1. কন্টেন্টে যান
  2. মূল মেন্যুতে যান
  3. আরো ডয়চে ভেলে সাইটে যান
ছবি: DW

‘ঝুমন দাস দরিদ্র, সংখ্যালঘু ও সমর্থনহীন বলেই এখনো বন্দি’

১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১

ডয়চে ভেলের ইউটিউব টকশোতে গণমাধ্যম ও সরকারের সম্পর্কের বিষয়ে বলতে গিয়ে এমনটাই বললেন সিনিয়র সাংবাদিক গোলাম মোর্তোজা৷

https://www.dw.com/bn/%E0%A6%9D%E0%A7%81%E0%A6%AE%E0%A6%A8-%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%B8-%E0%A6%A6%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%96%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%98%E0%A7%81-%E0%A6%93-%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A6%A8%E0%A6%B9%E0%A7%80%E0%A6%A8-%E0%A6%AC%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%87-%E0%A6%8F%E0%A6%96%E0%A6%A8%E0%A7%8B-%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A6%BF/a-59218079

ডয়চে ভেলের সাপ্তাহিক ইউটিউব টকশো ‘খালেদ মুহিউদ্দীন জানতে চায়'-এর এবারের পর্বে অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ডিবিসির প্রধান সম্পাদক ও সিইও মঞ্জুরুল ইসলাম মঞ্জু এবং সিনিয়র সাংবাদিক গোলাম মোর্তোজা৷ আলোচনার বিষয় ছিল ‘তথ্যের রক্ষক ও ভক্ষক'৷

অনুষ্ঠানে প্রশ্ন ওঠে গোপন তথ্য ফাঁস করার ক্ষেত্রে সরকার গণমাধ্যমকে ব্যবহার করে কি না৷ লাইভ আলোচনায় উঠে আসে সাম্প্রতিক সময়ে ঘটা বেশ কিছু চাঞ্চল্যকর টেলিফোন কথোপকথন ফাঁস হবার ঘটনায় সংবাদমাধ্যমের তৎপরতার বিষয়টি৷ অনুষ্ঠানের শেষাংশে সঞ্চালক প্রশ্ন রাখেন কারাবন্দি ঝুমন দাসের জামিন না হওয়ার বিষয়ে৷ 

জবাবে গোলাম মোর্তোজা বলেন, ‘‘প্রথমত, ঝুমন দাস দরিদ্র, একজন সংখ্যালঘু বলে বর্তমানে বন্দি৷ তাছাড়া, তার পক্ষে দাঁড়ানোর মতো তেমন মানুষ নাই৷ এই কিছু দিন আগে পর্যন্তও কেউ ছিল না৷ গত কয়েক দিন ধরে তার পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন গণমাধ্যম ও আইনজীবী মহলের একাংশ৷''

একই বিষয়ে সাংবাদিক মঞ্জুরুল ইসলাম মঞ্জু জানান গণমাধ্যমের বিচারকার্যে সক্রিয়তা আনতে পারার ভূমিকার দিকটি৷ তিনি বলেন, ‘‘গণমাধ্যম ও আমাদের সমাজ বর্তমানে বিভক্ত হয়ে আছে৷ এখন সচেতন মানুষ সক্রিয় হলে তখন ঠিকই বিচার ত্বরান্বিত হয়৷ এবং গণমাধ্যম সজাগ আছে বলেই আমরা একটু হলেই এগোতে পারি৷ পরীমনির ঘটনায় গণমাধ্যম ও আইনজীবীদের একটি অংশ সক্রিয় হওয়াতেই তিনি বেরিয়ে এসেছেন৷''

অনুষ্ঠান শেষ হয় গোলাম মোর্তোজার কথায় যেখানে তিনি মনে করিয়ে দেন এই প্রবণতার একটি ঝুঁকির দিক৷ তিনি বলেন, ‘‘এই যে সমাজের একংশ বা গণমাধ্যম সক্রিয় না হলে বিচার এগোবে না, এটা কিন্তু একটা ভয়াবহ প্রবণতা৷ গণমাধ্যম সারাক্ষণ সজাগ থাকলেও সব বিষয়ে পেছনে লেগে থাকা সম্ভব নয় কারণ দেশে প্রতিনিয়ত এত ঘটনা ঘটছে৷ রাষ্ট্রীয় নীতি শক্ত না হলে আসলে কোনো কিছুই পরিবর্তন হবে না৷''

এসএস/এআই

স্কিপ নেক্সট সেকশন ডয়চে ভেলের শীর্ষ সংবাদ

ডয়চে ভেলের শীর্ষ সংবাদ

Bangladesch Gewalt unter Studentengruppen

মাঠে লাঠি, কথায় লাঠি কোন দিকে যাচ্ছে রাজনীতি

স্কিপ নেক্সট সেকশন ডয়চে ভেলে থেকে আরো সংবাদ

ডয়চে ভেলে থেকে আরো সংবাদ

প্রথম পাতায় যান