জার্মানির শিশু যৌন নিপীড়নের মূল হোতার বিচার শুরু | সমাজ সংস্কৃতি | DW | 09.08.2020
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

জার্মানি

জার্মানির শিশু যৌন নিপীড়নের মূল হোতার বিচার শুরু

জার্মানির কোলন শহরের এক বাসিন্দার বাড়িতে অভিযান চালিয়ে শিশু যৌন নিপীড়নের বড় একটি নেটওয়ার্কের সন্ধান পায় পুলিশ৷ যার তদন্ত এখনও চলছে৷ তবে ঘটনার সূত্রপাত যাকে গ্রেপ্তারের মাধ্যমে দীর্ঘ তদন্তের পর তার বিচার শুরু হয়েছে৷

৪৩ বছয় বয়সী সেই ব্যক্তির বাড়িতে পাওয়া গেল অসংখ্য শিশু পর্নোগ্রাফি ফিল্ম এবং ছবি৷ সেই সূত্র ধরেই জার্মানির ইতিহাসে শিশু যৌন নিপীড়নের সংগঠিত অপরাধ চক্রের বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড় তদন্তটি চলছে৷

ইয়র্গ এল পেশায় ছিলেন একজন রাঁধুনি ও হোটেল ম্যানেজার৷ তার বিরুদ্ধে বড় অভিযোগ তিনি নিজের কন্যার উপর একের পর এক যৌন নিপীড়ন চালিয়েছেন৷ ২০১৭ সালে জন্ম নেয়া শিশুটির বয়স তখন ছিল মাত্র দুই বছর৷ নিপীড়নের এইসব দৃশ্য তিনি ধারণ করে পরে চ্যাট গ্রুপে বিনিময় করতেন৷ আর এর শুরু শিশুটির বয়স যখন তিন মাস তখন থেকেই৷ 

ইয়র্গ এলকে গ্রেপ্তারের পর কোলন শহরের পুলিশ বিশেষ টাস্কফোর্স গঠন করে৷ কয়েক ট্যারাবাইটের ভিডিও ও স্থিরচিত্র উদ্ধার করে তারা৷ ১৩০ জন তদন্তকারী এখনও সেগুলো খতিয়ে দেখছেন৷ পরিস্থিতি এমন যে, এইসব ভিডিও দেখে তদন্ত কর্মকতারা নিজেরাও অসুস্থ হয়ে পড়ছেন৷ মানসিক যাতনার কারণে এরিমধ্যে টাস্কফোর্সের তিনজনকে অসুস্থতাজনিত ছুটি দিতে হয়েছে৷ 

তদন্তের প্রেক্ষিতে নিপীড়নের শিকার প্রায় ৫০টি শিশুকে উদ্ধার করা হয়েছে, যার মধ্যে তিনমাস বয়সিও রয়েছে৷ পাশাপাশি নিপীড়নকারীদের গ্রেপ্তারও করেছে পুলিশ৷ এইসব ঘটনায় জড়িত ৮৭ জন সন্দেহভাজনকে চিহ্নিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন নর্থ রাইন ওয়েস্টফালিয়া রাজ্যের সাইবার অপরাধ তদন্ত বিভাগের প্রধান এবং কোলনের স্টেট প্রসেকিউটর মার্কুস হার্টমান৷ পাশাপাশ এই ৮৭টি ঘটনার প্রত্যেকটির সঙ্গে জড়িত নতুন সন্দেহভাজনকে খুঁজে বের করছেন তারা৷ প্রতিটি ঘটনা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে তদন্তের মাধ্যমে এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তের কাজ চলছে৷

তদন্তকারীরা জানিয়েছেন এই সংক্রান্ত চ্যাটগ্রুপগুলোর ১৮০০ এর উপরে সদস্য আছে৷ এই তদন্তে তারা জার্মানি ছাড়াও বাইরের কেউ জড়িত কিনা তাও খতিয়ে দেখছে৷

তবে যার কারণে এমন বিস্তৃত তদন্তের সূচনা, সেই ইয়র্গ এল'কে মোট ৭৯ টি অপরাধে অভিযুক্ত করেছেন তদন্তকারীরা৷ বলা হচ্ছে কিছু ক্ষেত্রে তিনি অপরাধগুলো করেছেন তার চ্যাট পার্টনার কাম্প লিন্টফোর্ট নামের এক সাবেক সৈনিকের যোগসাজশে৷ মে মাসের শেষের দিকে তাকে দশ বছরের জেল দিয়েছে আদালত৷ অন্যদিকে ১৫ বছরের কারাদণ্ডের মুখোমুখি এখন ইয়র্গ৷

পুলিশের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০১৯ সালে জার্মানিতে ১৫ হাজার ৯৩৬ টি শিশু যৌন নিপীড়নের ঘটনা পাওয়া গেছে৷ শিশু পর্নোগ্রাফির ঘটনা ছিল ১২ হাজার ২৬২ টি৷

২০১৮ সালের ছবিঘরটি দেখুন...

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন