জার্মানিতে স্বীকৃতিহীন ভ্যাকসিন নিতে লাইন | বিশ্ব | DW | 29.11.2021
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

জার্মানি

জার্মানিতে স্বীকৃতিহীন ভ্যাকসিন নিতে লাইন

জার্মানিতে এক চিকিৎসক তার নিজের তৈরি করা ভ্যাকসিন দিতে শুরু করেছিলেন। পুলিশ গিয়ে তা বন্ধ করে।

চিকিৎসকের অস্বীকৃত ভ্যাকসিন কেন মানুষ নিলেন, সেটা বড় প্রশ্ন।

চিকিৎসকের অস্বীকৃত ভ্যাকসিন কেন মানুষ নিলেন, সেটা বড় প্রশ্ন।

জার্মানির লুবেক শহরের ঘটনা। একজন চিকিৎসক তার তৈরি ভ্যাকসিন দিতে শুরু করেছিলেন। ৫০ জন সেই ভ্যাকসিন নিয়ছিলেন। আরো দীর্ঘ লাইন ছিল সেই ভ্যাকসিন নেয়ার জন্য। এমন সময় পুলিশ আসে। ভ্যাকসিন দেয়া বন্ধ করে। সিরিঞ্জ, তথাকথিত ভ্যাকসিন ও অন্য সব জিনিস বাজেয়াপ্ত করে।

চিকিৎসকের নাম উইনফ্রিড স্টখার।  গত মার্চে একটি পত্রিকায় তার সাক্ষাৎকার প্রকাশিত হয়। সেখানে তিনি ভ্যাকসিন তৈরির দাবি করেন। স্টখার একজন বড় উদ্যোগপতি। তিনি লুবেক বিমানবন্দরের মালিক।

তার এই ভ্যাকসিনের কোনো লাইসেন্স নেই। জার্মানির মেডিসিন আইন অনুসারে এই ধরনের কোনো ভ্যাকসিনের প্রচার করা ফৌজদারি অপরাধ।

স্টখার কোনো রেগুলেটরের সাহায্য বা সহযোগিতা নেননি। তিনি নিজের ও একশ জন স্বেচ্ছাসেবকের উপর ভ্যাকসিনের পরীক্ষা করেন। তারপর তিনি দাবি করেন, তার ভ্যাকসিন করোনাকে রুখতে ৯৭ শতাংশ সফল। তিনি এই ভ্যাকসিন বিপুল পরিমাণে তৈরি করতে পারেন। তারপর তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা করা হয়।

বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, ওই ব্যক্তি ভ্যাকসিন সুরক্ষা বিধি মানেননি। রেগুলেটরের কাছে তথ্যও দেননি।

জার্মানির পরিস্থিতি

জার্মানিতে ৬৮ দশমিক চার শতাংশ মানুষ ভ্যাকসিন নিয়েছেন। পশ্চিম ইউরোপের দেশগুলির মধ্যে সব চেয়ে কম। তাছাড়া জার্মানিতে অনুমোদিত ভ্যাকসিনের অভাবও আছে।

জার্মানিতে এখন করোনার চতুর্থ ঢেউ চলছে। কম ভ্যাকসিন নেয়ার ক্ষতিকারক দিকটা এখন সেখানে বোঝা যাচ্ছে। যে সব রাজ্যে ভ্যাকসিন নেয়ার হার খুব কম, সেখানে করোনায় আক্রান্ত হওয়ার হার অনেক বেশি।

যারা স্টখারের ভ্যাকসিন নিয়েছেন, তারা আগে কোনো স্বীকৃত ভ্যাকসিন নিয়েছেন কি না, তা এখনো জানা যায়নি। লুবেক বিমানবন্দরে ভিড় করে তারা কেনই বা এই ভ্যাকসিন নিতে গেছিলেন, সেটাও জানা যায়নি।

অ্যালেক্স বেরি/জিএইচ

সংশ্লিষ্ট বিষয়