও অরাজকতা সম্পর্কে একাধিক প্রতিবেদনকেও সত্য বলে মনে করেন ড্যারক৷ ব্যক্তি হিসেবেও ট্রাম্প নিরাপত্তাহীনতায় ভোগেন এবং আসলে অক্ষম৷ তাঁর মূল্যায়ন অনুযায়ী প্রেসিডেন্ট হিসেবে ডনাল্ড ট্রাম্পের কার্যকাল কার্যত ভেঙে পড়তে চলেছে এবং কলঙ্কের মাধ্যমে তার সমাপ্তি ঘটবে৷

রোববার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প নিজে বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছেন৷ তাঁর মতে, রাষ্ট্রদূত হিসেবে কিম ড্যারক ভালো করে ব্রিটেনের সেবা করেন নি৷ ট্রাম্প আরও বলেন, তাঁর প্রশাসন ও তিনি মোটেই রাষ্ট্রদূতের অনুরাগী নন৷

ব্রিটেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী জেরেমি হান্ট রাষ্ট্রদূত ড্যারক-এর মন্তব্য মেনে না নিলেও কোনো রাষ্ট্রদূতের ভূমিকা ও দায়িত্ব ব্যাখ্যা করেন৷ তাঁর মতে, অকপট রিপোর্ট ও ব্যক্তিগত মূল্যায়ন পাঠানো যে কোনো রাষ্ট্রদূতের দায়িত্বের মধ্যে পড়ে৷ তবে সেগুলি একান্তভাবে তাঁরই মতামত৷ হান্ট বলেন, ড্যারক-এর মূল্যায়ন ব্রিটেনের সরকার বা পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে তাঁর মতামত নয়৷ তাঁর মতে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও মার্কিন প্রশাসন অত্যন্ত কর্মক্ষম এবং আন্তর্জাতিক মঞ্চে ব্রিটেনের সবচেয়ে ভালো বন্ধু৷

এসবি/কেএম (এএফপি, রয়টার্স)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন