জার্মান হ্যাকারের স্বীকারোক্তি | বিশ্ব | DW | 08.01.2019
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

জার্মানি

জার্মান হ্যাকারের স্বীকারোক্তি

২০ বছর বয়সি এক জার্মান হ্যাকার রাজনীতিবিদদের অ্যাকাউন্ট হ্যাকিংয়ে জড়িত থাকার ঘটনা স্বীকার করেছেন৷ জার্মান পুলিশকে তিনি জানান, বিরক্তি থেকে এ কাজ করেছেন৷ পুলিশ তাঁর নাম প্রকাশ করেনি৷

ফ্রাঙ্কফুর্ট প্রশাসনের ইন্টারনেট অপরাধ বিষয়ক কার্যালয়ের মুখপাত্র জর্জ উনগেফুক মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে এ তথ্য প্রকাশ করেন৷ তিনি বলেন, সেই হ্যাকার তাঁর বাবা-মায়ের সঙ্গে হেসে প্রদেশে বসবাস করেন৷ পুলিশ তাকে  ছেড়ে দিয়েছে৷ উনগেফুক জানান, তাকে রিমান্ডে নেওয়ার প্রয়োজন পড়েনি৷ নিজে থেকেই সব তথ্য জানিয়েছেন৷

তিনি বলেন, শুধুমাত্র বিখ্যাতদের মন্তব্যে বিরক্ত হয়েই এমনটি করেছেন বলে সেই তরুণ দাবি করেছেন৷ পুলিশ ইতোমধ্যে তার কম্পিটার ও হার্ডডিস্ক জব্দ করেছে৷

যেসব রাজনীতিবিদের ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁস হয়েছে, তাঁদের মধ্যে জার্মান চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেল, প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্ক ভাল্টার স্টাইনমায়ার অন্যতম৷ হ্যাকিংয়ের তালিকায় প্রায় ১ হাজার রাজনীতিক, সাংবাদিকও ছিলেন৷  

উত্তর স্টুটগার্টের হেইলব্রন শহরের ১৯ বছর বয়সি এক তরুণের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ এই হ্যাকারকে খুঁজে পায়৷ সেই তরুণের  টুইটার অ্যাকাউন্টে হ্যাক হওয়া  বেশ কিছু তথ্য পাওয়া গেলে পুলিশ তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকে৷  জিজ্ঞাসাবাদে তিনি জানান,  এসব তথ্য তাকে ঐ হ্যাকার দিয়েছিল৷ তথ্যগুলো প্রকাশ হওয়ার পরই হ্যাকার তাঁকে কম্পিউটার নষ্ট করে ফেলার কথাও বলেন৷ প্রথমে পুলিশ এই তরুণকেই হ্যাকার বলে সন্দেহ করেছিল৷

এইসব রাজনীতিক, সাংবাদিকদের ফোন নম্বর, বাড়ির ঠিকানা, ফোনবুকে থাকা নম্বর, বিলের কপি, আইডেন্টি কার্ডের মতো তথ্য অনলাইনে প্রকাশ করে হ্যাকার৷

উনগেফুক জানান, অভিযুক্ত তরুণ পালাবে এমন আশঙ্কা নেই৷ এই ঘটনার জন্য সে অনুতপ্ত৷ বয়স কম হিসেবে তার বিচার জার্মান কিশোর আইনের অধীনে হবে৷

পুলিশের মুখপাত্র জানান, সেই তরুণ নিজে স্বীকারোক্তি দিলেও তার আসল উদ্দেশ্য তদন্ত করে দেখা হচ্ছে৷ আদৌ কোনো অপরাধমূলক পরিকল্পনা বা রাজনৈতিক প্রভাবে এই হ্যাকিং করেছে কিনা সেটিই মূল বিবেচনায় রাখা হয়েছে৷

উনগেফুক আরো জানান, তার বাসা থেকে কম্পিউটার উদ্ধারের আগে সে কিছু তথ্য মুছে দিয়েছে৷ তবে আইটি বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, সেগুলো উদ্ধার করা সম্ভব হবে৷ তবে পুলিশ হ্যাকারের সঙ্গে আর কেউ জড়িত ছিল কিনা তা জানার চেষ্টা করছে৷

উল্লেখ্য, গত ডিসেম্বর মাসে হ্যাক হওয়া এইসব ডাটা অরবিট নামে একটি টুইটার অ্যাকাউন্ট থেকে  প্রথম প্রকাশিত হয়৷ পরে গত সপ্তাহে অসংখ্য তথ্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে৷

জেফারসন চেজ/এফএ/এসিবি (এএফপি, এপিই)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

বিজ্ঞাপন