জেলে নৌকা মুক্ত করে সদিচ্ছার পরিচয় দিচ্ছে উত্তর কোরিয়া | বিশ্ব | DW | 27.10.2017
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

যুক্তরাষ্ট্র-উত্তর কোরিয়া

জেলে নৌকা মুক্ত করে সদিচ্ছার পরিচয় দিচ্ছে উত্তর কোরিয়া

উত্তর কোরিয়া ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বেড়ে চলা উত্তেজনায় যে কিছুটা রাশ টানা সম্ভব, এমনটা আশা করা না গেলেও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের এশিয়া সফরের আগে কূটনৈতিক তৎপরতা বাড়ছে৷

বেআইনিভাবে উত্তর কোরিয়ার জলসীমায় প্রবেশ করার অভিযোগে গত ২১শে অক্টোবর দক্ষিণ কোরিয়ার একটি জেলে নৌকা আটক করে উত্তর কোরিয়া৷ এবার উত্তর কোরিয়া তার ১০ জন আরোহীসহ জাহাজটিকে মুক্তি দিতে চলেছে বলে ঘোষণা করেছে৷ আরোহীদের মধ্যে ৩ জন ভিয়েতনামি নাগরিকও ছিলেন৷ উত্তর কোরিয়ার সরকারি সংবাদ সংস্থা কেসিএনএ জানিয়েছে, আরোহীরা নিজেদের ভুল স্বীকার করে ক্ষমা প্রার্থনা করায় তাদের মুক্তির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে৷ উল্লেখ্য, সাধারণত উত্তর কোরিয়ার জেলে নৌকা প্রায়ই জলসীমা পেরিয়ে দক্ষিণে প্রবেশ করে থাকে৷

এমন একটা সময়ে উত্তর কোরিয়া এই ঘোষণা করলো, যখন মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী জেমস ম্যাটিস উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়ার সীমান্ত পরিদর্শন করছেন৷ সেখানে গিয়েও অবশ্য সুর নরম করেননি তিনি৷ তাঁর মতে, জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ একযোগে সমালোচনা করা সত্ত্বেও উত্তর কোরিয়ার প্ররোচনা আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বিঘ্নিত করে চলেছে৷ মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেক্স টিলারসনকে উদ্ধৃত করে ম্যাটিস বলেন, অ্যামেরিকা মোটেই যুদ্ধ চাইছে না৷ কোরীয় উপদ্বীপকে সম্পূর্ণ পরমাণু অস্ত্রমুক্ত করাই ওয়াশিংটনের উদ্দেশ্য৷

আগামী সপ্তাহে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক সপ্তাহের এশিয়া সফর শুরু করছেন৷ তাঁর তর্জন-গর্জনের ফলে উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে সংকটের কূটনৈতিক সমাধানসূত্রের সম্ভাবনা বার বার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে৷ ম্যাটিস অবশ্য কূটনৈতিক উদ্যোগের উপর জোর দিচ্ছেন৷ তিনি তিন দিন ধরে ফিলিপাইন্সে আঞ্চলিক দেশগুলির প্রতিরক্ষামন্ত্রীদের সঙ্গে আলোচনা করেছেন৷ উল্লেখ্য, সিআইএ মনে করছে, আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই উত্তর কোরিয়া ক্ষেপণাস্ত্রের মাধ্যমে অ্যামেরিকায় পরমাণু অস্ত্র হামলা করার ক্ষমতা অর্জন করতে পারবে৷

এদিকে মার্কিন প্রশাসন বৃহস্পতিবারই মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে উত্তর কোরিয়ার আরও ৭ ব্যক্তির উপর নিষেধাজ্ঞার ঘোষণা করেছে৷ নানাভাবে সে দেশের উপর চাপ বাড়িয়ে চলেছে ওয়াশিংটন৷ তবে টিলারসন ও ম্যাটিস একই সঙ্গে জোরালো কূটনৈতিক উদ্যোগ চালিয়ে যাচ্ছেন৷ ট্রাম্প প্রকাশ্যে এমন উদ্যোগকে তাচ্ছিল্য করলেও এখনো পর্যন্ত কোনো বাধা সৃষ্টি করেননি৷

এসবি/এসিবি (রয়টার্স , ডিপিএ)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন