জেরুসালেম ‘বিক্রির জন্য নয়’, বলল ফিলিস্তিন | বিশ্ব | DW | 03.01.2018
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

ফিলিস্তিন

জেরুসালেম ‘বিক্রির জন্য নয়’, বলল ফিলিস্তিন

অর্থ সহায়তা বন্ধ করে দেয়ার হুমকি পাওয়ার পর ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসের কার্যালয় বলেছে, জেরুসালেম ‘বিক্রির জন্য নয়'৷ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই সহায়তা বন্ধের হুমকি দেন৷

এট টুইটে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘‘আমরা ফিলিস্তিনিদের বছরে শত শত মিলিয়ন ডলার দেই৷ কিন্তু বিনিময়ে কোনো সম্মান পাই না৷ ফিলিস্তিনিরা যেহেতু আর আলোচনায় বসতে আগ্রহী নয়, তাহলে কেন আমরা ভবিষ্যতে তাদের এত সহায়তা দেবো?''

এর আগে গতমাসে জেরুসালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি দেয়ার ঘোষণা দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট৷ এর প্রতিক্রিয়ায় ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস তখন বলেছিলেন, মধ্যপ্রাচ্য শান্তি প্রক্রিয়ায় যুক্তরাষ্ট্র আর কোনো ভূমিকা রাখতে পারবে না৷

ট্রাম্পের হুমকির প্রতিক্রিয়ায় ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্টের মুখপাত্র নাবিল আবু রুদাইনা এএফপিকে বলেন, ‘‘ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের চিরন্তন রাজধানী হলো জেরুসালেম এবং এটা সোনা কিংবা অর্থের বিনিময়ে বিক্রয়যোগ্য নয়৷''

তিনি বলেন, ‘‘আমরা আলোচনার টেবিলে ফিরে যাবার বিরোধী নই৷ কিন্তু তা হতে হবে আন্তর্জাতিক আইন ও নীতির ভিত্তিতে, যেখানে স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র ও পূর্ব জেরুসালেমকে ঐ রাষ্ট্রের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে৷''

উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্র সরকারের হিসেব অনুযায়ী, ২০১৬ সালে যুক্তরাষ্ট্র ফিলিস্তিনকে ৩১৯ মিলিয়ন ডলার সহায়তা দিয়েছিল৷

কিমকে নিয়ে তামাশা করলেন ট্রাম্প

উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন সোমবার নববর্ষের বক্তব্যে যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্ক করে দিয়ে বলেছিলেন, তাঁর টেবিলে ‘নিউক্লিয়ার বোতাম' আছে৷ উত্তর কোরিয়াকে হুমকি দিলে সেটি ব্যবহৃত হওয়ার জন্য প্রস্তুত বলেও জানান তিনি৷ তাঁর এই হুমকির জবাবে ডোনাল্ড ট্রাম্প এক টুইটে জানান, তাঁর টেবিলে আরও ‘বড় ও শক্তিশালী' নিউক্লিয়ার বোতাম আছে৷

হটলাইন চালু

কিম জং উন যে বক্তব্যে যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্ক করে দিয়েছিলেন সেই ভাষণেই দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে আলোচনার আগ্রহ দেখিয়েছিলেন৷ তাঁর এই আগ্রহের প্রেক্ষিতে দক্ষিণ কোরিয়া উত্তরের সঙ্গে আগামী মঙ্গলবার উচ্চ পর্যায়ের এক আলোচনার প্রস্তাব দেয়৷ আর সেদিন কী নিয়ে কথা হবে তা ঠিক করতে বন্ধ থাকা হটলাইন চালু করে তার মাধ্যমে আলোচনার প্রস্তাব দেয়৷ দক্ষিণ কোরিয়ার এই প্রস্তাবের পর কিম জং উন হটলাইন চালুর নির্দেশ দেন৷ তারপর আজ গ্রিনিচ মান সময় সাড়ে ছয়টায় হটলাইনটি চালু হয়৷ দুই দেশের সীমান্তে অবস্থিত সেনামুক্ত গ্রাম পানমুনজোমে থাকা এই হটলাইন থেকে উত্তর কোরিয়ার কর্মকর্তারা ফোন করেন বলে জানিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়ার একত্রীকরণ মন্ত্রণালয়৷ তবে সেই সময় কী নিয়ে কথা হয়েছে তা জানায়নি৷

হটলাইন চালু করার উত্তর কোরিয়ার সিদ্ধান্ত ‘গুরুত্বপূর্ণ অর্থ' বহন করে বলে মন্তব্য করেছেন দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্টের এক মুখপাত্র৷ তবে দুই কোরিয়ার মধ্যে অর্থপূর্ণ আলোচনা হবে কিনা তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্র৷

জেডএইচ/এসিবি (এএফপি, রয়টার্স)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন