টিউনিশিয়া, মরক্কো এবং আলজেরিয়াকে ‘নিরাপদ রাষ্ট্র′ ঘোষণা | বিশ্ব | DW | 19.07.2018
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

জার্মানি

টিউনিশিয়া, মরক্কো এবং আলজেরিয়াকে ‘নিরাপদ রাষ্ট্র' ঘোষণা

জর্জিয়াসহ ‘মাগরিব রাষ্ট্র' হিসেবে পরিচিত টিউনিশিয়া, মরক্কো এবং আলজেরিয়াকে নিরাপদ রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা করেছে জার্মান মন্ত্রিসভা৷ তবে অনুমোদিত বিলটি জার্মানির সংসদের উচ্চকক্ষে চূড়ান্ত অনুমতি পেলে তবেই সেটি আইনে পরিণত হবে৷

জার্মানির মন্ত্রিসভা বুধবার এক বিল পাস করেছে, যেখানে টিউনিশিয়া, মরক্কো, আলজেরিয়া এবং জর্জিয়াকে নিরাপদ রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে৷ গতবছরও অবশ্য মন্ত্রিসভা এ ধরনের এক বিল পাস করে, যা জার্মান সংসদে বাতিল হয়ে যায়৷ এ বছর যদি জার্মান সংসদের উভয়কক্ষেই এটি অনুমোদন পায়, তাহলে এই দেশগুলোর মানুষের করা রাজনৈতিক আশ্রয়ের সাধারণ আবেদনগুলো সহজেই বাতিল হয়ে যাবে৷ তখন শুধুমাত্র বিশেষ কোনো কারণে এসব দেশের মানুষ জার্মানিতে আশ্রয়ের আবেদন করতে পারবেন৷

কোনো দেশকে নিরাপদ ঘোষণা করার অর্থ হচ্ছে সে-দেশের মানুষদের জার্মানিতে আশ্রয় গ্রহণের বিশেষ কোনো কারণ নেই৷ অর্থাৎ, নিরাপদ ঘোষিত দেশটিতে স্বাভাবিকভাবে জীবনযাপনের ক্ষেত্রে কোনো বাধা নেই৷

প্রস্তাবিত বিলে জার্মান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হর্স্ট সেহোফার অবশ্য উল্লেখ করেছেন যে, এসব দেশ থেকে করা আবেদনের পাঁচ শতাংশেরও কম মঞ্জুর করা হয়৷ সেহোফার যে ‘মাইগ্রেশন মাস্টার প্ল্যানের' কথা সাম্প্রতিক সময়ে বলেছেন, এই বিল সেই পরিকল্পনার অংশ৷

Infografik Von Deutschland als sicher eingestufte Herkunftsländer EN

সংসদের উচ্চকক্ষে ভোটাভুটির অপেক্ষায় থাকা বিলটিতে এটাও উল্লেখ করা হয়েছে যে, বিলটি যদি অনুমোদন হয়, সেই অনুমোদনের দিন অবধি যেসব আশ্রয়প্রার্থী আশ্রয়ের আবেদন করেছেন এবং যাঁরা ইতোমধ্যে সাময়িকভাবে দেশটিতে অবস্থানের অনুমতি পেয়েছেন, তাঁরা যেসব কোর্স করছেন, সেগুলো চালিয়ে যেতে পারবেন৷ এমনকি যাঁরা ইতোমধ্যে কাজ করতে শুরু করেছেন, তাঁরাও সেটা চালিয়ে যেতে পারবেন৷

প্রসঙ্গত, জর্জিয়া ছাড়া অন্য তিন দেশকে নিরাপদ ঘোষণা সংক্রান্ত একটি বিল গত বছর জার্মান মন্তিসভায় অনুমোদন পেলেও সংসদের উচ্চকক্ষে বাতিল হয়ে যায়৷ মূলত জার্মানির যেসব রাজ্যের রাজ্য সরকারে সবুজ দল এবং বাম দলের অংশীদারিত্ব রয়েছে, সেসব রাজ্যের বাধার মুখে বিলটি গত বছর পাস হয়নি৷ এই দুই দলের দাবি হচ্ছে, এভাবে বিভিন্ন দেশকে ‘নিরাপদ' ঘোষণার মাধ্যমে সেসব দেশে সত্যিকার অর্থেই বিপদে থাকা মানুষদের রাজনৈতিক আশ্রয় পাওয়ার পথও দুরূহ করে দেয়া হচ্ছে৷

চলতি বছরও বিলটি সংসদের উচ্চকক্ষে পাস হওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ, কেননা এবারও অনেক রাজ্যে জোট সরকারে সবুজ দল রয়েছে৷ সেদলের সহ-নেতা রবার্ট হেবাক এই বিলের সমালোচনা করে গণমাধ্যমকে বলেন, ‘‘বিষয়টি যদি মাগরিব রাষ্ট্রগুলোর মানুষদের ফেরত পাঠানো হয়, তাহলে ফেরত পাঠানো সংক্রান্ত একটি কার্যকর চুক্তি করতে হবে৷ আর যদি বিষয়টি জার্মানিতে অপরাধ নিয়ন্ত্রণের হয়, তাহলে সেজন্য জার্মানিতে একটি সুসজ্জিত পুলিশ বাহিনী গড়তে হবে৷''

তিনি বলেন, ‘‘এটা অস্বীকার করার উপায় নেই যে, মাগরিব রাষ্ট্রগুলো সাংবাদিক, সংখ্যালঘু এবং সমকামীদের জন্য নিরাপদ নয়৷ তাঁরা এখনো সেসব দেশে নিপীড়ন এবং গ্রেপ্তারের ঝুঁকিতে আছেন৷''

এআই/এসিবি (কেএনএ, এএফপি, রয়টার্স)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

বিজ্ঞাপন