টিকা নিয়ে আক্রান্ত হলেও ‘তীব্রতা কম′: গবেষণা | সমাজ সংস্কৃতি | DW | 20.04.2021
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশ

টিকা নিয়ে আক্রান্ত হলেও ‘তীব্রতা কম': গবেষণা

করোনা টিকার প্রথম ডোজ নেওয়ার পর কেউ কেউ আক্রান্ত হলেও তাদের মধ্যে সংক্রমণের তীব্রতা কম বলে দাবি করেছেন সিভাসু-র গবেষক দল৷

প্রতীকী ছবি

প্রতীকী ছবি

চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি অ্যান্ড অ্যানিম্যাল সাইয়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ের (সিভাসু) উপাচার্য ও গবেষক দলের প্রধান অধ্যাপক গৌতম বুদ্ধ দাশ বাংলাদেশে ডয়চে ভেলের কন্টেন্ট পার্টনার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকার প্রথম ডোজের কার্যকারিতা বুঝতে সাত সদস্যের গবেষক দল গত ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৩ এপ্রিল পর্যন্ত চট্টগ্রামে প্রথম ডোজের টিকাগ্রহীতাদের স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়ে একটি গবেষণা চালান৷ তিনি বলেন, টিকার প্রথম ডোজ নেওয়ার পর আক্রান্ত ২০০ জনের মধ্যে ১৬৫ জনের মৃদু উপসর্গ ছিল এবং ১০ থেকে ১২ দিনের মধ্যে তাদের নমুনা পরীক্ষায় ‘নেগেটিভ' ফল এসেছে৷ তবে জাতীয় পর্যায়ে ব্যাপক ভিত্তিতে গবেষণা না হলে এ বিষয়ে সামগ্রিক চিত্র ফুটে উঠবে না বলে মন্তব্য করেন তিনি৷

গবেষণা দলের অন্য সদস্যরা হলেন সিভাসুর অধ্যাপক ড. শারমিন চৌধুরী ও ডা. ইফতেখার আহমেদ রানা, ভেটেরিনারি চিকিৎসক ত্রিদীপ দাশ, প্রনেশ দত্ত, মো. সিরাজুল ইসলাম ও তানভীর আহমদ নিজামী৷

এই গবেষণায় ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত সিভাসু ল্যাবে পরীক্ষা করা ছয় হাজার ১৪৬ জনের নমুনার মধ্যে কোভিড-১৯ শনাক্ত হওয়া এক হাজার ৭৫২ জনের তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়৷

তারা জানিয়েছেন, শনাক্ত হওয়াদের মধ্যে ২০০ জন গত ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৪ এপ্রিলের মধ্যে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকার প্রথম ডোজ নিয়েছিলেন৷ এদের মধ্যে করোনাভাইরাসের তেমন কোনো উপসর্গ বা শ্বাসকষ্ট তেমন ছিলনা৷ এদের মধ্যে বেশিরভাগকেই হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়নি, যারা হয়েছেন তাদের মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি দেখা যায়নি৷

‘বয়সের আধিক্য এবং কো-মরবিডিটির' কারণে বাকিদের শ্বাসকষ্ট এবং অতিরিক্ত অক্সিজেন সরবরাহের প্রয়োজন হয়েছে বলে গবেষকদের দাবি৷ ভ্যাকসিন নেওয়ার পরে আক্রান্ত হলেও স্বাস্থ্য ও মৃত্যু ঝুঁকি কম হবে বলে গবেষকদের মনে হয়েছে৷ তবে দ্বিতীয় ডোজের পর কী হতে পারে সে বিষয়েও তাদের গবেষণা চলমান থাকবে বলে জানান গৌতম বুদ্ধ দাশ৷

গবেষক দলের সদস্য সিভাসুর কোভিড-১৯ পরীক্ষাগারের ইনচার্জ অধ্যাপক শারমিন চৌধুরী বলেন, ‘‘আমরা দেখেছি যারা প্রথম ডোজ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে, তাদের বেশিরভাগকেই হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়নি৷ অর্থাৎ তাদের সিভিয়ারিটি অনেক কম ছিল এবং দ্রুত সুস্থ হয়েছে৷''

সিভাসুর গবেষণা বিষয়ে প্রায় একই মন্তব্য করেন চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের সিনিয়র কনসালটেন্ট আবদুর রব মাসুম৷

এনএস/কেএম (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়