জার্মানির সমালোচনায় ইরাক | বিশ্ব | DW | 14.06.2018
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

জার্মানির সমালোচনায় ইরাক

ইরাকের স্বশাসিত কুর্দিস্থান থেকে জার্মান এক তরুণীর সম্ভাব্য হত্যাকারীকে ধরে নিয়ে যাওয়ায় জার্মানির সমালোচনা করেছে বাগদাদ৷ তবে জার্মান আইনজীবীরা বলছেন, নিয়ম মেনেই সবকিছু করা হয়েছে৷

জার্মানির ভিসবাডেন শহরের এক শিবিরে থাকতেন ইরাকের ২০ বছর বয়সি তরুণ আলী বি. ও তার পরিবার৷ আশ্রয়ের আবেদন প্রত্যাখ্যাত হওয়ার পর তারা সম্প্রতি ইরাকে ফিরে যান৷ কিন্তু তার আগে আলী বি. জার্মানির সুজানা নামে ১৪ বছরের এক তরুণীকে ধর্ষণ ও হত্যা করেন বলে অভিযোগ রয়েছে৷

গত মাসের ২২ তারিখ থেকে সুজানার খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না৷ এরপর এক সপ্তাহেরও বেশি সময় পর সুজানার মরদেহ খুঁজে পাওয়া যায়৷ আলী বি. যে শরণার্থী শিবিরে থাকতেন তার কাছেই সুজানার দেহ পাওয়া গেছে৷

সন্দেহভাজন একজন হত্যাকারীর জার্মানি থেকে পালিয়ে যেতে সমর্থ হওয়ার খবরে জার্মানিতে সমালোচনা তৈরি হয়৷ বিশেষ করে অভিবাসনবিরোধী চরম ডানপন্থি দল এএফডি বিষয়টির কড়া সমালোচনা করেছিল৷

এই অবস্থায় জার্মান কেন্দ্রীয় পুলিশের একটি দল সম্প্রতি কুর্দিস্থানে গিয়ে আলী বি.কে আটক করে জার্মানিতে নিয়ে আসে৷

এই খবর জানার পর ইরাক সরকার জার্মানি ও কুর্দি সরকারের সমালোচনা করেছে৷ কারণ, জার্মানি ও ইরাকের মধ্যে কোনো প্রত্যাবর্তন চুক্তি নেই৷ বাগদাদ জার্মানির প্রত্যাবর্তনের আবেদন বিবেচনার আগেই, বার্লিন কুর্দি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে চুক্তি করায় জার্মানির সমালোচনা করেছে ইরাক৷

তবে জার্মানির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে৷ তবে তারা ইরাকি কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে অভিযোগ সংক্রান্ত ‘কোনো সরকারি নোটিশ এখনও পাননি' বলে জানিয়েছেন৷

এদিকে, ভিসবাডেনের সরকারি কৌঁসুলিরা জানিয়েছেন, জার্মানির নিরাপত্তা বাহিনী কোনো আইন বা চুক্তি ভঙ্গ করেনি৷ এক্ষেত্রে তাঁরা জার্মানির কেন্দ্রীয় পুলিশ আইনের কয়েকটি ধারা উল্লেখ করেন৷

ভিসবাডেনে শরণার্থী শিবিরে থাকার সময় আলী বি. মাদক ব্যবসায়ী ছিলেন বলে ‘ডের স্পিগেল' ম্যাগাজিনকে জানিয়েছেন তার পরিচিতরা৷

এলিজাবেথ শ্যুমাখার/জেডএইচ

 

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন