জার্মান অভিবাসন সংস্থার প্রধান হচ্ছেন ‘দুর্ধর্ষ কুকুর’? | বিশ্ব | DW | 18.06.2018
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

জার্মানি

জার্মান অভিবাসন সংস্থার প্রধান হচ্ছেন ‘দুর্ধর্ষ কুকুর’?

জার্মানির কেন্দ্রীয় অভিবাসন ও শরণার্থী সংস্থা, বিএএমএফ বা বাম্ফ-এর প্রধান হিসেবে আশ্রয়প্রার্থীদের বিরুদ্ধে কঠোর মনোভাব দেখান, এমন এক ব্যক্তিকে নিয়োগ দেয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে৷ শুক্রবার ঐ সংস্থার প্রধানকে বরখাস্ত করা হয়৷

সম্প্রতি বাম্ফ-এর ব্রেমেন শাখার কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ঘুসের বিনিময়ে শরণার্থীদের আশ্রয়ের আবেদন অনুমোদনের অভিযোগ ওঠে৷ সংস্থাটি ঘুস নিয়ে ২০১৩ থেকে ২০১৬ সালের মধ্যে প্রায় ১,২০০ জনের আবেদন অনুমোদন করে বলে অভিযোগ৷ অবশ্য পরে এক তদন্তে দেখা গেছে, অনুমোদন দেয়ার সংখ্যাটি প্রথমে যত বলা হয়েছিল, প্রকৃত সংখ্যা তার চেয়ে কম৷

তবে অভিযোগ ওঠায় শুক্রবার বাম্ফ এর প্রধান ইউটা কর্ড্টকে বরখাস্ত করা হয়৷ তাঁর জায়গায় বাভেরিয়া রাজ্যের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে কাজ করা এক ব্যক্তিকে নিয়োগ দেয়া হচ্ছে বলে রবিবার জানায় জার্মান সংবাদ সংস্থা ডিপিএ ও ফোকুস অনলাইন৷ সরকারি সূত্রের বরাত দিয়ে তারা জানায়, সংশ্লিষ্ট ঐ ব্যক্তির নাম হান্স-একহার্ড জমার৷ তিনি বর্তমানে বাভেরিয়া রাজ্যের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বিদেশি ও আশ্রয় আইন নিয়ে কাজ করছেন৷ আশ্রয়প্রার্থীদের প্রতি তাঁর কঠোর মনোভাবের কারণে সরকারি মহলে তিনি ‘দুর্ধর্ষ কুকুর’ বলে পরিচিত৷ আবেদন করা শরণার্থী কোনো জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে জড়িত কিনা, তা কঠোরভাবে তদন্ত করে দেখার পক্ষে তিনি৷ তাছাড়া যাদের আবেদন প্রত্যাখ্যাত হয়েছে, তাদের দ্রুত দেশে ফেরত পাঠাতে চান জমার৷

অবশ্য জার্মানির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তাঁর নিয়োগের খবরে মন্তব্য করতে রাজি হয়নি৷

উল্লেখ্য, জার্মান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হর্স্ট সেহোফারের সঙ্গে জমারের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে৷ আর সেহোফারের দল সিএসইউ হচ্ছে বাভারিয়া রাজ্যে জার্মান চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেলের দল সিডিইউর জোটসঙ্গী৷

শরণার্থী সংকট নিয়ে বর্তমানে সেহোফারের সঙ্গে ম্যার্কেলের সংকট চলছে৷ কারণ, সেহোফার শরণার্থী নীতি আরও কড়া করতে চান৷ অন্য কোনো দেশে শরণার্থীরা নিজেদের নথিভুক্ত করলে জার্মানির সীমান্ত থেকে তাদের বিদায় করতে চান তিনি৷ আগামী অক্টোবর মাসে বাভেরিয়ায় রাজ্য নির্বাচনের আগে ভোটারদের মন জয় করতে সেহোফার এমন চরম মনোভাব দেখাচ্ছেন বলে সমালোচনাও হচ্ছে৷

জেডএইচ/এসিবি (ডিপিএ, এএফপি, কেএনএ, ইপিডি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়