জেল হত্যা মামলার আপিল শুনানি ১১ই ডিসেম্বর | বিশ্ব | DW | 04.11.2012
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

বিশ্ব

জেল হত্যা মামলার আপিল শুনানি ১১ই ডিসেম্বর

জেল হত্যা মামলার আপিল শুনানির দিন ঠিক হয়েছে ১১ই ডিসেম্বর৷ প্রধান বিচারপতি মো. মোজাম্মেল হোসেনের নেতৃত্বে সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ রোববার রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনে শুনানির দিন ঠিক করেন৷

High Court building in dhaka, bangladesh, Foto: Harun Ur Rashid Swapan/DW, eingepflegt: Januar 2011, Zulieferer: Mohammad Zahidul Haque

Dhaka Bangladesch 7 von 19

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আনিসুল হক আশা করেন এই বছরেই আপিল শুনানি শেষ হবে৷

১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট জাতির জনক বঙ্গন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার পর আটক করা হয় জাতীয় ৪ নেতা সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দিন আহমেদ, এম মনসুর আলী এবং এ এইচ এম কামরুজ্জামানকে৷ এরপর ৩রা নভেম্বর তাদের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের ভিতরে হত্যা করা হয়৷

এই ৪ নেতা হত্যা মামলায় ২০০৪ সালে জেলা দায়রা জজ আদালত ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড এবং ১২ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়৷ আর হাইকোর্ট ২০০৮ সালে শুধুমাত্র মোসলেম উদ্দিনের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখে৷ মৃত্যুদণ্ড পাওয়া আর ২ জন আসামি মারফত আলি শাহ এবং আবুল হাসেম মৃধাকে খালাস দেয়া হয়৷ এই পুরো রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করে রাষ্ট্রপক্ষ৷ মামলার সারসংক্ষেপ আপিল বিভাগে দাখিলের পর রোববার রাষ্ট্রপক্ষ আপিল শুনানির আবেদন জানায়৷ প্রধান বিচারপতি মো. মোজাম্মেল হোসেনের নেতৃত্বে আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ আগামী ১১ই ডিসেম্বর আপিল শুনানির দিন ধার্য করেন৷ যা জানান রাষ্ট্রপক্ষের প্রধান আইনজীবী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক৷

অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম জানান, তাদের আপিলের মূল বিষয় হল যে দু'জন আসামি মারফত আলি শাহ এবং আবুল হাসেম মৃধাকে খালাস দেয়া হয়েছে তাদের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা৷ তাদের ইতিমধ্যেই আত্মসমর্পণ করতে বলা হলেও তারা তা না করে পলাতক আছেন৷

রাষ্ট্রপক্ষের প্রধান আইনজীবী এবং অ্যাটর্নি জেনারেল দাবি করেন ২০০৮ সালে হাইকোর্ট প্রভাবিত হয়ে দুই জনের মৃত্যুদণ্ড বাতিল করে তাদের খালাস দেন৷ তারা বলেন স্বাক্ষ্য প্রমাণে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ৩রা নভেম্বর রাতে মোট ৪ জন লোক ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে প্রবেশ করে জাতীয় ৪ নেতাকে হত্যা করে৷ সেখানে বিস্ময়করভাবে মাত্র একজনের ফাঁসির দণ্ড বহাল রাখা হয়৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়