‘ঝুমন দাস দরিদ্র, সংখ্যালঘু ও সমর্থনহীন বলেই এখনো বন্দি’ | বিশ্ব | DW | 17.09.2021
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশ

‘ঝুমন দাস দরিদ্র, সংখ্যালঘু ও সমর্থনহীন বলেই এখনো বন্দি’

ডয়চে ভেলের ইউটিউব টকশোতে গণমাধ্যম ও সরকারের সম্পর্কের বিষয়ে বলতে গিয়ে এমনটাই বললেন সিনিয়র সাংবাদিক গোলাম মোর্তোজা৷

ডয়চে ভেলের সাপ্তাহিক ইউটিউব টকশো ‘খালেদ মুহিউদ্দীন জানতে চায়'-এর এবারের পর্বে অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ডিবিসির প্রধান সম্পাদক ও সিইও মঞ্জুরুল ইসলাম মঞ্জু এবং সিনিয়র সাংবাদিক গোলাম মোর্তোজা৷ আলোচনার বিষয় ছিল ‘তথ্যের রক্ষক ও ভক্ষক'৷

অনুষ্ঠানে প্রশ্ন ওঠে গোপন তথ্য ফাঁস করার ক্ষেত্রে সরকার গণমাধ্যমকে ব্যবহার করে কি না৷ লাইভ আলোচনায় উঠে আসে সাম্প্রতিক সময়ে ঘটা বেশ কিছু চাঞ্চল্যকর টেলিফোন কথোপকথন ফাঁস হবার ঘটনায় সংবাদমাধ্যমের তৎপরতার বিষয়টি৷ অনুষ্ঠানের শেষাংশে সঞ্চালক প্রশ্ন রাখেন কারাবন্দি ঝুমন দাসের জামিন না হওয়ার বিষয়ে৷ 

জবাবে গোলাম মোর্তোজা বলেন, ‘‘প্রথমত, ঝুমন দাস দরিদ্র, একজন সংখ্যালঘু বলে বর্তমানে বন্দি৷ তাছাড়া, তার পক্ষে দাঁড়ানোর মতো তেমন মানুষ নাই৷ এই কিছু দিন আগে পর্যন্তও কেউ ছিল না৷ গত কয়েক দিন ধরে তার পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন গণমাধ্যম ও আইনজীবী মহলের একাংশ৷''

একই বিষয়ে সাংবাদিক মঞ্জুরুল ইসলাম মঞ্জু জানান গণমাধ্যমের বিচারকার্যে সক্রিয়তা আনতে পারার ভূমিকার দিকটি৷ তিনি বলেন, ‘‘গণমাধ্যম ও আমাদের সমাজ বর্তমানে বিভক্ত হয়ে আছে৷ এখন সচেতন মানুষ সক্রিয় হলে তখন ঠিকই বিচার ত্বরান্বিত হয়৷ এবং গণমাধ্যম সজাগ আছে বলেই আমরা একটু হলেই এগোতে পারি৷ পরীমনির ঘটনায় গণমাধ্যম ও আইনজীবীদের একটি অংশ সক্রিয় হওয়াতেই তিনি বেরিয়ে এসেছেন৷''

অনুষ্ঠান শেষ হয় গোলাম মোর্তোজার কথায় যেখানে তিনি মনে করিয়ে দেন এই প্রবণতার একটি ঝুঁকির দিক৷ তিনি বলেন, ‘‘এই যে সমাজের একংশ বা গণমাধ্যম সক্রিয় না হলে বিচার এগোবে না, এটা কিন্তু একটা ভয়াবহ প্রবণতা৷ গণমাধ্যম সারাক্ষণ সজাগ থাকলেও সব বিষয়ে পেছনে লেগে থাকা সম্ভব নয় কারণ দেশে প্রতিনিয়ত এত ঘটনা ঘটছে৷ রাষ্ট্রীয় নীতি শক্ত না হলে আসলে কোনো কিছুই পরিবর্তন হবে না৷''

এসএস/এআই

সংশ্লিষ্ট বিষয়