টিকা ও করোনার প্রকল্পে বরাদ্দ বৃদ্ধি | বিষয় | DW | 05.01.2021
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশ

টিকা ও করোনার প্রকল্পে বরাদ্দ বৃদ্ধি

টিকা আমদানিসহ করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় পাঁচ হাজার ৬৫৯ কোটি টাকা বরাদ্দ বাড়িয়েছে বাংলাদেশ সরকার৷ এই সংক্রান্ত একটি প্রকল্পের মোট বরাদ্দের আকার বেড়ে হয়েছে ছয় হাজার ৭৮৬ কোটি ৫৯ লাখ টাকা৷

মঙ্গলবার ‘কোভিড-১৯ রেসপন্স অ্যান্ড প্যানডেমিক প্রিপেয়ার্ডনেস’ প্রকল্পটি সংশোধন করে অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি-একনেক৷ বাংলাদেশে ডয়চে ভেলের কনটেন্ট পার্টনার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম এমন তথ্য জানিয়েছে৷ প্রকল্পে টিকা কেনা, পরিবহন, সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা খরচ মিলিয়ে চার হাজার ২৩৬ কোটি ৪২ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। 

একনেক পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ‘‘গত এপ্রিল মাসে করোনাভাইরাস মোকাবিলায় জরুরি ভিত্তিতে ১ হাজার ১২৭ কোটি ৫২ লাখ টাকায় প্রকল্পটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল৷ আজকের বৈঠকে অতিরিক্ত ৫ হাজার ৬৫৯ কোটি টাকা বাড়িয়ে সংশোধন করা হল৷’’

অতিরিক্ত অর্থের মধ্যে বিশ্বব্যাংক ৫০ কোটি ডলার ও এশিয়ান ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক (এআইআইবি) ১০ কোটি ডলার দেবে৷ সরকার নিজস্ব তহবিল থেকে জোগান দেবে ১৭২ কোটি টাকা৷

বাংলাদেশে টিকা পেতে ৫ নভেম্বর ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটের সঙ্গে চুক্তি করেছে৷  অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও অ্যাস্ট্রাজেনেকা মিলে করোনা ভাইরাসের যে টিকা তৈরি করেছে, তার উৎপাদন ও বিপণনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে প্রতিষ্ঠানটি৷ চুক্তি অনুযায়ী তারা তিন কোটি ডোজ টিকা সরবরাহ করবে বাংলাদেশের বেক্সিমকোকে৷ এর মধ্যে বাংলাদেশ টিকাটিঅনুমোদন দেয়ার এক মাসের মধ্যে ৫০ লাখ ডোজের প্রথম চালানটি পাঠানোর কথা৷ সোমবার বাংলাদেশের ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর টিকার অনুমোদন দিলেও সেটি কবে নাগাদ পাওয়া যাবে তা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে৷ এ বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ‘‘বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ‘চুক্তি অনুযায়ী টিকা পাওয়া যাবে৷ আমরা আশা করছি এবং বিশ্বাস করি, ভ্যাকসিন আমরা পাবো৷’’

অনুমোদিত প্রকল্প অনুযায়ী, ১৮ বছরের বেশি বয়সী ১৩ কোটি ৭৬ লাখ মানুষকে টিকার আওতায় আনা হবে। 

এফএস/এসিবি (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)

সংশ্লিষ্ট বিষয়