ট্রাম্পের প্রিয় ওষুধের পরীক্ষা বন্ধ করল ডব্লিউএইচও | সমাজ সংস্কৃতি | DW | 26.05.2020
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

বিশ্ব

ট্রাম্পের প্রিয় ওষুধের পরীক্ষা বন্ধ করল ডব্লিউএইচও

করোনা রোগীদের চিকিৎসায় হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন ওষুধের ‘ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল' স্থগিত ঘোষণা করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা৷ এই ওষুধের ঝুঁকি নিয়ে একটি গবেষণা প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে সংস্থাটি এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে৷ 

করোনা প্রতিরোধে এই ওষুধ নিয়ে শুরু থেকেই উচ্ছাস প্রকাশ করে আসছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প৷  ভারত থেকে বিপুল পরিমাণ হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন আমদানিও করে তার প্রশাসন৷ দেশের প্রতিটি হাসপাতালে সেই ওষুধ পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছিল৷ এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের সতর্কতাও আমলে নেননি ট্রাম্প৷ এমনকি তিনি নিজে নিয়মিত এই ওষুধ খান বলে সম্প্রতি এক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন৷ 

চিকিৎসা বিজ্ঞান বিষয়ক গবেষণা জার্নাল ল্যানসেটের সদ্য প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, ওষুধটি যারা খাচ্ছেন তাদের মৃত্যু এবং হৃদযন্ত্র ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি অন্যদের চেয়ে বেশি৷ এর প্রেক্ষিতে এবার বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা করোনার রোগীদের উপর হাইড্রক্সিক্লোরোকুইনের পরীক্ষা নিরীক্ষা বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে৷ সংস্থার মহাপরিচালক টেড্রস আডহানোম গেব্রিয়েসুস সাংবাদিক সম্মেলনে বলেন, করোনা রোগীদের ক্ষেত্রে এই ওষুধের ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল তারা বন্ধ রাখবেন৷ কোভিড-১৯ আক্রান্তদের উপর হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন এবং ক্লোরোকুইনের ব্যবহার নিয়ে উদ্বেগের যথেষ্ট কারণ থাকায় এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানান সংস্থাটির জরুরি প্রকল্প বিভাগের প্রধান ড. মাইক রায়ানও৷

শরীরের স্বাভাবিক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা নষ্ট করে দেয় এমন অসুখের চিকিৎসায় সাধারণত হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন ব্যবহার করা হয়৷ অন্যদিকে সাধারণত ম্যালেরিয়ার চিকিৎসার জন্য সুপরিচিত৷ চীন এবং ফ্রান্সের প্রাথমিক কিছু গবেণষণায় ওষুধগুলোকে করোনা প্রতিরোধে কার্যকর হিসেবে দেখানো হয়েছিল৷ এরপরই ট্রাম্প প্রশাসন বিপুল পরিমান হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন কিনতে শুরু করে৷ যুক্তরাষ্ট্রের পাশাপাশি ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট বলসোনারোও দেশটিতে এই ওষুধ ব্যবহারের নির্দেশনা দেন৷ 

তবে ল্যানসেটের প্রকাশিত গবেষণা ওষুধটির ব্যবহার নিয়ে এখন উদ্বেগজনক তথ্যই দিচ্ছে৷ কয়েকশো হাসপাতালে ৯৬ হাজার রোগীর তথ্য নিয়ে গবেষণাটি করা হয়েছিল৷ 

এফএস/কেএম (এপি, রয়টার্স) 

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন