টেকনাফে দেশের সবচেয়ে বড় সৌরপ্রকল্প চালু | বিশ্ব | DW | 20.10.2018
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশ

টেকনাফে দেশের সবচেয়ে বড় সৌরপ্রকল্প চালু

কক্সবাজারের টেকনাফে সম্প্রতি ২৮ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন একটি সৌরপ্রকল্পের উদ্বোধন হয়েছে৷ ফলে নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিমাণ দেশের মোট চাহিদার পাঁচ শতাংশ ছাড়িয়ে গেছে৷

প্রতীকী ছবি

প্রতীকী ছবি

জুলস পাওয়ার লিমিটেডের সাবসিডিয়ারি ‘টেকনাফ সোলারটেক এনার্জি লিমিটেড' ১১৬ একর জায়গার ওপর সোলার পার্কটি গড়ে তুলেছে৷ সেখানে থেকে উৎপাদিত ২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হচ্ছে৷

টেকনাফের মোট বিদ্যুৎ চাহিদার প্রায় ৮০ শতাংশের জোগান দেয়ার ক্ষমতা এই সোলার পার্কের আছে বলে জানিয়েছেন কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক নুহের লতিফ খান৷

এর আগে যে সোলার প্রকল্পটি সবচেয়ে বড় ছিল, সেখান থেকে মাত্র ৩ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হতো৷

নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ শ্রেডা'র পরিচালক শেখ রিয়াজ আহমেদ জানিয়েছেন, বর্তমানে নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে ৫৩০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে৷ এর মধ্যে প্রায় অর্ধেকই হচ্ছে জলবিদ্যুৎ থেকে৷

শুধু আগামী বছরেই নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে ৬০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে সক্ষম, এমন প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে৷

এছাড়া পরের দুই বছর, অর্থাৎ ২০২০ ও ২০২১ সালে আরো ১,১০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্পের কাজও চলছে বলে জানান শেখ রিয়াজ আহমেদ৷

অবশ্য এসব প্রকল্পের কয়েকটি জমি অধিগ্রহণসহ অন্যান্য সমস্যার মধ্যে আছে বলেও স্বীকার করেন শ্রেডার ঐ কর্মকর্তা৷

তবে পরিকল্পনা বাস্তবায়ন সম্ভব হলে ২০২১ সালে নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে ২,২৩৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাওয়া যাবে বলে জানান তিনি৷

২০০৮ সালের নবায়নযোগ্য জ্বালানি নীতিতে ২০২০ সালের মধ্যে দেশের মোট উৎপাদিত বিদ্যুতের দশ শতাংশ নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারিত করা হয়েছিল৷ ২০২০ সালের মধ্যে বাংলাদেশ ২০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতাসম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে৷

লক্ষ্যমাত্রা পূরণে সরকারের পক্ষ থেকে নেয়া নানান উদ্যোগের মধ্যে একটি হচ্ছে, শিল্প কারখানা ও বাণিজ্যিক ভবনের ছাদে সৌর প্রকল্প বাস্তবায়নে সহায়তা করা৷

বড় আকারের সৌর প্রকল্প ছাড়াও বাংলাদেশের ঘরবাড়িতে ছোট আকারের ‘সোলার হোম সিস্টেম' ব্যবহার জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে৷

বাংলাদেশ সোলার অ্যান্ড রিনিউয়েবল এনার্জি অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট দীপাল সি. বড়ুয়া থমসন রয়টার্স ফাউন্ডেশনকে জানিয়েছেন, বর্তমানে প্রায় ৫২ লক্ষ বাড়িতে সোলার হোম সিস্টেম ব্যবহৃত হচ্ছে৷ এর মাধ্যমে দেশের প্রায় ১২ শতাংশ মানুষ বিদ্যুৎ পাচ্ছে বলে জানান তিনি৷

জেডএইচ/এসিবি (থমসন রয়টার্স ফাউন্ডেশন)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন