জার্মানির চ্যান্সেলর হবার দৌড়ে এগিয়ে শলৎস | বিশ্ব | DW | 07.10.2021
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

জার্মানি

জার্মানির চ্যান্সেলর হবার দৌড়ে এগিয়ে শলৎস

জার্মানির সাধারণ নির্বাচনের দুই সপ্তাহের মধ্যেই জোট সরকার গড়ার লক্ষ্যে প্রথম আলোচনার সুযোগ পাচ্ছে এসপিডি দল৷ ফলে ম্যার্কেলের রাজনৈতিক শিবিরের সম্ভাবনা আরো কমে গেল৷

বৃহস্পতিবারই জার্মানির আগামী জোট সরকারের সম্ভাব্য তিন শরিক দলের মধ্যে প্রথম আলোচনা হচ্ছে৷ নির্বাচনে জয়ী এসপিডি দলের সঙ্গে প্রাথমিক সংলাপ চালাচ্ছে দুই ‘কিংমেকার' সবুজ দল ও উদারপন্থি এফডিপি৷ পারস্পরিক মতপার্থক্য সত্ত্বেও অগ্রগতি হলে সেই আলোচনা প্রক্রিয়া আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে এবং আনুষ্ঠানিকভাবে জোট গঠনের লক্ষ্যে আলোচনা শুরু হবে৷ এফডিপি দলের নেতা ক্রিস্টিয়ান লিন্ডনার বলেছেন, দেশের অগ্রগতির লক্ষ্যকে কেন্দ্র করে আলোচনা চালালে আপস সম্ভব হবে বলে তিনি আশা করছেন৷

বুধবার এফডিপি ও সবুজ দল এসপিডি-র সঙ্গে সম্মিলিত আলোচনার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করে৷ এসপিডি দলের চ্যান্সেলর পদপ্রার্থী ওলাফ শলৎস এই দুই দলের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক প্রাথমিক আলোচনাকে ‘গঠনমূলক' হিসেবে বর্ণনা দিয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন৷ তার মতে, ভোটাররা এই তিন দলকেই সরকার গঠনের দায়িত্ব দিয়েছে, যা এবার পালন করার সময় এসেছে৷

এফডিপি ও সবুজ দল সবার আগে এসিপিডি দলের সঙ্গে সম্মিলিত আলোচনার সিদ্ধান্ত নিলেও এখনো বিকল্প পথ খোলা রেখেছে৷ অর্থাৎ সিডিইউ ও সিএসইউ দলের ইউনিয়ন শিবিরের সঙ্গে জোট বাঁধার সম্ভাবনা এখনো পুরোপুরি উড়িয়ে দেয় নি তারা৷ ইউনিয়ন শিবিরের চ্যান্সেলর পদপ্রার্থী আরমিন লাশেটও সেই পথ পুরোপুরি খোলা রেখেছেন৷ সবার আগে এসপিডি দলের সঙ্গে দুই ‘কিংমেকার' দলের আলোচনার সিদ্ধান্তের প্রতি শ্রদ্ধা প্রকাশ করে তিনি এই মন্তব্য করেন৷

নির্বাচনে ইউনিয়ন শিবিরের ভরাডুবির পর ব্যাপক অরাজকতা ও বিভাজনের প্রেক্ষাপটে অবশ্য সরকারের নেতৃত্ব দেবার ক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে৷ বুধবার ‘কিংমেকার' দলের সিদ্ধান্তের পর বাভেরিয়ার মুখ্যমন্ত্রী ও সিএসইউ দলের নেতা মার্কুস স্যোডার নিজের শিবিরের সম্ভাবনা কার্যত খারিজ করে দিয়েছেন৷ তার মতে, ইউনিয়ন শিবির সম্ভবত এ যাত্রায় কোনো সরকারের অংশ হচ্ছে না৷ এমন বাস্তবতা মেনে নেওয়ার সময় এসে গেছে বলে স্যোডার মনে করেন৷

জার্মানিতে ২০১৭ সালের সাধারণ নির্বাচনের পর সরকার গঠনের দির্ঘ প্রক্রিয়া থেকে শিক্ষা নিয়ে কোনো দলই এবার আর বিলম্ব চাইছে না৷ এফডিপি দল গতবার জোট গঠনের লক্ষ্যে আলোচনা ত্যাগ করায় শেষ পর্যন্ত দুই প্রধান রাজনৈতিক শক্তির মহাজোট সরকার গঠিত হয়৷ এবার উদারপন্থিরা নিজেদের রাজনৈতিক ভবিষ্যতের স্বার্থে সরকারের অংশ হতে বদ্ধপরিকর৷ তৃতীয় শক্তিশালী রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে সবুজ দলও সরকারের শরিক হিসেবে নিজস্ব নীতি কার্যকর করে দেখাতে চায়৷ ফলে এসপিডি দলের সঙ্গে দুই ‘কিংমেকার' দলের বিশাল কোনো মতপার্থক্য না দেখা দিলে ওলাফ শলৎসের নেতৃত্বে জার্মানির আগামী জোট সরকার গঠনের সম্ভাবনা উজ্জ্বল৷

এসবি/কেএম (রয়টার্স, ডিপিএ)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়