জার্মান বিমানবন্দরগুলো ধর্মঘটে অচল | সমাজ সংস্কৃতি | DW | 15.01.2019
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

জার্মানি

জার্মান বিমানবন্দরগুলো ধর্মঘটে অচল

মজুরি বাড়ানোর দাবিতে জার্মানির বেশ কয়েকটি বিমানবন্দরের নিরাপত্তা কর্মীরা ধর্মঘট পালন করছেন৷ ফলে বিমানবন্দরগুলোতে অচলাবস্থা সৃষ্টি হয়েছে৷ কয়েক হাজার ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে৷ এতে প্রায় আড়াই লাখ যাত্রী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন৷

ঘণ্টাপ্রতি মজুরি ১৭ ইউরো থেকে বাড়িয়ে ২০ ইউরো করার দাবিতে সোমবার স্থানীয় সময় রাত ২টা থেকে ধর্মঘটে যায় ফ্রাঙ্কফুর্ট, বার্লিন, মিউনিখ, স্টুটগার্ট, হানোফার, ব্রেমেন, হামবুর্গ, ড্রেসডেন, লাইপসিশ, এরফোর্ট ও ডর্টমুন্ড বিমানবন্দরের নিরাপত্তা কর্মীরা৷ দাবি আদায়ের জন্য পরবর্তী ১৮ ঘন্টা ধর্মঘট চালিয়ে যাবেন তাঁরা৷ অর্থাৎ মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ধর্মঘট চলবে৷ ডিবিবি ও ভ্যারডি নামে দুটি ট্রেড ইউনয়নের সদস্যরা এ ধর্মঘট চালিয়ে যাচ্ছে৷ ভ্যারডি'র পরিচালনা পর্ষদের সদস্য উটে কিট্টেল বলেন, নিরাপত্তা কর্মীদের বেতন বাড়ানোর বিষয়ে মালিকপক্ষের কোনো ইচ্ছাই দেখা যাচ্ছে না৷ আর এ কারণে ধর্মঘট পালন করা প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি৷ জার্মান বিমানবন্দর অ্যাসোসিয়েশন আশঙ্কা করছে যে, নিরাপত্তা কর্মীদের এ ধর্মঘটের কারণে জার্মানির বিমান চলাচল ব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়বে৷

ধর্মঘটের কারণে ফ্রাঙ্কফুর্ট বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ প্রায় ১২'শ ফ্লাইট বাতিল করেছে৷ তবে মিউনিখ বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, যদিও শ্রমিকদের একটি অংশ ধর্মঘট পালন করছে, তবু তারা আরেকটি সংগঠনের নিরাপত্তা কর্মীদের মাধ্যমে কাজ চালিয়ে নেয়ার চেষ্টা করছে৷ ঘণ্টাপ্রতি মজুরি প্রায় ১৮ শতাংশ বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন নিরাপত্তাকর্মীরা৷ তবে মালিকপক্ষ দুই থেকে আট শতাংশ মজুরি বাড়াতে রাজি৷ আগামী ২৩ জানুয়ারি নিরাপত্তাকর্মী ও মালিক পক্ষের মধ্যে আবারো আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে৷

দাবি আদায়ের উদ্দেশ্যে নিরাপত্তা কর্মীরা গত সপ্তাহেও ধর্মঘট পালন করেছেন৷ গত বৃহস্পতিবার ড্যুসেলডর্ফ, কোলন/বন ও স্টুটগার্ট বিমানবন্দরে ধর্মঘট পালন করেছে তারা৷ ধর্মঘটের কারণে এ বিমানবন্দরগুলোতে  প্রায় ৬৪০টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছিল৷ তার আগে গত ৭ জানুয়ারি বার্লিনের দুটি বিমানবন্দরে প্রথমবারের মতো ধর্মঘট করেছিলেন সেখানকার নিরাপত্তাকর্মীরা৷ অল্প পরিসরে ঐ ধর্মঘটের কারণে ৫০টির মতো ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছিল৷

আরআর/এসিবি (এএফপি, রয়টার্স, ডিপিএ)

 

নির্বাচিত প্রতিবেদন

বিজ্ঞাপন