জার্মানিতে শিশুদের কথা গোপনে শোনার ঘড়ি নিষিদ্ধ | বিশ্ব | DW | 21.11.2017
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

জার্মানি

জার্মানিতে শিশুদের কথা গোপনে শোনার ঘড়ি নিষিদ্ধ

জার্মানির একটি নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ শিশুদের ব্যবহার উপযোগী একপাক্ষিকভাবে নজরদারির সুবিধাসম্বলিত ঘড়ি নিষিদ্ধ করেছে৷ শিশুরা ক্লাসরুমে শিক্ষকদের সঙ্গে যেসব কথাবার্তা বলে অভিভাবকরা এমন ঘড়ি ব্যবহার করে সেগুলো শোনেন৷

শিশুদের ব্যবহার উপযোগী নির্দিষ্ট কিছুস্মার্টওয়াচ আর জার্মানির বাজারেবিক্রি সম্ভব হবে না৷ যেসব ঘড়িতে ‘ওয়্যারটেপিং'-এর সুবিধা আছে, সেসব ঘড়ি এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়বে বলে শুক্রবার জানিয়েছে একটি নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ ৷

জার্মানির কেন্দ্রীয় নেটওয়ার্ক এজেন্সি বা ‘বুন্ডেসনেৎসআগেনটুয়ার' এই নিষেধাজ্ঞা কারণ হিসেবে জানিয়েছে যে, ঘড়িগুলোকে ‘আনঅথরাইজড ট্রান্সমিটারের' ক্যাটাগরিতে ফেলা যায়৷ অর্থাৎ কোনোরকম অনুমতি ছাড়াই এগুলোর মাধ্যমে নিরবে কথাবার্তা শোনা সম্ভব৷

বুন্ডেসনেৎসআগেনটুয়ার-এর প্রেসিডেন্ট ইওখেন হোমান এই বিষয়ে বলেন, ‘‘আমাদের তদন্তে দেখা গেছে, অভিভাবকরা এ সব ঘড়ি ব্যবহার করে, উদাহরণস্বরূপ, সন্তানদের ক্লাসরুমে শিক্ষকদের কথাবার্তা শোনে৷''

নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষটি আরো জানিয়েছে যে, জার্মানির বাজারে পাঁচ থেকে ১২ বছর বয়সিদের জন্য ব্যবহার উপযোগী অনেক স্মার্টওয়াচ রয়েছে৷ পাশাপাশি তারা অভিভাবকদের এ ধরনের ঘড়ি ব্যবহার থেকে বিরত থাকতে বলেছে এবং বাসায়ও সেগুলো রাখতে নিষেধ করেছে, কেননা এটি আইনত অবৈধ৷

কর্তৃপক্ষ এটাও জানিয়েছে যে, টেলিফোন ফিচারযুক্ত ঘড়ি সাধারণভাবে ব্যবহার করা জার্মানিতে নিষিদ্ধ নয়৷ তবে সেসব ঘড়িতে যদি সিমকার্ড থাকে এবং ‘‘বেবি ফোন ফাংশন'', ‘‘ওয়ান-ওয়ে কনভারসেশন,'' বা ‘‘ভয়েস মনিটরিং''-এর মতো ফিচার থাকে, তাহলে সেগুলো বেআইনি হিসেবে বিবেচিতি হবে৷

তদন্তে দেখা গেছে, কিছু থাকা মাইক্রোফোন অভিভাবকরা দূর থেকে নিরবে চালু করতে পারেন৷ ফলে যিনি ঘড়ি পরেছেন বা যাঁরা আশেপাশে কথা বলছেন, তাঁরা বুঝতেও পারবেন না যে তাঁদের কথাবার্তা তৃতীয় কোনো পক্ষ শুনছে৷ বলা বাহুল্য, এ ধরনের ফিচারযুক্ত ‘ডিভাইস' জার্মানিতে ব্যবহার আইনত নিষিদ্ধ৷

উল্লেখ্য, গতবছর ‘‘মাই ফ্রেন্ড কেইলা'' নামের একটি খেলনার পুতুলও একইরকম কারণে নিষিদ্ধ করে জার্মানি৷ পুতুলটির সঙ্গে খেলনাটির কথাবার্তা রেকর্ড হতো, যা হ্যাকাররা চুরি করে ক্ষতিকর কাজে ব্যবহারের সুযোগ ছিল৷

এআই/ডিজি (ডিপিএ, এএফপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

বিজ্ঞাপন