টুইটার থেকে ট্রাম্পকে তাড়াতে অভিনব উদ্যোগ | বিশ্ব | DW | 25.08.2017
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

যুক্তরাষ্ট্র

টুইটার থেকে ট্রাম্পকে তাড়াতে অভিনব উদ্যোগ

সাবেক ব্যবসায়ী, বর্তমান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে মাইক্রোব্লগিং সাইট টুইটারে নিষিদ্ধ করার লক্ষ্যে অনলাইনে অর্থ সংগ্রহ করছেন এক সাবেক গোয়েন্দা৷ ইতোমধ্যে তাঁর উদ্যোগে সাড়া দিয়ে টাকাও দিয়েছেন কেউ কেউ৷

সাবেক সিআইএ গুপ্তচর ভ্যালেরি প্লামি উইলসন ইতোমধ্যে প্রায় ৪০ হাজার মার্কিন ডলার সংগ্রহ করে ফেলেছেন৷ তাঁর লক্ষ্য, এক বিলিয়ন মার্কিন ডলার৷ এই টাকা দিয়ে তিনি টুইটারের বেশ বড় এক শেয়ার কিনতে পারবেন৷ এবং সেই শেয়ার কেনার পর মাইক্রোব্লগিং সাইটটিতে ট্রাম্পকে নিষিদ্ধ করা সম্ভব হবে বলে আশা তাঁর৷

‘গোফান্ডমি' ওয়েবসাইটে বুধবার শুরু করা তাঁর এই উদ্যোগ বেশ আলোড়ন সৃষ্টি করেছে৷ প্লামি ইংরেজিতে #বাইটুইটার এবং #ব্যানট্রাম্প নামের দু'টি হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করে তাঁর উদ্যোগের পক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছেন৷ কেন ট্রাম্পকে নিষিদ্ধ করা উচিত সে বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যাও দিয়েছেন তিনি৷ ‘‘ট্রাম্প শেতাঙ্গ আধিপত্যবাদীদের সাহস দিচ্ছেন'' এবং ‘সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে সহিংসতায়' উৎসাহ জোগাচ্ছেন বলেও মনে করেন প্লামি৷ তিনি লিখেছেন, ‘‘তাঁকে (ট্রাম্প) বন্ধ করার এখনই সময়৷''

বলা বাহুল্য, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নীতিগত বিষয়াদি নিয়ে জনগণের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য আনুষ্ঠানিক টুইটার অ্যাকাউন্টের বদলে নিজের ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করেন৷

তিনি মার্কিন সেনাবাহিনীতে হিজড়াদের নিষিদ্ধ করাসহ ওবামাকেয়ার পরিবর্তনের ঘোষণা দিয়ে আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন৷ এমনকি ভুল বানানের জন্যও অনেক সময় সমালোচনার মুখে পড়েছেন ব্যবসায়ী থেকে রাজনীতিবিদ হওয়া এই মার্কিন প্রেসিডেন্ট৷

প্লামি টুইটারের এক বিলিয়ন মার্কিন ডলারের শেয়ার কিনলেই অবশ্য সাইটটি নিয়ন্ত্রণের মতো ক্ষমতা পাবেন না৷ সেজন্য তাঁকে কিনতে হবে অন্তত ছয় বিলিয়ন মার্কিন ডলারের শেয়ার৷ তবে এক বিলিয়ন ডলারের শেয়ার তাঁকে প্রতিষ্ঠানটির নীতিগত বিষয়ে নিজের মতামত জানানোর সুযোগ করে দেবে৷ আর এককভাবে তিনি হবেন প্রতিষ্ঠানটির সবচেয়ে বেশি শেয়ারের মালিক, যা তাঁর মতামত টুইটারকে শুনতে কিছুটা বাধ্য করবে৷

টুইটার অবশ্য প্লামির এই উদ্যোগ সম্পর্কে কোনো মন্তব্য করেনি৷ তবে হোয়াইট হাউস চুপ থাকেনি৷ সাংবাদিকদের কাছে প্রেস সেক্রেটারির এক ই-মেলে লেখা হয়েছে যে, প্রেসিডেন্টের বাকস্বাধীনতায় হস্তক্ষেপের এক হাস্যকর উদ্যোগ এটি৷

এআই/ডিজি (এএফপি, এপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন