জেরুসালেমকে ফিলিস্তিনের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি দিল ওআইসি | বিশ্ব | DW | 13.12.2017
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

মধ্যপ্রাচ্য

জেরুসালেমকে ফিলিস্তিনের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি দিল ওআইসি

পূর্ব জেরুসালেমকে ফিলিস্তিনের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি দিতে সম্মত হয়েছে মুসলিম বিশ্বের বৃহত্তম জোট অরগ্যানাইজেশন অফ ইসলামিক কো-অপারেশন৷ তুরস্কের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আনাদোলু এ তথ্য নিশ্চিত করেছে৷

সম্মেলনে আজকের বৈঠক শেষে এই সিদ্ধান্তে উপনীত হন ওআইসি’র দেশগুলো৷ এর আগে পূর্ব জেরুসালেমকে ফিলিস্তিনের রাজধানী হিসেবে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দিতে বিশ্বের মুসলিম রাষ্ট্রগুলোকে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট৷ মুসলিম বিশ্বের বৃহত্তম জোটের এই শীর্ষ সম্মেলনে সংস্থার বেশিরভাগ সদস্য দেশের রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানরা অংশ নিচ্ছেন৷ বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট আবদুল হামিদও এতে যোগ দিয়েছেন৷ 

ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস বলেছেন, ভবিষ্যতে মধ্যপ্রাচ্য শান্তি আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রের কোনো ভূমিকা থাকবে না৷ তিনি বলেন, তাঁর দেশের মানুষ শান্তি আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রের কোনো ভূমিকা থাকুক তা চায় না৷ অন্যদিকে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রেচেপ তাইয়েপ এর্দোয়ান আরব দেশের নেতাদের যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে কঠোর বার্তা দেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন৷ পাশাপাশি পূর্ব জেরুসালেমকে পিলিস্তিনের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি দেয়ার আহ্বান জানান তিনি৷

বলেন, ‘‘ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্তের ফলে ইসরায়েলকে তার সব ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বৈধতা দেয়া হবে৷ অর্থাৎ এতদিন ধরে দুর্নীতি, অবরোধ, অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ, বাড়িঘর গুড়িয়ে দেয়া, সহিংসতা, হত্যাসহ যেসব অপরাধ তারা করেছে, তার সব কিছুর বৈধতা পেয়ে যাবে৷''

৫৭টি দেশের জোটের সম্মেলনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ‘কঠোর বার্তা' দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন আয়োজক দেশ তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেভলুত চাভুসোগলু৷

মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে তিনি বলেছেন, কিছু আরব দেশ জেরুসালেম ইস্যুতে জোড়ালো ভাবে কোনো সাড়া দিচ্ছে না৷ তুরস্ক বলছে, ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্ত পুরো বিশ্বকে এমন এক সংঘাতপূর্ণ পরিস্থিতিতে ঠেলে দেবে, যেখান থেকে উদ্ধারের কোনো উপায় থাকবে না৷ ওআইসি-র এই জরুরি বৈঠকটি ডেকেছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রেচেপ তাইয়েপ এর্দোয়ান৷

ওআইসি-এর ঘোষণায় আসতে পারে – যে কোনো মুসলিম দেশকে জেরুসালেম ইস্যুতে আপোস করা চলবে না৷ ইসরায়েলিদের জেরুসালেম নিয়ে এমন কূটকৌশল ব্যর্থ করতে মুসলিম বিশ্বের আন্তরিক চাপ অব্যাহত রাখতে হবে৷ জেরুসালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী ঘোষণা এবং এ সংক্রান্ত সব ধরনের সিদ্ধান্তের কঠোর বিরোধিতা করতে হবে মুসলিম দেশগুলোকে৷

এছাড়া ফিলিস্তিনিদের স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার ন্যায্য আন্দোলনকে সফল করতে এবং দখলদার ইসরাইলকে শায়েস্তা করতে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও শক্তিশালী সামরিক জোট গড়ারও সিদ্ধান্ত আসতে পারে এই বৈঠক থেকে৷

নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি পালন করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত ৬ নভেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেন যে, ইসরায়েলে মার্কিন দূতাবাস তেল আভিভ থেকে জেরুসালেমে স্থানান্তরিত করা হবে৷ এরপরই পুরো মুসলিম বিশ্ব ক্ষোভে ফেটে পড়ে৷

এপিবি/ডিজি (এপি, এএফপি, রয়টার্স)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন