জার্মানির হামবাখ বনে সাংবাদিকের মৃত্যু | বিশ্ব | DW | 20.09.2018
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

জার্মানি

জার্মানির হামবাখ বনে সাংবাদিকের মৃত্যু

পরিবেশবাদী আন্দোলনকারীদের সরাতে কয়েকদিন ধরেই জার্মানির হামবাখ বনে অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ৷ কিন্তু সাংবাদিকের মৃত্যুর সময় সেখানে কোনো অভিযান চলছিল না বলে জানিয়েছে পুলিশ৷

দীর্ঘ ছয় বছর ধরে বন কেটে কয়লা খনি সম্প্রসারণের চিন্তার বিরুদ্ধে আন্দোলনের অংশ হিসেবে হামবাখ বনে ট্রি হাউজ বানিয়ে বাস করছেন কিছু আন্দোলনকারী৷

তাঁদের সরাতেই বনটিতে কয়েকদিন ধরে অভিযানে ছিল পুলিশ৷ নিহত সাংবাদিক সে বনে সংবাদ সংগ্রহে গিয়েছিলেন৷

একসময় দুটি ট্রি হাউজের মধ্যে যাতায়াতের জন্য বানানো সেতু ভেঙে প্রায় ১৪ নিটার উঁচু থেকে পড়ে যান তিনি৷ গুরুতর আহত অবস্থায় সেখান থেকে হেলিকপ্টারে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও তাঁকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি৷

সাংবাদিকের পরিচয় এবং কোন প্রতিষ্ঠানের হয়ে তিনি কাজ করতেন, তা এখনো প্রকাশ করা হয়নি৷

এ ঘটনাকে দুঃখজনক বলে উল্লেখ করলেও এর সাথে অভিযানের কোনো সম্পর্ক নেই বলে জানিয়েছে পুলিশ৷ যখন ঘটনাটি ঘটে, সেসময় সেখানে কোনো অভিযান চলছিল না বলেও দাবি করেছে আখেন শহরের পুলিশ৷

পরে নর্থ রাইন-ওয়েস্টফালিয়া রাজ্যের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হেরবেট রয়েল জানান, বন এলাকায় সাময়িকভাবে অভিযান স্থগিত রাখা হয়েছে৷

সাত দিনের অভিযানে ৫০টি ট্রি হাউজের ৩৯টি সরিয়ে ফেলা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ৷

দীর্ঘদিন ধরে হামবাখ বনের কয়লাখনি নিয়ে বিতর্ক চললেও গত সপ্তাহে পুলিশের অভিযান শুরু হলে পরিস্থিতির দ্রুত অবনতি ঘটে৷ বনে ছয় বছর ধরে থাকা ট্রি হাউজগুলো অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে বলে দাবি কর্তৃপক্ষের৷

এই বনের মালিক জার্মান এনার্জি কোম্পানি আরডব্লিউই৷ অক্টোবরেই পাশে অবস্থিত ইউরোপের সবচেয়ে বড় উন্মুক্ত কয়লা খনি সম্প্রসারণে বনের গাছ কাটা শুরুর কথা প্রতিষ্ঠানটির৷

বিরোধীরা অবশ্য বরাবরই অভিযোগ করে আসছেন যে, মানুষ এবং পরিবেশের চেয়ে নিজেদের লাভের দিকেই বেশি নজর প্রতিষ্ঠানটির৷ জার্মানিতে কয়লাভিত্তিক জ্বালানি সম্পূর্ণ বন্ধ করার আন্দোলনও চলছে দীর্ঘদিন ধরে৷

এডিকে/এসিবি (এএফপি, রয়টার্স)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন