1. কন্টেন্টে যান
  2. মূল মেন্যুতে যান
  3. আরো ডয়চে ভেলে সাইটে যান
Heidenheim Wildbrücke über Autobahn
ছবি: Stefan Puchner/dpa/picture alliance

মহাসড়ক সম্প্রসারণের বিরুদ্ধে পরিবেশবাদীরা

৪ জুলাই ২০২২

জার্মানির মহাসড়ক ‘অটোবান' সম্প্রসারণের বিরুদ্ধে ডাক দিয়েছেন পরিবেশবাদীরা৷ জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় এসব প্রকল্পের বিরোধিতা করা হচ্ছে৷

https://www.dw.com/bn/%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%B0-%E0%A6%AE%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A7%9C%E0%A6%95-%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%A3%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A7%87-%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%80%E0%A6%B0%E0%A6%BE/a-62354215

আবারো মহাসড়ক সম্প্রসারণের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছেন জার্মান পরিবেশবাদীরা৷ সম্প্রতি নতুন অটোবান এ১০০ তৈরির ঘোষণা দেয়ার পর রাজধানী বার্লিনজুড়ে বেশ কিছু প্রতিবাদ সমাবেশ হয়৷

পরিবেশবাদীদের যুক্তি, এসব মহাসড়ক নির্মাণে যেমন প্রচুর কার্বন খরচ হয়, তেমনি এগুলোতে চলা যানবাহনও বিপুল পরিমাণ কার্বন নিঃসরণ করছে৷ পরিসংখ্যান বলছে, পরিবহণ খাত পশ্চিম ইউরোপের দেশটির পাঁচ ভাগের এক ভাগ গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণের জন্য দায়ী৷ যে দু'টি খাত ২০২১ সাল কার্বন নিঃসরণ কমানোর লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে ব্যর্থ হয়েছে, তার একটি এই খাত৷

তারপরও ২০৩০ সাল পর্যন্ত কেন্দ্রীয় যোগাযোগ পরিকল্পনায় ৮৫০ কিলোমিটার দীর্ঘ বেশ কয়েকটি নতুন মহাসড়ক নির্মাণ প্রকল্প রয়েছে৷

পরিবেশবাদীদের সংগঠন জার্মান ফেডারেশন ফর দ্য এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড নেচার কনজারভেশন তাদের ২০২১ সালের প্রতিবেদনে দেখিয়েছে, এমন ১২টি মহাসড়ক আছে, যেগুলোর আসলে কোন প্রয়োজন নেই৷

নতুন প্রকল্পগুলোও পরিবেশ বিধ্বংসী হতে যাচ্ছে বলে মনে করেন পরিবেশবাদীরা৷ যেমন, এ২০ অটোবানটি ৪৫ কোটি টন কার্বন নিঃসরণ করবে বলে তারা হিসেব করেছে৷ এমনকি জঙ্গল কাটা পড়বে এবং বেশ কয়েকটি বিরল প্রাণি ও উদ্ভিদ প্রজাতির অস্তিত্ব সংকটের মুখে পড়বে৷ এছাড়া এতে খরচও হবে ছয়শ' কোটি ইউরো বা ষাট হাজার কোটি টাকা৷

কিন্তু জার্মান সরকার এসব বিষয়ে খুব একটা খেয়াল করছে বলে মনে করেন না পরিবেশবাদীরা৷ উল্টো ৭০% মহাসড়কে গাড়ির গতিসীমা নির্দিষ্ট নয়৷ সেখানে যে কোন গতিতে গাড়ি চালানো যায়৷ তাই এতে জ্বালানি তেলের খরচও বাড়ে৷ পরিবেশবাদীরা বলেন, যদি এই গতিসীমা ঘণ্টায় ১০০ কিলোমিটারে সীমাবদ্ধ রাখা যেত, তাহলে ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে যে জ্বালানির বাড়তি সংকট দেখা দিয়েছে, তা অনেকটাই মোকাবেলা করা যেত৷

স্টুয়ার্ট ব্রাউন/জেডএ

স্কিপ নেক্সট সেকশন ডয়চে ভেলের শীর্ষ সংবাদ

ডয়চে ভেলের শীর্ষ সংবাদ

Bangladesch | Dhaka Karwan Market

মূল্যস্ফীতির আরো চাপে সাধারণ মানুষ

স্কিপ নেক্সট সেকশন ডয়চে ভেলে থেকে আরো সংবাদ

ডয়চে ভেলে থেকে আরো সংবাদ

প্রথম পাতায় যান