জার্মান সামরিক বাহিনীর এই অবস্থা! | বিশ্ব | DW | 23.02.2018
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

জার্মানি

জার্মান সামরিক বাহিনীর এই অবস্থা!

শীতল যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর থেকে প্রতিবছর জার্মান সামরিক বাহিনীর বাজেট কমেছে৷ ফলে বাধ্য হয়ে পুরনো যন্ত্রপাতি ব্যবহার করছেন সেনারা৷ এমনও হয়েছে যে, একসঙ্গে সব বিমান ওয়ার্কশপে থাকায় প্রশিক্ষণ নিতে পারেননি বৈমানিকরা৷

জার্মান সংসদের সামরিক বাহিনী বিষয়ক কমিশনার হান্স-পেটার-বার্টেলসের তৈরি সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে৷

রিপোর্টে জানানো হয়, ২০১৭ সালের শেষের দিকে একসঙ্গে জার্মানির সব সাবমেরিন সংস্কারের জন্য ড্রাইডকে রাখা ছিল৷ এছাড়া, গত কয়েকমাসের মধ্যে এমনও সময় গেছে যখন বিমানবাহিনীর কাছে থাকা ১৪টি এ৪০০এম পরিবহণ বিমানের একটিও ওড়ার মতো অবস্থায় ছিল না৷ রক্ষণাবেক্ষণের জন্য প্রশিক্ষণ বিমানগুলো বছরের বেশিরভাগ সময় ওয়ার্কশপে থাকায় বৈমানিকরা প্রশিক্ষণের সুযোগ পাননি বলেও প্রতিবেদনে বলা হয়েছে৷

যন্ত্রাংশ ও সঠিক পরিকল্পনার অভাবে গতবছর ফাইটার প্লেন, ট্যাঙ্ক, হেলিকপ্টার, জাহাজগুলোর অবস্থাও ভালো ছিল না বলে বার্টেলসের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়৷ প্রায় ২১ হাজার অফিসার ও নন-কমিশন্ড অফিসারের পদ শূন্য থাকায় সেনারা নেতৃত্বের অভাববোধ করছেন বলে জানান বার্টেলস৷

উল্লেখ্য, জার্মান সংসদের সামরিক বাহিনী বিষয়ক কমিশনার প্রতিবছরই সামরিক বাহিনীর অবস্থা নিয়ে এরকম প্রতিবেদন প্রকাশ করে থাকেন৷

বার্টেলস বলেন, চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেলের সরকার গতবছর জার্মান সামরিক বাহিনীর আকার বাড়ানো ও আগামী সাত বছর ধরে বাজেট বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছিলেন৷ কিন্তু তখন থেকে বাজেট ‘বলার মতো বাড়েনি' বলে জানান তিনি৷

উল্লেখ্য, ন্যাটোর সদস্য জার্মানি সামরিক খাতে ব্যয় না বাড়ানোয় প্রায়ই সমালোচনার মুখে পড়ে৷ বিশেষ করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কয়েকবারই বিষয়টি তুলে ধরেছেন৷ নিয়ম অনুযায়ী, ন্যাটো সদস্যদের তাদের জিডিপির দুই শতাংশ সামরিক খাতে ব্যয় করার কথা৷ কিন্তু জার্মানি বর্তমানে করছে মাত্র ১ দশমিক ২ শতাংশ৷

বার্টেলসের প্রতিবেদনের আগে জার্মান গণমাধ্যমে প্রকাশিত অন্যান্য প্রতিবেদনেও সামরিক বাহিনীর দুরবস্থার বিষয়টি উঠে এসেছে৷ এতে বলা হয়, আগামী বছর জার্মানির যে ইউনিট ন্যাটোর দায়িত্ব পালন করবে, তাদের পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ভেস্ট, শীতের পোশাক ও তাঁবুর অভাব রয়েছে৷

জেডএইচ/এসিবি (এএফপি, ডিপিএ)

নির্বাচিত প্রতিবেদন