জার্মানি ঘুরে দাঁড়ালেও কাহিল ইউরোপ | জার্মানি ইউরোপ | DW | 24.07.2013
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

জার্মানি ইউরোপ

জার্মানি ঘুরে দাঁড়ালেও কাহিল ইউরোপ

ইউরো এলাকায় সংস্কারের সামান্য সুফল দেখা গেলেও মন্দা ও চরম বেকারত্বের সমস্যা কমছে না৷ জি টোয়েন্টি স্তরেও অর্থনীতিরে চাঙ্গা করার উপর জোর দেওয়া হচ্ছে৷

ইউরো এলাকার দেশগুলির সার্বিক গড় ঋণভার রেকর্ড মাত্রা ছুঁয়েছে৷ অর্থাৎ ব্যয় সংকোচ ও সংস্কার কর্মসূচির সুফল এখনো দেখা যাচ্ছে না৷ তার উপর সরকারি ব্যয় কমে চলায় মন্দা কাটিয়ে অর্থনীতিও ঘুরে দাঁড়াতে পারছে না৷ তবে গ্রিসের ঋণভার দ্রুত কমে চলেছে৷ এমনকি আগামী বছরই সে দেশ সামান্য হলেও প্রবৃদ্ধির পথে ফিরবে বলে পূর্বাভাষ শোনা যাচ্ছে৷

এই অবস্থায় অবশ্যই ব্যয় সংকোচ ও অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে সরকারি হস্তক্ষেপ – এই দুই মডেলের সংঘাত আরও তীব্র হচ্ছে৷ মূলত জার্মানির চাপেই ইউরো এলাকায় ব্যয় সংকোচ ও সংস্কারের উপর বেশি জোর দেওয়া হচ্ছে৷ তবে এই নীতির বিরুদ্ধে ক্ষোভের মাত্রা কম নয়৷ সপ্তাহান্তে জি টোয়েন্টি অর্থমন্ত্রীদের সম্মেলনে ব্যয় সংকোচের বদলে অর্থনীতিকে চাঙ্গা করে কর্মসংস্থান বাড়ানোর উপর জোর দেওয়া হয়েছে৷ এমনকি তার ফলে বাজেট ঘাটতি সাময়িকভাবে বাড়লেও ক্ষতি নেই, বলেছেন জার্মানি সহ বিশ্বের ২০টি প্রথম সারির দেশের প্রতিনিধিরা৷ এর আগে এই প্রশ্নে এমন মতৈক্য দেখা যায়নি৷ সেপ্টেম্বর মাসে জি টোয়েন্টি শীর্ষ সম্মেলনে এই প্রশ্নে কতটা অগ্রগতি হয়, তা দেখার জন্য অপেক্ষা করতে হবে৷

যে দেশ বহুকাল ধরে ব্যয় সংকোচ ও সংস্কারের মাধ্যমে নিজেদের ঘর গুছিয়ে আরও শক্তিশালী হয়ে উঠেছে, সেই জার্মানিকে ঘিরে অবশ্যই আশা বাড়ছে৷ সে দেশের অর্থনীতি সামগ্রিকভাবে এখনো উচ্চ প্রবৃদ্ধির পথে যেতে না পারলেও অদূর ভবিষ্যত সম্পর্কে আশার আলো বাড়ছে৷ কর বাবদ আয় রেকর্ড মাত্রায় বেড়ে গেছে৷ বিশেষ করে যে অঙ্কের আয়কর জমা পড়েছে, তাতে বোঝা যাচ্ছে যে সাধারণ করদাতারা বেশ ভালোই আছেন৷ তাছাড়া বছরের শুরুর তুলনায় পরিস্থিতির উন্নতি দেখা যাচ্ছে৷ এমনকি ইউরোপের কিছু মহল চাইছে, ইউরো সংকট কাটাতে জার্মানির জনগণকেই সরাসরি সংকটগ্রস্ত দেশগুলিতে বিনিয়োগের সুযোগ দেওয়া হোক৷ সে ক্ষেত্রে গ্রিসের মতো দেশের অর্থনীতিও চাঙ্গা হবে, বিনিয়োগকারীদের লাভের মাত্রাও বাড়বে৷

ইউরোপীয় অর্থনীতি সম্পর্কে কোনো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রকাশিত না হওয়ায় সোমবার ইউরোপের পুঁজিবাজার সরাসরি প্রতিক্রিয়া দেখাতে পারে নি৷ ফিলিপস-এর মতো কয়েকটি বেসরকারি সংস্থার ভালো ফলের কারণে সোমবার পুঁজিবাজার বেশ চাঙ্গা হয়ে উঠেছিল বটে, কিন্তু পরে কিছুটা দরপতন ঘটে৷

এসবি/ডিজি (রয়টার্স, ডিপিএ, এএফপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন