টোর এবং সাইফন: ইন্টারনেট দুনিয়ায় ‘নিরাপত্তারক্ষী’ | বিশ্ব | DW | 20.02.2021
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

ইন্টারনেট

টোর এবং সাইফন: ইন্টারনেট দুনিয়ায় ‘নিরাপত্তারক্ষী’

স্বৈরশাসক, কিংবা ক্ষতি করতে পারে এমন অন্য কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে নিজেকে আড়ালে রেখে, তথ্য গোপন করে ইন্টারনেট ব্যবহার করা অনেক সময় খুব জরুরি হয়ে পড়ে৷ কিন্তু কিভাবে তা সম্ভব?

এ প্রশ্নের সহজ কোনো উত্তর আসলে নেই৷ খুব সহজলভ্য এবং শতভাগ নিশ্চয়তা দেয়ার ব্যবস্থাও নেই বললেই চলে৷ তবে অন্তর্জালের পরতে পরতে কতভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকে সে ধারণা কিছুটা থাকলে নিরাপদে ব্রাউজ করা সম্ভব৷

কিন্তু মুশকিল হলো, ইন্টারনেটে কতভাবে গোপনীয়তা ভঙ্গ হতে পারে, কারো কাজ বা পরিচয় অন্য কেউ কিভাবে দেখতে পারে অনেকেই তা বুঝতে পারেন না৷ বস্তুতপক্ষে ইন্টারনেটের সবই সার্ভারের সঙ্গে যুক্ত এমন সব মানুষের কাছেই উন্মুক্ত৷ পোস্টকার্ডের লেখা যেমন প্রেরক এবং প্রাপক ছাড়াও ইচ্ছে করলে যে কেউ পড়তে পারেন, ইন্টারনেটের ট্রাফিকও ঠিক সেরকম৷ সেখানে পরিচয় প্রকাশ করার মতো অনেক তথ্যই প্রায় উন্মুক্ত থাকে৷ প্রথমে বলা যেতে পারে কম্পিউটারের আইপি অ্যাড্রেসের কথা৷

ভিডিও দেখুন 04:18

ইন্টারনেটে নিরাপদ থাকার উপায়

আজকাল অবশ্য এর বাইরেও অনেক কিছু দিয়েই ব্যবহারকারীকে চিনে নেয়া যায়৷ এমনকি কম্পিউটারের ব্রাউজার প্লাগইন, স্ক্রিন রেজোলিউশন, উইনডোজের আকার, ভাষা, সময় ইত্যাদি দিয়েও ব্যক্তিকে চেনা যায়৷ এমনকি আধুনিক প্রযুক্তির এই বিশ্বে ফিঙ্গারপ্রিন্টও সার্ভারের সঙ্গে সংযুক্ত শতকরা ৯৮ ভাগ মানুষের কাছে একজনের পরিচয় প্রকাশে সহায়ক হতে পারে৷ তাকে চিনে নিতে তখন আইপি অ্যাড্রেসেরও দরকার পড়ে না৷

রক্ষা করতে পারে ‘টোর’

টোর (Tor) মানে ‘দ্য অনিয়ন রাউটার’৷ পেঁয়াজের খোসার মতো স্তরে স্তরে গড়ে তোলা নিরাপত্তা প্রাচীর দিয়ে এই ব্রাউজার ব্যবহারকারীকে আড়ালে রাখে৷ সার্ভারের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত হতে হয় না বলে এর মাধ্যমে ইন্টারনেট ব্যবহার সবচেয়ে বেশি নিরাপদ৷

সাইফন

ক্যানাডার তৈরি সাইফনও নিরাপদে ইন্টারনেট ব্যবহারের নির্ভরযোগ্য মাধ্যম৷ এতে এমন ধরনের অ্যাপ এবং কম্পিউটার প্রোগ্রাম ব্যবহারের সুযোগ থাকে, যা বিভিন্ন ধরনের সেন্সরশিপ এড়ানোর মেকানিজম গড়ে তুলতে সক্ষম৷

ফাবিয়ান স্মিড্ট/এসিবি

নির্বাচিত প্রতিবেদন